মুলাদী (বরিশাল) প্রতিনিধি

বরিশালের মুলাদীতে বান্ধবীর গায়েহলুদ অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে আলী হোসেন মীর (২১) নামের এক যুবককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে একদল লোক। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের চরপদ্মা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আলী হোসেন চরপদ্মা গ্রামের বাবুল মীরের ছেলে। তিনি ঢাকায় টাইলস মিস্ত্রির কাজ করতেন।
নিহতের বাবা বাবুল মীর বলেন, ‘কয়েক দিন আগে আমার ছেলে ঢাকা থেকে বাড়িতে বেড়াতে আসে। গতকাল বিকেলে বন্ধু এনায়েত হোসেনের সঙ্গে একই গ্রামের তাঁর বান্ধবীর গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে যায়। রাতে ফেরার পথে একদল লোক তাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করে।’
আলী হোসেনের বন্ধু এনায়েত হোসেন বলেন, ‘গায়েহলুদ অনুষ্ঠান শেষে আলী হোসেন কিছুটা এগিয়ে দিতে বলে। কিছু দূর এগিয়ে দেওয়ার পর সে একাই যেতে পারবে বলে জানায়। সাড়ে ১১টার দিকে আলী হোসেন বাড়ি পৌঁছেছে কি না জানার জন্য ফোন দিই। এ সময় সে বলেছিলে, বন্ধু আমাকে বাঁচা, ওরা আমাকে মেরে ফেলবে।’
এনায়েত হোসেন আরও বলেন, ‘বিষয়টি তাৎক্ষণিক আলী হোসেনের পরিবার ও অন্য বন্ধুদের জানিয়ে তাকে রক্ষার জন্য বেরিয়ে পড়ি। পরে চরপদ্মা গ্রামের মেলকার বাড়ির আলোট পাড়ে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তার মাথায় ও হাতে কোপানোর চিহ্ন এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে পেটানোর দাগ দেখা গেছে। এ সময় উদ্ধার করে রাতেই পাশের গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’
মুলাদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আওলাদ হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, বর্তমানে মরদেহ শরীয়তপুর জেলা হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তুষার কুমার মণ্ডল জানান, নিহতের পরিবারের লিখিত পাওয়ার পরে মামলা হবে।

বরিশালের মুলাদীতে বান্ধবীর গায়েহলুদ অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে আলী হোসেন মীর (২১) নামের এক যুবককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে একদল লোক। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের চরপদ্মা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আলী হোসেন চরপদ্মা গ্রামের বাবুল মীরের ছেলে। তিনি ঢাকায় টাইলস মিস্ত্রির কাজ করতেন।
নিহতের বাবা বাবুল মীর বলেন, ‘কয়েক দিন আগে আমার ছেলে ঢাকা থেকে বাড়িতে বেড়াতে আসে। গতকাল বিকেলে বন্ধু এনায়েত হোসেনের সঙ্গে একই গ্রামের তাঁর বান্ধবীর গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে যায়। রাতে ফেরার পথে একদল লোক তাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করে।’
আলী হোসেনের বন্ধু এনায়েত হোসেন বলেন, ‘গায়েহলুদ অনুষ্ঠান শেষে আলী হোসেন কিছুটা এগিয়ে দিতে বলে। কিছু দূর এগিয়ে দেওয়ার পর সে একাই যেতে পারবে বলে জানায়। সাড়ে ১১টার দিকে আলী হোসেন বাড়ি পৌঁছেছে কি না জানার জন্য ফোন দিই। এ সময় সে বলেছিলে, বন্ধু আমাকে বাঁচা, ওরা আমাকে মেরে ফেলবে।’
এনায়েত হোসেন আরও বলেন, ‘বিষয়টি তাৎক্ষণিক আলী হোসেনের পরিবার ও অন্য বন্ধুদের জানিয়ে তাকে রক্ষার জন্য বেরিয়ে পড়ি। পরে চরপদ্মা গ্রামের মেলকার বাড়ির আলোট পাড়ে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তার মাথায় ও হাতে কোপানোর চিহ্ন এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে পেটানোর দাগ দেখা গেছে। এ সময় উদ্ধার করে রাতেই পাশের গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’
মুলাদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আওলাদ হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, বর্তমানে মরদেহ শরীয়তপুর জেলা হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তুষার কুমার মণ্ডল জানান, নিহতের পরিবারের লিখিত পাওয়ার পরে মামলা হবে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৬ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৭ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৭ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২০ দিন আগে