হাবিব মুহাম্মাদ

মানুষ শ্রেষ্ঠ জীব। আল্লাহ মানুষকে সবচেয়ে সুন্দর আকৃতি দান করেছেন। মনের আবেগ-অনুভূতি ব্যক্ত করার জন্য ভাষা দিয়েছেন। ভালো-মন্দ বোঝার জন্য বিবেক-বুদ্ধি দান করেছেন। উত্তম খাদ্য ও উপার্জন শক্তি দিয়েছেন। তাদের রয়েছে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা। সব সৃষ্টিকে তাদের অনুগত করেছেন। জ্ঞানের কারণে ফেরেশতাদের সামনে তাদের সম্মানিত করেছেন। তাই মানুষের প্রাণের মূল্য পৃথিবীতে সবচেয়ে মূল্যবান। বিদায় হজের ভাষণে রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘সাবধান, তোমাদের একজনের জানমাল অন্যের জন্য সম্মানিত, যেমন আজকের এই দিন, এই মাস ও এই শহর সম্মানিত।’ (মুসলিম: ১২১৮)
তবে দুঃখজনক হলেও সত্য, দিন দিন মানুষের জীবন মূল্যহীন হয়ে পড়ছে। অর্থসম্পদ ও ক্ষমতা প্রধান লক্ষ্যে পরিণত হচ্ছে। জুলুম-নির্যাতন ও খুনের ঘটনা বাড়ছে। মানুষ হত্যা জঘন্যতম অপরাধ। ইসলামের দৃষ্টিতে একজন মানুষকে হত্যা করা পুরো মানবজাতিকে হত্যা করার শামিল। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যে ব্যক্তি প্রাণের বিনিময়ে প্রাণ অথবা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ছাড়া কাউকে হত্যা করে, সে যেন সব মানুষকে হত্যা করে। আর যে ব্যক্তি কারও জীবন রক্ষা করে, সে যেন সব মানুষের জীবন রক্ষা করে।’ (সুরা মায়িদা: ৩২)
পরকালে হত্যাকারীর শাস্তি চিরস্থায়ী জাহান্নাম। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমকে জেনেশুনে হত্যা করবে, তার ঠিকানা জাহান্নাম। সেখানে সে স্থায়ীভাবে থাকবে। আল্লাহ তার ওপর গজব নাজিল করবেন, তাকে অভিশাপ দেবেন এবং তার জন্য প্রস্তুত রেখেছেন মহা শাস্তি।’ (সুরা নিসা: ৯৩)
হত্যাকাণ্ড বন্ধের জন্য ইসলাম কিসাসের (প্রাণের বিনিময়ে প্রাণ) মতো কঠোর আইন প্রণয়ন করেছে। বাহ্যত দৃষ্টিতে কঠোর মনে হলেও তাতে রয়েছে সামগ্রিক কল্যাণ। মানুষ যেহেতু শ্রেষ্ঠ জীব, তাই তার হত্যার শাস্তিও কঠোর। আল্লাহ বলেন, ‘কিসাসের মধ্যে রয়েছে তোমাদের জীবন রক্ষার ব্যবস্থা, যাতে তোমরা সাবধান হতে পারো।’ সুরা বাকারা: ১৭৯)
হাবিব মুহাম্মাদ, শিক্ষক ও ইসলামবিষয়ক গবেষক

মানুষ শ্রেষ্ঠ জীব। আল্লাহ মানুষকে সবচেয়ে সুন্দর আকৃতি দান করেছেন। মনের আবেগ-অনুভূতি ব্যক্ত করার জন্য ভাষা দিয়েছেন। ভালো-মন্দ বোঝার জন্য বিবেক-বুদ্ধি দান করেছেন। উত্তম খাদ্য ও উপার্জন শক্তি দিয়েছেন। তাদের রয়েছে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা। সব সৃষ্টিকে তাদের অনুগত করেছেন। জ্ঞানের কারণে ফেরেশতাদের সামনে তাদের সম্মানিত করেছেন। তাই মানুষের প্রাণের মূল্য পৃথিবীতে সবচেয়ে মূল্যবান। বিদায় হজের ভাষণে রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘সাবধান, তোমাদের একজনের জানমাল অন্যের জন্য সম্মানিত, যেমন আজকের এই দিন, এই মাস ও এই শহর সম্মানিত।’ (মুসলিম: ১২১৮)
তবে দুঃখজনক হলেও সত্য, দিন দিন মানুষের জীবন মূল্যহীন হয়ে পড়ছে। অর্থসম্পদ ও ক্ষমতা প্রধান লক্ষ্যে পরিণত হচ্ছে। জুলুম-নির্যাতন ও খুনের ঘটনা বাড়ছে। মানুষ হত্যা জঘন্যতম অপরাধ। ইসলামের দৃষ্টিতে একজন মানুষকে হত্যা করা পুরো মানবজাতিকে হত্যা করার শামিল। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যে ব্যক্তি প্রাণের বিনিময়ে প্রাণ অথবা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ছাড়া কাউকে হত্যা করে, সে যেন সব মানুষকে হত্যা করে। আর যে ব্যক্তি কারও জীবন রক্ষা করে, সে যেন সব মানুষের জীবন রক্ষা করে।’ (সুরা মায়িদা: ৩২)
পরকালে হত্যাকারীর শাস্তি চিরস্থায়ী জাহান্নাম। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমকে জেনেশুনে হত্যা করবে, তার ঠিকানা জাহান্নাম। সেখানে সে স্থায়ীভাবে থাকবে। আল্লাহ তার ওপর গজব নাজিল করবেন, তাকে অভিশাপ দেবেন এবং তার জন্য প্রস্তুত রেখেছেন মহা শাস্তি।’ (সুরা নিসা: ৯৩)
হত্যাকাণ্ড বন্ধের জন্য ইসলাম কিসাসের (প্রাণের বিনিময়ে প্রাণ) মতো কঠোর আইন প্রণয়ন করেছে। বাহ্যত দৃষ্টিতে কঠোর মনে হলেও তাতে রয়েছে সামগ্রিক কল্যাণ। মানুষ যেহেতু শ্রেষ্ঠ জীব, তাই তার হত্যার শাস্তিও কঠোর। আল্লাহ বলেন, ‘কিসাসের মধ্যে রয়েছে তোমাদের জীবন রক্ষার ব্যবস্থা, যাতে তোমরা সাবধান হতে পারো।’ সুরা বাকারা: ১৭৯)
হাবিব মুহাম্মাদ, শিক্ষক ও ইসলামবিষয়ক গবেষক

রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত
৭ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগে