আজকের পত্রিকা ডেস্ক

রাশিয়ার জ্বালানি তেল আমদানি কমাতে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের বাড়তি চাপের মুখে অপরিশোধিত তেলের নতুন উৎস খুঁজছে ভারত। এই পরিস্থিতিতে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ গায়ানায় অবস্থিত মার্কিন কোম্পানির কাছ থেকে তেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির শীর্ষ পরিশোধনাগারগুলো।
বাণিজ্যিক সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, আজ শুক্রবার ভারতের দুটি পরিশোধনাগার মার্কিন জ্বালানি কোম্পানি এক্সন মবিলের কাছ থেকে ৪০ লাখ ব্যারেল গায়ানিজ অপরিশোধিত তেল কিনেছে। ২০২৫ সালের শেষ বা ২০২৬ সালের শুরুতে এসব তেল সরবরাহ করা হবে।
ভারতের সবচেয়ে বড় রিফাইনারি ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন (আইওসি) এই প্রথম ২০ লাখ ব্যারেল ‘গোল্ডেন অ্যারোহেড’ গ্রেডের তেল কিনল। একইভাবে হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (এইচপিসিএল) ২০ লাখ ব্যারেল লাইজা ও ইউনিটি গোল্ড গ্রেডের তেল কিনেছে।
এই পদক্ষেপকে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে, কারণ যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর কড়াকড়ি আরোপ করেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বুধবার ঘোষণা দিয়েছেন, ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করবে, যদিও দিল্লি তা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি। ভারতের কর্মকর্তারা বর্তমানে ওয়াশিংটনে শুল্ক হ্রাস নিয়ে বাণিজ্য আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্রের শর্তগুলোর মধ্যে রাশিয়ার তেল আমদানি কমানো এই আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি ভারতের পণ্যে শুল্ক দ্বিগুণ করেছে এবং রাশিয়ান তেল আমদানি বন্ধকে বাণিজ্য চুক্তির কেন্দ্রীয় শর্ত হিসেবে তুলে ধরেছে।
ভারত ও চীন বর্তমানে রাশিয়ার তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর ইউরোপের বাজার হারিয়ে মস্কো কম দামে ভারত ও চীনের কাছে তেল বিক্রি করে আসছে। বর্তমানে ভারতের মোট তেল আমদানির ৩৬ শতাংশ রাশিয়া থেকে আসে, দৈনিক প্রায় ১৭ দশমিক ৫ লাখ ব্যারেল। তবে ডিসেম্বর থেকে ক্রয়ে বড় ধরনের হ্রাস আসতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও নীতিনির্ধারকেরা।
এই অবস্থায় গায়ানার মতো নতুন সরবরাহ উৎসে ঝুঁকে রাশিয়ার ওপর নির্ভরতা কমাতে চায় দিল্লি। এক্সন মবিল নেতৃত্বাধীন কনসোর্টিয়ামের উৎপাদন বাড়ার ফলে গায়ানা দ্রুত বৈশ্বিক তেল রপ্তানিকারক হিসেবে গুরুত্ব পাচ্ছে। বর্তমানে দেশটির দৈনিক উৎপাদন দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৭০ হাজার ব্যারেলে। জুলাইয়ে নতুন ‘গোল্ডেন অ্যারোহেড’ গ্রেড চালুর পর অক্টোবর মাসে গায়ানার তেল রপ্তানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে দৈনিক ৯ লাখ ৩৮ হাজার ব্যারেল, যা দেশটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

রাশিয়ার জ্বালানি তেল আমদানি কমাতে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের বাড়তি চাপের মুখে অপরিশোধিত তেলের নতুন উৎস খুঁজছে ভারত। এই পরিস্থিতিতে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ গায়ানায় অবস্থিত মার্কিন কোম্পানির কাছ থেকে তেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির শীর্ষ পরিশোধনাগারগুলো।
বাণিজ্যিক সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, আজ শুক্রবার ভারতের দুটি পরিশোধনাগার মার্কিন জ্বালানি কোম্পানি এক্সন মবিলের কাছ থেকে ৪০ লাখ ব্যারেল গায়ানিজ অপরিশোধিত তেল কিনেছে। ২০২৫ সালের শেষ বা ২০২৬ সালের শুরুতে এসব তেল সরবরাহ করা হবে।
ভারতের সবচেয়ে বড় রিফাইনারি ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন (আইওসি) এই প্রথম ২০ লাখ ব্যারেল ‘গোল্ডেন অ্যারোহেড’ গ্রেডের তেল কিনল। একইভাবে হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (এইচপিসিএল) ২০ লাখ ব্যারেল লাইজা ও ইউনিটি গোল্ড গ্রেডের তেল কিনেছে।
এই পদক্ষেপকে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে, কারণ যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর কড়াকড়ি আরোপ করেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বুধবার ঘোষণা দিয়েছেন, ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করবে, যদিও দিল্লি তা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি। ভারতের কর্মকর্তারা বর্তমানে ওয়াশিংটনে শুল্ক হ্রাস নিয়ে বাণিজ্য আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্রের শর্তগুলোর মধ্যে রাশিয়ার তেল আমদানি কমানো এই আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি ভারতের পণ্যে শুল্ক দ্বিগুণ করেছে এবং রাশিয়ান তেল আমদানি বন্ধকে বাণিজ্য চুক্তির কেন্দ্রীয় শর্ত হিসেবে তুলে ধরেছে।
ভারত ও চীন বর্তমানে রাশিয়ার তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর ইউরোপের বাজার হারিয়ে মস্কো কম দামে ভারত ও চীনের কাছে তেল বিক্রি করে আসছে। বর্তমানে ভারতের মোট তেল আমদানির ৩৬ শতাংশ রাশিয়া থেকে আসে, দৈনিক প্রায় ১৭ দশমিক ৫ লাখ ব্যারেল। তবে ডিসেম্বর থেকে ক্রয়ে বড় ধরনের হ্রাস আসতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও নীতিনির্ধারকেরা।
এই অবস্থায় গায়ানার মতো নতুন সরবরাহ উৎসে ঝুঁকে রাশিয়ার ওপর নির্ভরতা কমাতে চায় দিল্লি। এক্সন মবিল নেতৃত্বাধীন কনসোর্টিয়ামের উৎপাদন বাড়ার ফলে গায়ানা দ্রুত বৈশ্বিক তেল রপ্তানিকারক হিসেবে গুরুত্ব পাচ্ছে। বর্তমানে দেশটির দৈনিক উৎপাদন দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৭০ হাজার ব্যারেলে। জুলাইয়ে নতুন ‘গোল্ডেন অ্যারোহেড’ গ্রেড চালুর পর অক্টোবর মাসে গায়ানার তেল রপ্তানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে দৈনিক ৯ লাখ ৩৮ হাজার ব্যারেল, যা দেশটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

গতকাল বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এই তিনজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এতে স্বাক্ষর করেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোছা. শাকিলা পারভীন।
২ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে কম থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, এ বছর দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৬ শতাংশে নেমে আসতে পারে। তবে সাময়িক এই মন্থরতার পর আগামী অর্থবছরে অর্থনীতি কিছুটা...
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে চলমান এলপি গ্যাসের সরবরাহ সংকট কাটাতে এবার রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি বিপণন সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জরুরি ভিত্তিতে এলপি গ্যাস আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে। বিপিসির নিজস্ব সক্ষমতা না থাকায় এলপি...
১০ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে হিসাববিজ্ঞান পেশার ইতিহাসে এক মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছে দ্য ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি)। ১৭ জানুয়ারি ঢাকার হোটেল লো মেরিডিয়েনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘সাফা ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স ২০২৬’। এই সম্মেলনে যোগ দিতে প্রথমবারের মতো ঢাকা আসছেন...
১৬ ঘণ্টা আগে