
ইথিওপিয়ার উত্তরাংশের তাইগ্রে অঞ্চলের এক প্রত্যন্ত গ্রামে এখন ৮৮ বছর বয়সী নিরেয়ো উবেতের দিন কাটছে মূলত বন্ধু ও স্বজনদের কবর দিতে দিতে। একের পর এক প্রিয় মানুষকে হারানোর শোকের মধ্যে তাঁর বড় দুশ্চিন্তা—নিজের মৃত্যু হলে তাঁকে সম্মানজনকভাবে দাফন করার মতো কেউ আদৌ থাকবে কি না। কারণ, ভয়াবহ ক্ষুধা ইতিমধ্যে তাঁর গ্রামের বড় অংশকে গ্রাস করেছে।
প্রবীণ উবেত বলেন, ‘আমরা প্রায় কোনো মানবিক সহায়তা পাচ্ছি না।’ ইরিত্রিয়া সীমান্তের কাছে অবস্থিত হিৎসাতস গ্রামে তাঁর মতো আরও অনেকের শারীরিক দুর্বলতা চোখে পড়ার মতো। তিনি বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত আমাদের মারবে সংঘাত নয়, দুর্ভিক্ষই।’
একসময় হুমেরা এলাকার গর্বিত কৃষক ছিলেন উবেত। বর্তমানে এলাকাটি আমহারা অঞ্চলের অন্তর্গত হলেও এটি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। চার বছর আগে সংঘাত ও জাতিগত সহিংসতা থেকে পালিয়ে তিনি হিৎসাতসে আশ্রয় নেন। এই সংঘাতেই হাজার হাজার মানুষ নিহত হন এবং লক্ষাধিক মানুষ বাস্তুচ্যুত হন।
২০২০ সালে শুরু হওয়া তাইগ্রে যুদ্ধের মাঝামাঝি সময়ে প্রথমবার বাস্তুচ্যুত হন উবেত। যুদ্ধ শেষ হয় ২০২২ সালে, কিন্তু তারপরও তিনি নিজের আগের জীবনে ফিরে যেতে পারেননি। হিৎসাতস চরম দারিদ্র্যপীড়িত গ্রাম। দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ইউএসএআইডিসহ বিভিন্ন মানবিক সংস্থার সহায়তার ওপরই গ্রামটি টিকে ছিল। একসময় ইউএসএআইডি ছিল ইথিওপিয়ার মানবিক সহায়তার সবচেয়ে বড় উৎস।
কিন্তু পরিস্থিতি হঠাৎ বদলে যায় এক বছর আগে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই ইউএসএআইডি কার্যত ভেঙে দেওয়া হয় এবং বিশ্বজুড়ে সংস্থাটির অর্থায়ন ব্যাপকভাবে কমিয়ে দেওয়া হয়। তাইগ্রে অঞ্চলজুড়ে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিসহ (ডব্লিউএফপি) বিভিন্ন মানবিক সংস্থা বলছে, এখানকার প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ জরুরি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু ইউএসএআইডির তহবিল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সামগ্রিকভাবে মানবিক সহায়তার অর্থ কমে গেছে। যেটুকু আছে, সেটিও তুলনামূলকভাবে আরও বড় সংকটপূর্ণ অঞ্চল ও বৈশ্বিক সংঘাতপূর্ণ এলাকায় পাঠানো হচ্ছে।
চিকিৎসা সহায়তাকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস বা এমএসএফ জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের এই তহবিল কাটছাঁটের ফলে ২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্য ও মানবিক কর্মসূচি মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে। এক বিবৃতিতে এমএসএফ জানায়, বিশ্বজুড়ে এর মানবিক মূল্য ভয়াবহ।
সংস্থাটি জানায়, সোমালিয়ায় সহায়তা ব্যাহত হওয়ায় কয়েক মাস ধরে চিকিৎসামূলক দুধের সরবরাহ বন্ধ ছিল, যার ফলে এমএসএফের ক্লিনিকে শিশুদের অপুষ্টি বেড়ে যায়। দক্ষিণ সুদানের রেঙ্ক শহরে অর্থায়ন বন্ধ হওয়ায় একটি সংস্থা হাসপাতালের কর্মীদের সহায়তা বন্ধ করে দেয়, ফলে মাতৃত্বকালীন সেবায় বড় ঘাটতি তৈরি হয়। আর কঙ্গোর গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে ইউএসএআইডি ভেঙে দেওয়ায় ধর্ষণের শিকারদের জন্য নির্ধারিত এক লাখ চিকিৎসা কিটের অর্ডার বাতিল হয়ে যায়, যেখানে এইচআইভি প্রতিরোধের ওষুধও ছিল।
ইথিওপিয়া আগে সাব-সাহারান আফ্রিকায় ইউএসএআইডির সবচেয়ে বড় সহায়তাপ্রাপ্ত দেশ ছিল। এই অর্থসংকট বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি করেছে এবং অন্য সংস্থাগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ ফেলেছে। আল জাজিরাকে ইথিওপিয়ায় এমএসএফের প্রধান জোশুয়া একলি বলেন, তাইগ্রেতে দাতাদের অর্থায়ন কমে যাওয়ায় ইতিমধ্যে দুর্বল জনস্বাস্থ্যব্যবস্থা আরও চাপে পড়েছে।
জোশুয়া একলি বলেন, ‘অর্থসংকটের কারণে যখন সহায়তা সংস্থাগুলো তাদের কার্যক্রম কমাচ্ছে বা স্থগিত করছে, তখন সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ মানুষগুলো চিকিৎসা, বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অথচ সামগ্রিক মানবিক চাহিদা আমাদের সম্মিলিত সক্ষমতার চেয়েও অনেক বেশি।’
হিৎসাতসে উবেত ও তাঁর আশপাশের মানুষ সরাসরি এই সহায়তা বন্ধের প্রভাব অনুভব করছেন। এতে আগে থেকেই দুর্দশাগ্রস্ত এই জনগোষ্ঠীর দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। তাইগ্রে যুদ্ধের সময় মাই কাদরা শহর থেকে বাস্তুচ্যুত হন ৭১ বছর বয়সী তেরফুনেহ ওয়েলদেরুফায়েল। ২০২২ সাল থেকে তিনি হিৎসাতসে থাকছেন। তিনি বলেন, গ্রামে ক্ষুধা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। গত এক বছরে ক্ষুধার কারণে প্রিয়জনকে হারায়নি—এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন।
হিৎসাতসের একটি সরকারি বাস্তুচ্যুত শিবিরে প্রায় ১ হাজার ৭০০ জন মানুষ থাকেন। শিবিরটির সমন্বয়ক আব্রাহা মেব্রাথু বলেন, গ্রামে মানবিক সহায়তা প্রায় নেই বললেই চলে। তিনি নিশ্চিত করেন, বহু মানুষ মারা যাচ্ছে এবং পরিস্থিতি খারাপ হলেও পর্যাপ্ত সহায়তার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, মৃত মানুষের সংখ্যা এত বেশি যে, এখন আর আলাদা করে হিসাব রাখাও হচ্ছে না। বরং বেঁচে থাকা মানুষদের জন্য সহায়তার আবেদন জানানোই এখন প্রধান কাজ।
মেব্রাথু বলেন, ‘আমরা খুব কম সহায়তা পেয়েছি আর চাহিদা সীমাহীন।’ তিনি জানান, বেশির ভাগ জমি চাষের অযোগ্য এবং বাস্তুচ্যুত মানুষদের খাদ্য উৎপাদনের কোনো সুযোগ নেই। তাঁর ভাষায়, অধিকাংশ মানুষই এখন ‘মরে যাওয়ার প্রহর গুনছে’। পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে, কারণ, স্থানীয় অনেক মানবিক কর্মী এক বছর ধরে বেতন পাননি। মেব্রাথু বলেন, তাঁরাও আশপাশের মানুষের মতোই না খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন।
এদিকে বাজেট সংকটের কারণে কাছের শহর শিরেতে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির অফিস হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। শিরে ইথিওপিয়ার সবচেয়ে বড় বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর একটি কেন্দ্র। এটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হিৎসাতসের পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। ইথিওপিয়ায় ইউএসএআইডি কার্যক্রম স্থগিতের কয়েক মাস পর যুক্তরাষ্ট্র কিছু সহায়তা পুনরায় শুরু করার ঘোষণা দেয়। তবে অনেকের মতে, তাইগ্রের মতো এলাকায় সেই সহায়তা কার্যত পৌঁছায়নি। যুদ্ধের পর এখানকার অর্থনীতি ও জনজীবন এখনো বিধ্বস্ত। মেব্রাথু বলেন, প্রায় দুই হাজার মানুষ যখন চরম সংকটে আছে, তখন সামান্য সহায়তা আসছে—এটা যেন হ্রদের মধ্যে এক গ্লাস পানি ঢালার মতো।
ইউএসএআইডির অনুপস্থিতিতে কিছু ইথিওপীয় নাগরিক নিজ উদ্যোগে সাহায্য করতে চেয়েছিলেন। গত মাসে মেকেল্লে ও আদ্দিস আবাবা থেকে কয়েকজন অনলাইন ইনফ্লুয়েন্সারের উদ্যোগে বাস্তুচ্যুত ও দুর্বল মানুষদের জন্য অর্থ সংগ্রহের ঢেউ ওঠে।
কিন্তু ইথিওপিয়ার কর্তৃপক্ষ জানায়, সরকার ইতিমধ্যে পর্যাপ্ত সহায়তা পাঠাচ্ছে। তারা ইনফ্লুয়েন্সারসহ নাগরিকদের এমন জায়গায় সরাসরি অর্থ সংগ্রহ ও সহায়তা দিতে নিষেধ করে। সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি যে সেখানে গুরুতর খাদ্যসংকট চলছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, সরকার ইথিওপিয়াকে স্বনির্ভর ও ইতিবাচক হিসেবে তুলে ধরতে চায় এবং দারিদ্র্য ও সহায়তনির্ভরতার গল্প এড়িয়ে চলতে চায়।
লক্ষাধিক অনুসারী থাকা এক ইনফ্লুয়েন্সার আদোনাই হিৎসাতসের মানুষের জন্য অর্থ তুলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কায় উদ্যোগটি মাঝপথেই বন্ধ হয়ে যায়। আরেক ইনফ্লুয়েন্সার নাম প্রকাশ না করার শর্তে আল জাজিরাকে বলেন, ‘আমরা দুর্ভিক্ষে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় গিয়েছিলাম। আমাদের ইচ্ছা ও সক্ষমতা ছিল জীবন বাঁচানোর। কিন্তু এখন দূর থেকে তাদের মরতে দেখাই আমাদের নিয়তি।’
ইথিওপীয় সরকার দাবি করে, দেশটি এখন গমে স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং দুর্বল জনগোষ্ঠীকে খাদ্য দিতে সক্ষম। তবে সমালোচকেরা এ দাবি মানেন না। ২০২৪ সালে প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ পার্লামেন্টে বলেন, ইথিওপিয়ায় কেউ ক্ষুধায় মারা যাচ্ছে না। অথচ বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি জানায়, তখন ১ কোটির বেশি ইথিওপীয় দুর্ভিক্ষের মুখে ছিল।
গত বছর আবি আহমেদ ‘ইথিওএইড’ নামে একটি নতুন সংস্থা গঠনের ঘোষণা দেন, যা ইউএসএইডের মতো কাজ করবে। এই সংস্থা যুদ্ধবিধ্বস্ত সুদানসহ প্রতিবেশী দেশগুলোকে সহায়তা দেবে। সুদানকে ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার সহায়তা দেওয়া হয়। ইথিওপিয়ার দুর্যোগ ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিশন হিৎসাতসসহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক অনাহারের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তবে ‘ফ্যামিন আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেমস নেটওয়ার্ক’-এর সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে যাওয়ায় বর্তমানে দেড় কোটির বেশি ইথিওপীয় জরুরি খাদ্য সহায়তার প্রয়োজন অনুভব করছে।
সরকারি সংস্থাটি দাবি করেছে, তারা তাইগ্রে প্রাদেশিক সরকারকে প্রায় ১৮ লাখ ডলারের খাদ্যসহায়তা দিয়েছে এবং তা বিতরণে অনিয়ম হয়েছে। তবে প্রাদেশিক সরকার এই দাবি অস্বীকার করেছে। তাইগ্রে দুর্যোগ ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিশনের প্রধান গেব্রেহিওয়ত গেব্রে-এগজিয়াহবার আল জাজিরাকে বলেন, অর্থসংকটের কারণে গ্রামীণ এলাকাগুলোতে সহায়তা ব্যাপকভাবে কমানো হয়েছে, যেখানে ক্ষুধা সবচেয়ে বেশি।
সরকার স্থিতিশীলতার কথা বললেও বাস্তবে আন্তর্জাতিক সহায়তা কমছে এবং মানুষ বাধ্য হয়ে পালাচ্ছে। এ মাসে সরকার জানায়, আসন্ন দুর্ভিক্ষ মোকাবিলায় জ্বালানি ও টেলিযোগাযোগ খাতে নতুন কর আরোপ করা হবে। ৭১ বছর বয়সী আলমাজ গেব্রেজেদেল চার বছর ধরে হিৎসাতসে থাকছেন। তিনি প্রতিদিন আশপাশে সাহায্যের খোঁজে বের হন। সংগঠন খুব কম আসে, আর যা আসে, তা স্থানীয় ছোট সংগঠনের সামান্য অনুদান। তিনি বলেন, মানুষ পাতা ঝরার মতো ঝরে পড়ছে। তাঁর পাশের ছেঁড়া তাঁবুর নিচে শুয়ে আছেন ৬৭ বছর বয়সী বিধবা মার্তা তাদেসে। তিনি অসুস্থ, ক্ষুধার্ত ও শয্যাশায়ী। তিনি জানান, তিনি এইচআইভিতে আক্রান্ত। সন্তানেরা ভালো জীবনের আশায় চলে গেছেন। তিনি একাই সংগ্রাম করছেন।
২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের চালু করা পেপফার কর্মসূচির মাধ্যমে মার্তা তাদেসে আগে ওষুধ পেতেন। এই কর্মসূচি বিশ্বজুড়ে লাখো মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে। কিন্তু এখন সেই সহায়তাও বন্ধ। তিনি জানান, ওষুধের চেয়েও এখন তাঁর সবচেয়ে বড় প্রয়োজন খাবার। স্থানীয় একটি চার্চের ডিকন ইয়োনাস হাগোস বলেন, কবরস্থানে জায়গা ফুরিয়ে আসছে। তিনি বলেন, প্রতিদিন মানুষ মারা যাচ্ছে, বেশির ভাগই ক্ষুধায়।
নিরেয়ো উবেত এখনো কবর খুঁড়ছেন। তাঁর বিশ্বাস, খুব শিগগির তাঁর পালা আসবে। তিনি বলেন, ‘আমার চলে যেতে আর বেশি সময় লাগবে না।’

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ‘গানবাংলা’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক কৌশিক হোসেন তাপসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারির নির্দেশ দেন।
২ দিন আগে
আজ এক বিজ্ঞপ্তিতে সিআইডি জানিয়েছে, সালাউদ্দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি ম্যারেজ মিডিয়া পেজ ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ওই নারীর সঙ্গে পরিচিত হন। তিনি ভুয়া নাম ‘নাদিম আহমেদ সুমন’ ব্যবহার করে নিজেকে কানাডাপ্রবাসী ও বিপত্নীক দাবি করেন। ভুক্তভোগী নারীর আস্থা অর্জনের জন্য ভিডিও কলে তাঁর মা ও বোন..
৯ দিন আগে
রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত পরিকল্পনাকারী ও তাঁদের...
১১ দিন আগে
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
২৩ দিন আগে