ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

সীমান্ত পথে বাংলাদেশ থেকে ভারতে সোনা পাচার হয়, বিপরীতে ভারত থেকে আসে মাদক ও গরু। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, সর্বশেষ গত মঙ্গলবার বিকেলে ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তের যাদবপুর থেকে ৮৫ এবং চুয়াডাঙ্গার নিমতলা সীমান্তের আকন্দবাড়িয়া এলাকা থেকে ছয়টি সোনার বার জব্দ করা হয়। এ সময় একজনকে আটক করে বিজিবি। ২৯ নভেম্বর পৃথক দুটি অভিযানে ৯১টি সোনার বার উদ্ধারের পর রাতে সংবাদ সম্মেলন করে বিজিবি।
খালিশপুর ৫৮ ব্যাটালিয়ন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল শাহীন আজাদ জানান, বেশ কয়েক দিন আগেই তথ্য আসে সীমান্তের ঝিনাইদহের মহেশপুরের যাদবপুর এলাকা এবং চুয়াডাঙ্গা জেলার নিমতলা এলাকা দিয়ে চোরাকারবারিরা ভারতে সোনা পাচারের চেষ্টা করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে বিকেলে বিজিবির টহল দল অভিযান চালায়। এ সময় সীমান্তের একটি কলাবাগানে মাটি চাপা অবস্থায় ৮৫ টি স্বর্ণের বার জব্দ করে।
একই সময় চুয়াডাঙ্গা জেলার নিমতলা বিওপির আকন্দবাড়িয়া থেকে সন্দেহজনক অবস্থায় আব্দুস শুকুর নামের একজনকে আটক করা হয়। পরে তাঁর পায়ের জুতার নিচ থেকে ৬টি সোনার বার জব্দ করা হয়।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর ঝিনাইদহ মহেশপুর সীমান্ত থেকে ৪০টি স্বর্ণের বারসহ মো. শওকত আলী (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮-বিজিবি)। ওই দিন বিকেলে সীমান্তের মাটিলা গ্রাম থেকে এ স্বর্ণের বার জব্দ করা হয়। একই মাসের ২৬ সেপ্টেম্বর চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর গয়েশপুর গ্রাম থেকে তাজুল ইসলাম নামে এক চোরাকারবারিকে ৪টি স্বর্ণের বারসহ আটক করে বিজিবি।
গত ২২ সেপ্টেম্বর ঝিনাইদহ সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর এলাকা থেকে ২৫ ভরি স্বর্ণালংকারসহ মুক্তা খাতুন (৩৪) নামের এক নারীকে আটক করে ডিবি পুলিশ।
গত ১ এপ্রিল ভোরে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার জুলুলী গ্রামের করিমপুর মোড় থেকে ৯৯ স্বর্ণের বারসহ ইব্রাহীম খলিল (২৫) নামের একজনকে আটক করে বিজিবি। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের ওজন ১২ কেজি ৫৩০ গ্রাম।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার প্রায় ৫৭ কিলোমিটার ভারতীয় বর্ডার রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১১ কিলোমিটার রয়েছে কাঁটাতারবিহীন। ওই এলাকাজুড়ে রয়েছে কোদলা নদী। ঝিনাইদহ সীমান্তে মাটিলা, লেবুতলা, মোকদ্দাসপুর, সামান্তা, বাদ্দেরআটি, কচুরপোতা, বাঘাডঙ্গা, খোসালপুর, মাসলিয়া, আন্দুলিয়া, বন্নিশাহাপুর, শ্রীনাথপুর, জলুলী ও যাদবপুর সীমান্ত এলাকা দিয়ে মূলত রাতের অন্ধকারে এসব স্বর্ণ ও মাদকদ্রব্য এবার-ওপার হয়ে থাকে।
গভীর রাতে চোরাকারবারিদের এসব সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে এসব মালামাল নিয়ে অবস্থান নেয়। পরে সুযোগ মতো হাতবদল হয়ে মাদক ও গরু চলে আসে বাংলাদেশে। আর সোনাসহ বিভিন্ন মূল্যবান ধাতব চলে যায় ভারতে।
এ ব্যাপারে খালিশপুর ৫৮ ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল শাহীন আজাদ জানান, বিজিবি সীমান্তে অবৈধ যাতায়াত ও চোরাচালান রোধে সক্রিয় এবং কঠোর অবস্থানে রয়েছে। তাতে চোরাকারবারিদের তৎপরতা কমে এসেছে।

সীমান্ত পথে বাংলাদেশ থেকে ভারতে সোনা পাচার হয়, বিপরীতে ভারত থেকে আসে মাদক ও গরু। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, সর্বশেষ গত মঙ্গলবার বিকেলে ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তের যাদবপুর থেকে ৮৫ এবং চুয়াডাঙ্গার নিমতলা সীমান্তের আকন্দবাড়িয়া এলাকা থেকে ছয়টি সোনার বার জব্দ করা হয়। এ সময় একজনকে আটক করে বিজিবি। ২৯ নভেম্বর পৃথক দুটি অভিযানে ৯১টি সোনার বার উদ্ধারের পর রাতে সংবাদ সম্মেলন করে বিজিবি।
খালিশপুর ৫৮ ব্যাটালিয়ন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল শাহীন আজাদ জানান, বেশ কয়েক দিন আগেই তথ্য আসে সীমান্তের ঝিনাইদহের মহেশপুরের যাদবপুর এলাকা এবং চুয়াডাঙ্গা জেলার নিমতলা এলাকা দিয়ে চোরাকারবারিরা ভারতে সোনা পাচারের চেষ্টা করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে বিকেলে বিজিবির টহল দল অভিযান চালায়। এ সময় সীমান্তের একটি কলাবাগানে মাটি চাপা অবস্থায় ৮৫ টি স্বর্ণের বার জব্দ করে।
একই সময় চুয়াডাঙ্গা জেলার নিমতলা বিওপির আকন্দবাড়িয়া থেকে সন্দেহজনক অবস্থায় আব্দুস শুকুর নামের একজনকে আটক করা হয়। পরে তাঁর পায়ের জুতার নিচ থেকে ৬টি সোনার বার জব্দ করা হয়।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর ঝিনাইদহ মহেশপুর সীমান্ত থেকে ৪০টি স্বর্ণের বারসহ মো. শওকত আলী (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮-বিজিবি)। ওই দিন বিকেলে সীমান্তের মাটিলা গ্রাম থেকে এ স্বর্ণের বার জব্দ করা হয়। একই মাসের ২৬ সেপ্টেম্বর চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর গয়েশপুর গ্রাম থেকে তাজুল ইসলাম নামে এক চোরাকারবারিকে ৪টি স্বর্ণের বারসহ আটক করে বিজিবি।
গত ২২ সেপ্টেম্বর ঝিনাইদহ সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর এলাকা থেকে ২৫ ভরি স্বর্ণালংকারসহ মুক্তা খাতুন (৩৪) নামের এক নারীকে আটক করে ডিবি পুলিশ।
গত ১ এপ্রিল ভোরে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার জুলুলী গ্রামের করিমপুর মোড় থেকে ৯৯ স্বর্ণের বারসহ ইব্রাহীম খলিল (২৫) নামের একজনকে আটক করে বিজিবি। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের ওজন ১২ কেজি ৫৩০ গ্রাম।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার প্রায় ৫৭ কিলোমিটার ভারতীয় বর্ডার রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১১ কিলোমিটার রয়েছে কাঁটাতারবিহীন। ওই এলাকাজুড়ে রয়েছে কোদলা নদী। ঝিনাইদহ সীমান্তে মাটিলা, লেবুতলা, মোকদ্দাসপুর, সামান্তা, বাদ্দেরআটি, কচুরপোতা, বাঘাডঙ্গা, খোসালপুর, মাসলিয়া, আন্দুলিয়া, বন্নিশাহাপুর, শ্রীনাথপুর, জলুলী ও যাদবপুর সীমান্ত এলাকা দিয়ে মূলত রাতের অন্ধকারে এসব স্বর্ণ ও মাদকদ্রব্য এবার-ওপার হয়ে থাকে।
গভীর রাতে চোরাকারবারিদের এসব সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে এসব মালামাল নিয়ে অবস্থান নেয়। পরে সুযোগ মতো হাতবদল হয়ে মাদক ও গরু চলে আসে বাংলাদেশে। আর সোনাসহ বিভিন্ন মূল্যবান ধাতব চলে যায় ভারতে।
এ ব্যাপারে খালিশপুর ৫৮ ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল শাহীন আজাদ জানান, বিজিবি সীমান্তে অবৈধ যাতায়াত ও চোরাচালান রোধে সক্রিয় এবং কঠোর অবস্থানে রয়েছে। তাতে চোরাকারবারিদের তৎপরতা কমে এসেছে।

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
৮ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে গত রোববার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
১৩ দিন আগে
জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আলোচিত মুখ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগে মাধ্যমে বহুল আলোচিত নাম ফয়সাল করিম মাসুদ কিংবা দাউদ খান। গতকাল শুক্রবার হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই এই দুই নামে এক ব্যক্তির ছবি ফেসবুকে ভেসে বেড়াচ্ছে।
২৩ দিন আগে