আজকের পত্রিকা ডেস্ক

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে সোনার দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে। আজ মঙ্গলবার ভোরে স্পট গোল্ডের দাম বা তাৎক্ষণিকভাবে যে সোনা বিক্রি হচ্ছে তার দাম বেড়ে দাঁড়ায় প্রতি আউন্স ৩ হাজার ৫০৮ দশমিক ৫০ ডলারে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত সোনার দাম প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বেড়েছে। বিবিসির প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
অর্থনৈতিক টানাপোড়েনের সময়ে বিনিয়োগকারীরা সোনাকে তুলনামূলক নিরাপদ সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপ করা ব্যাপক শুল্ক এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যে অস্থিরতার কারণে সোনার দাম এ বছর ব্যাপকভাবে বাড়তে শুরু করে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ শিগগিরই সুদহার কমাবে—এমন প্রত্যাশা থেকেও বিনিয়োগকারীরা সোনার দিকে ঝুঁকছেন। সুদের হার কমে গেলে মানুষের ব্যাংকে অর্থ জমা রাখার প্রবণতা কমে যায়। তখন বেশি লাভের তুলনামূলক নিরাপদ সোনা কেনায় আগ্রহ বাড়ে।
সোনা ক্রয়-বিক্রয়কারী বুলিয়নভল্টের গবেষণা পরিচালক অ্যাড্রিয়ান অ্যাশ জানান, ট্রাম্পের নীতি ও বৈশ্বিক বাণিজ্যে তাঁর প্রভাবই সোনার দামের উল্লম্ফনের মূল কারণ। তিনি বলেন, ‘আসলে গত বছরের মার্কিন নির্বাচনই সোনার দামের আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছিল।’
এ ছাড়া ফেডারেল রিজার্ভের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগও বাজারকে প্রভাবিত করছে। ট্রাম্প একাধিকবার ফেড চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলকে আক্রমণ করেছেন এবং সম্প্রতি গভর্নর লিসা কুককে সরানোর চেষ্টা করেছেন।
এ প্রসঙ্গে হারগ্রিভস ল্যান্সডাউনের ডেরেন ন্যাথান বলেন, ‘ফেডের স্বাধীনতাকে দুর্বল করার প্রচেষ্টাই বিনিয়োগকারীদের আবার নিরাপদ সম্পদের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।’
গতকাল সোমবার ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান ক্রিস্টিন লগার্দ সতর্ক করে বলেন, ফেডের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হলে তা বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য ‘অত্যন্ত গুরুতর হুমকি’ হয়ে দাঁড়াবে। তাঁর মতে, ফেড যদি রাজনৈতিক চাপের মুখে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়, তবে তা যুক্তরাষ্ট্রসহ গোটা বিশ্বের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় ‘উদ্বেগজনক প্রভাব’ ফেলবে।
সাধারণত সোনার দাম হঠাৎ বেড়ে গেলে চীন ও ভারত বাজারে কেনা কমিয়ে দেয়। কিন্তু এবার ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। এসব দেশে অলংকার কেনা কমিয়ে ক্রেতারা বিনিয়োগের সোনার পণ্য—যেমন বার ও কয়েন—কেনার দিকে ঝুঁকছেন।

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে সোনার দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে। আজ মঙ্গলবার ভোরে স্পট গোল্ডের দাম বা তাৎক্ষণিকভাবে যে সোনা বিক্রি হচ্ছে তার দাম বেড়ে দাঁড়ায় প্রতি আউন্স ৩ হাজার ৫০৮ দশমিক ৫০ ডলারে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত সোনার দাম প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বেড়েছে। বিবিসির প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
অর্থনৈতিক টানাপোড়েনের সময়ে বিনিয়োগকারীরা সোনাকে তুলনামূলক নিরাপদ সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপ করা ব্যাপক শুল্ক এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যে অস্থিরতার কারণে সোনার দাম এ বছর ব্যাপকভাবে বাড়তে শুরু করে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ শিগগিরই সুদহার কমাবে—এমন প্রত্যাশা থেকেও বিনিয়োগকারীরা সোনার দিকে ঝুঁকছেন। সুদের হার কমে গেলে মানুষের ব্যাংকে অর্থ জমা রাখার প্রবণতা কমে যায়। তখন বেশি লাভের তুলনামূলক নিরাপদ সোনা কেনায় আগ্রহ বাড়ে।
সোনা ক্রয়-বিক্রয়কারী বুলিয়নভল্টের গবেষণা পরিচালক অ্যাড্রিয়ান অ্যাশ জানান, ট্রাম্পের নীতি ও বৈশ্বিক বাণিজ্যে তাঁর প্রভাবই সোনার দামের উল্লম্ফনের মূল কারণ। তিনি বলেন, ‘আসলে গত বছরের মার্কিন নির্বাচনই সোনার দামের আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছিল।’
এ ছাড়া ফেডারেল রিজার্ভের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগও বাজারকে প্রভাবিত করছে। ট্রাম্প একাধিকবার ফেড চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলকে আক্রমণ করেছেন এবং সম্প্রতি গভর্নর লিসা কুককে সরানোর চেষ্টা করেছেন।
এ প্রসঙ্গে হারগ্রিভস ল্যান্সডাউনের ডেরেন ন্যাথান বলেন, ‘ফেডের স্বাধীনতাকে দুর্বল করার প্রচেষ্টাই বিনিয়োগকারীদের আবার নিরাপদ সম্পদের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।’
গতকাল সোমবার ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান ক্রিস্টিন লগার্দ সতর্ক করে বলেন, ফেডের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হলে তা বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য ‘অত্যন্ত গুরুতর হুমকি’ হয়ে দাঁড়াবে। তাঁর মতে, ফেড যদি রাজনৈতিক চাপের মুখে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়, তবে তা যুক্তরাষ্ট্রসহ গোটা বিশ্বের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় ‘উদ্বেগজনক প্রভাব’ ফেলবে।
সাধারণত সোনার দাম হঠাৎ বেড়ে গেলে চীন ও ভারত বাজারে কেনা কমিয়ে দেয়। কিন্তু এবার ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। এসব দেশে অলংকার কেনা কমিয়ে ক্রেতারা বিনিয়োগের সোনার পণ্য—যেমন বার ও কয়েন—কেনার দিকে ঝুঁকছেন।

গতকাল বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এই তিনজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এতে স্বাক্ষর করেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোছা. শাকিলা পারভীন।
১ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে কম থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, এ বছর দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৬ শতাংশে নেমে আসতে পারে। তবে সাময়িক এই মন্থরতার পর আগামী অর্থবছরে অর্থনীতি কিছুটা...
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে চলমান এলপি গ্যাসের সরবরাহ সংকট কাটাতে এবার রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি বিপণন সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জরুরি ভিত্তিতে এলপি গ্যাস আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে। বিপিসির নিজস্ব সক্ষমতা না থাকায় এলপি...
১০ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে হিসাববিজ্ঞান পেশার ইতিহাসে এক মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছে দ্য ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি)। ১৭ জানুয়ারি ঢাকার হোটেল লো মেরিডিয়েনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘সাফা ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স ২০২৬’। এই সম্মেলনে যোগ দিতে প্রথমবারের মতো ঢাকা আসছেন...
১৫ ঘণ্টা আগে