লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি

ভোলার লালমোহনে টাকা চুরির অভিযোগে খুঁটির সঙ্গে দুই হাত বেঁধে শিশুকে নির্যাতনের ঘটনায় মোসা. রাবেয়া বেগম নামের এক গৃহবধূকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেলে নির্যাতনের শিকার শিশুর মা দুজনকে আসামি করে লালমোহন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহাবুবুর রহমান বলেন, ‘মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে ৯ বছর বয়সী শিশুকে পাঁচশত টাকা চুরির সন্দেহে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর ও চড়-থাপ্পড় দেন পাঙ্গাশিয়া গ্রামের বাহার নামের এক ব্যক্তি। এতে বাহারকে সহযোগিতা করেন তাঁর স্ত্রী রাবেয়া বেগম। পরে খবর পেয়ে শিশুর মা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। মঙ্গলবার বিকেলে ভুক্তভোগী শিশুর মা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।’
ওসি আরও বলেন, ‘মামলার ভিত্তিতে রাতেই অভিযান চালিয়ে মামলার ২ নম্বর আসামি রাবেয়া বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। মূল অভিযুক্ত বাহার ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছে। এ জন্য তাঁকে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তবে খুব শিগগিরই তাঁকেও গ্রেপ্তার করা হবে।’
উল্লেখ্য, গতকাল মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে ভুক্তভোগী শিশুকে তার বিদ্যালয়ের সহপাঠী খেলার কথা বলে তাদের বাসায় নিয়ে যায়। খেলার একপর্যায়ে সহপাঠীর বাবা বাহার তাঁর ৮০০ টাকার মধ্যে ৫০০ টাকা না পেয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে সন্দেহ করে। একপর্যায়ে ঘরের খুঁটির সঙ্গে তার দুই হাত বেঁধে মারধর করে। এ সময় বারবার সে টাকা নেয়নি বলে জানায়। কিন্তু কোনো কথা না শুনে তাকে নির্যাতন করতে থাকেন বাহার। নির্যাতন সইতে না পারে চিৎকার শুরু করলে বাহারের স্ত্রী ওই ছাত্রের মাকে ডেকে নিয়ে আসে। পরে তার মা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

ভোলার লালমোহনে টাকা চুরির অভিযোগে খুঁটির সঙ্গে দুই হাত বেঁধে শিশুকে নির্যাতনের ঘটনায় মোসা. রাবেয়া বেগম নামের এক গৃহবধূকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেলে নির্যাতনের শিকার শিশুর মা দুজনকে আসামি করে লালমোহন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহাবুবুর রহমান বলেন, ‘মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে ৯ বছর বয়সী শিশুকে পাঁচশত টাকা চুরির সন্দেহে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর ও চড়-থাপ্পড় দেন পাঙ্গাশিয়া গ্রামের বাহার নামের এক ব্যক্তি। এতে বাহারকে সহযোগিতা করেন তাঁর স্ত্রী রাবেয়া বেগম। পরে খবর পেয়ে শিশুর মা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। মঙ্গলবার বিকেলে ভুক্তভোগী শিশুর মা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।’
ওসি আরও বলেন, ‘মামলার ভিত্তিতে রাতেই অভিযান চালিয়ে মামলার ২ নম্বর আসামি রাবেয়া বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। মূল অভিযুক্ত বাহার ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছে। এ জন্য তাঁকে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তবে খুব শিগগিরই তাঁকেও গ্রেপ্তার করা হবে।’
উল্লেখ্য, গতকাল মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে ভুক্তভোগী শিশুকে তার বিদ্যালয়ের সহপাঠী খেলার কথা বলে তাদের বাসায় নিয়ে যায়। খেলার একপর্যায়ে সহপাঠীর বাবা বাহার তাঁর ৮০০ টাকার মধ্যে ৫০০ টাকা না পেয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে সন্দেহ করে। একপর্যায়ে ঘরের খুঁটির সঙ্গে তার দুই হাত বেঁধে মারধর করে। এ সময় বারবার সে টাকা নেয়নি বলে জানায়। কিন্তু কোনো কথা না শুনে তাকে নির্যাতন করতে থাকেন বাহার। নির্যাতন সইতে না পারে চিৎকার শুরু করলে বাহারের স্ত্রী ওই ছাত্রের মাকে ডেকে নিয়ে আসে। পরে তার মা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৮ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৯ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৯ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৩ দিন আগে