টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি, বরকল, বড় হরিণা ও বিলাইছড়ির ফারুয়া ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ৪৭টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৩ হাজার ৮২০ জন আশ্রয় নিয়েছেন। সড়ক ও নৌপথে বিঘ্ন ঘটায় দুর্গম এলাকায় ত্রাণ পৌঁছাতে বেগ পেতে হচ্ছে প্রশাসন।


রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক মানেই পাহাড়ের গায়ে মিশে থাকা এক টুকরা আকাশ। সেখানে পাহাড় আর মেঘ মিশে যায় একই ক্যানভাসে। এই মেঘের রাজ্যের শেষ প্রান্তে পাহাড়ের কোল ঘেঁষে আছে লুসাই সাংস্কৃতিক পার্ক। পাহাড়ি সংস্কৃতির বৈচিত্র্য এবং লুসাই নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্যকে পর্যটকদের কাছে তুলে ধরতে...

ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক-মাচালং সড়কের একটি অংশ পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে সাজেকের সঙ্গে সড়কপথে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় সাজেক ও মাচালং বাজার এলাকায় আটকা পড়েছেন ৫৮৩ জন পর্যটক। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে সাজেকের সঙ্গে সরাসরি যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। আটকে পড়া প

রাঙামাটির বাঘাইছড়ির সঙ্গে খাগড়াছড়িসহ সারা দেশের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। আজ রোববার সকালে সড়কে পাহাড় ধসে পড়ায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। খাগড়াছড়ির দীঘিনালার ২য় শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের বেলুন মেকার সুভূতি চাকমা বলেন, সকাল ১০টা পর্যন্ত ৫৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।