
আফগানিস্তানে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে চায় বাংলাদেশের একটি কোম্পানি। এই প্রকল্পের আওতায় ১০০ থেকে ১০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে।
আফগানিস্তানের পানি ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যম কাবুল টাইমসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদমাধ্যমটির তথ্যমতে, সম্প্রতি ইস্যুটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে আফগানিস্তানের পানি ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণ বিভাগের প্রধান মৌলভি রহমত ওয়ালি রহমানি এবং বাংলাদেশি কোম্পানি বিপিটির প্রধান মোহাম্মদ ইসহাক আবুল খায়ের।
আফগানিস্তানের পানি ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে অনুযায়ী, আফগানিস্তানের নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিশেষত ১০০ থেকে ১০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিনিয়োগের ব্যাপারে আগ্রহের কথা জানিয়েছেন ইসহাক আবুল খায়ের। একই সঙ্গে এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে আফগান সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে মৌলভি রহমত ওয়ালি রহমানি আবুল খায়েরকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, আফগানিস্তানে বর্তমানে বিনিয়োগের জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরি হয়েছে এবং তা দিন দিন আরও উন্নত হচ্ছে। সরকার এই খাতে বিদেশি অংশীদারিকে স্বাগত জানাচ্ছে।
উল্লেখ্য, আফগানিস্তানে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে দেশটির তালেবান প্রশাসন। সৌরবিদ্যুৎকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খাত হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এই প্রস্তাবিত বিনিয়োগ বাস্তবায়িত হলে দেশটির বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও জটিল হতে শুরু করায় উত্তেজনা দেখা গেছে তেলের বিশ্ববাজারে। আজ সোমবার সকালে অপরিশোধিত তেলের দাম ১১৫ ডলার ছাড়িয়েছে। অন্যদিকে দরপতন হয়েছে এশিয়ার শেয়ারবাজারে। লেনদেন শুরুর পরপরই বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাব দেশের ইস্পাত খাতে সরাসরি দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। দিনদিন বাড়ছে এই ইস্পাত শিল্পের অন্যতম কাঁচামাল স্ক্র্যাপ ও প্লেটের দাম। বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসবিআরএ) তথ্যমতে, চট্টগ্রামের জাহাজভাঙা শিল্পে গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ইস্পাতের কাঁচা
১১ ঘণ্টা আগে
বাণিজ্যের খাতায় হিসাব মেলে; কিন্তু বাস্তবে বড় ফাঁক থেকেই যাচ্ছে। সেই ফাঁক দিয়ে গত এক দশকে দেশ থেকে বেরিয়ে গেছে বিপুল অঙ্কের অর্থ। এ সময়ে আমদানি-রপ্তানির মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে বাংলাদেশ থেকে ৬ হাজার ৮৩০ কোটি ডলার পাচার করা হয়েছে, যা দেশীয় মুদ্রায় ৮ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকার বেশি (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)।
১২ ঘণ্টা আগে
সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের চেয়ে ভাঙার প্রবণতা এখনো বেশি। প্রক্রিয়াগত জটিলতা, ট্যাক্স রিটার্ন জমার বাধ্যবাধকতা এবং সুদের হার কাঠামোর কারণে সঞ্চয়পত্রের প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ কমছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দীর্ঘদিন ধরে চলমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ায় অনেকেই এখন আর আগের মতো সঞ্চয় ধরে
১৩ ঘণ্টা আগে