
ঝিমিয়ে পড়া অর্থনীতি চাঙা করার লক্ষ্যে প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এজন্য বিশেষ বন্ড ছেড়ে ২ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ইউয়ানের সমপরিমাণ ৩২৫ দশমিক ৩ বিলিয়ন বা সাড়ে ৩২ হাজার কোটি ডলার সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে দেশটি। তবে প্রণোদনায় মোট অর্থের পরিমাণ কত হবে তা স্পষ্ট করেনি চীন। এজন্য বাজারে আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি থাকলে প্রণোদনার ইতিবাচক প্রভাব ফেলা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।
ঋণগ্রস্ত স্থানীয় সরকারকে সহায়তা; নিম্ন আয়ের মানুষকে ভর্তুকি ও ব্যাংকে মূলধন যোগান এবং দেশের টালমাটাল আবাসন খাতে স্থিতিশীলতা আনতে প্রণোদনার অর্থ ব্যয় করা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে চীন। আজ শনিবার চীনের অর্থমন্ত্রী লান ফো’য়ান সংবাদ সম্মেলনে বন্ড ছাড়ার ঘোষণা দেন।
বার্তা সংস্থা এএফপি বলছে, অর্ধনীতি চাঙা করার লক্ষ্য নিয়ে গত সপ্তাহেও বেশ কিছু পদক্ষেপ সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছিল। এসব পদক্ষেপের মধ্যে ছিল সুদের হার কমানো ও ব্যাংকগুলোর জন্য অতিরিক্ত অর্থের ব্যবস্থা করা।
আবাসন খাতে দীর্ঘমেয়াদী সংকট ও ভোক্তা চাহিদা কমায় চীনের অর্থনীতি ঝিমিয়ে পড়েছে। ঝিমিয়ে পড়া অর্থনীতি চাঙা করতে বিশেষ বন্ড ছেড়ে ৩২ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের সমপরিমাণ ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি ইউয়ান বাজার থেকে তোলা হবে।
কর্মকর্তারা আশা করছেন, প্রণোদনাসহ সরকারের পদক্ষেপে অর্থনীতিতে গতি আসবে এবং চলতি বছরে ৫ শতাংশের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত যাবে। পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অনেক মনে হলেও চীনের জন্য এই হার বেশ কম, কারণ দেশটি বছরের পর বছর দুই অঙ্কের প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে চীনের অর্থমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র খাতের বড় ব্যাংকগুলোর সহায়তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য তিন মাসে বিশেষ বন্ডের মাধ্যমে ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি তোলা হবে। ঋণ করার সীমা বাড়িয়ে স্থানীয় সরকারগুলোর সহায়তায় এই অর্থ ব্যবহার হবে। এর ফলে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো অবকাঠামো নির্মাণে আরও বেশি অর্থ খরচ করতে পারবে। তখন স্থানীয় পর্যায়ে কর্মীদের চাকরি রক্ষা করা যাবে।
অর্থনীতি নিয়ে আস্থাহীনতার কারণে ব্যয় কমিয়ে দিয়েছেন চীনের ভোক্তারা। এর ফলে বাজারে চাহিদা কমে গিয়ে উৎপাদনে প্রভাব পড়েছে। চীনের প্রধান খাত আবাসন চাঙা করতে তাই বাড়ি কেনার ঋণের সুদের হার কমিয়ে নিয়মনীতি শিথিল করাসহ একগুচ্ছ প্রণোদনা ঘোষণা করা হয়েছে। ঝিমিয়ে পড়া অর্থনীতিকে পুরোপুরি চাঙা করতে এসব পদক্ষেপ যথেষ্ট নয় বলে অর্থনীতিবিদেরা বলছেন।
প্রণোদনাসহ সরকারের পদক্ষেপের পর আজ শনিবার চীনের শীর্ষ ব্যাংকগুলো ঋণের সুদের হার কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। সুদের হার কমানোর সিদ্ধান্ত চলতি মাসের ২৫ তারিখ থেকে কার্যকর হবে।
চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম সিসিটিভি চ্যানেল জানিয়েছে, ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড কমার্শিয়াল ব্যাংক অব চায়না, অ্যাগ্রিকালচারাল ব্যাংক অব চায়না, ব্যাংক অব চায়না এবং চায়না কনস্ট্রাকশন ব্যাংকসহ বড় ব্যাংকগুলো ঘোষণা করেছে যে তারা ধাপে ধাপে সুদের হার কমিয়ে আনবে। কয়েকটি বড় শহরে দ্বিতীয় বাড়ির জন্য নেওয়া ঋণ বাদে বাকি সব ঋণের জন্য ব্যাংকগুলো ব্যবস্থা নেবে।
আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে একবছরের জন্য যে ঋণ দেওয়া হয়, তার সুদের হার গত মাসে কমিয়েছে বেইজিং। এছাড়া একটি ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানকে সর্বনিম্ন যে পরিমাণ অর্থ হাতে রাখতে হয়, সেই হারও কমানো হয়েছে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংক চলতি সপ্তাহে বিভিন্ন কোম্পানির জন্য শত শত কোটি ডলারের ব্যবস্থা করেছে, যাতে তারা বাজার থেকে শেয়ার কিনতে পারে।

ঝিমিয়ে পড়া অর্থনীতি চাঙা করার লক্ষ্যে প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এজন্য বিশেষ বন্ড ছেড়ে ২ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ইউয়ানের সমপরিমাণ ৩২৫ দশমিক ৩ বিলিয়ন বা সাড়ে ৩২ হাজার কোটি ডলার সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে দেশটি। তবে প্রণোদনায় মোট অর্থের পরিমাণ কত হবে তা স্পষ্ট করেনি চীন। এজন্য বাজারে আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি থাকলে প্রণোদনার ইতিবাচক প্রভাব ফেলা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।
ঋণগ্রস্ত স্থানীয় সরকারকে সহায়তা; নিম্ন আয়ের মানুষকে ভর্তুকি ও ব্যাংকে মূলধন যোগান এবং দেশের টালমাটাল আবাসন খাতে স্থিতিশীলতা আনতে প্রণোদনার অর্থ ব্যয় করা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে চীন। আজ শনিবার চীনের অর্থমন্ত্রী লান ফো’য়ান সংবাদ সম্মেলনে বন্ড ছাড়ার ঘোষণা দেন।
বার্তা সংস্থা এএফপি বলছে, অর্ধনীতি চাঙা করার লক্ষ্য নিয়ে গত সপ্তাহেও বেশ কিছু পদক্ষেপ সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছিল। এসব পদক্ষেপের মধ্যে ছিল সুদের হার কমানো ও ব্যাংকগুলোর জন্য অতিরিক্ত অর্থের ব্যবস্থা করা।
আবাসন খাতে দীর্ঘমেয়াদী সংকট ও ভোক্তা চাহিদা কমায় চীনের অর্থনীতি ঝিমিয়ে পড়েছে। ঝিমিয়ে পড়া অর্থনীতি চাঙা করতে বিশেষ বন্ড ছেড়ে ৩২ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের সমপরিমাণ ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি ইউয়ান বাজার থেকে তোলা হবে।
কর্মকর্তারা আশা করছেন, প্রণোদনাসহ সরকারের পদক্ষেপে অর্থনীতিতে গতি আসবে এবং চলতি বছরে ৫ শতাংশের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত যাবে। পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অনেক মনে হলেও চীনের জন্য এই হার বেশ কম, কারণ দেশটি বছরের পর বছর দুই অঙ্কের প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে চীনের অর্থমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র খাতের বড় ব্যাংকগুলোর সহায়তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য তিন মাসে বিশেষ বন্ডের মাধ্যমে ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি তোলা হবে। ঋণ করার সীমা বাড়িয়ে স্থানীয় সরকারগুলোর সহায়তায় এই অর্থ ব্যবহার হবে। এর ফলে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো অবকাঠামো নির্মাণে আরও বেশি অর্থ খরচ করতে পারবে। তখন স্থানীয় পর্যায়ে কর্মীদের চাকরি রক্ষা করা যাবে।
অর্থনীতি নিয়ে আস্থাহীনতার কারণে ব্যয় কমিয়ে দিয়েছেন চীনের ভোক্তারা। এর ফলে বাজারে চাহিদা কমে গিয়ে উৎপাদনে প্রভাব পড়েছে। চীনের প্রধান খাত আবাসন চাঙা করতে তাই বাড়ি কেনার ঋণের সুদের হার কমিয়ে নিয়মনীতি শিথিল করাসহ একগুচ্ছ প্রণোদনা ঘোষণা করা হয়েছে। ঝিমিয়ে পড়া অর্থনীতিকে পুরোপুরি চাঙা করতে এসব পদক্ষেপ যথেষ্ট নয় বলে অর্থনীতিবিদেরা বলছেন।
প্রণোদনাসহ সরকারের পদক্ষেপের পর আজ শনিবার চীনের শীর্ষ ব্যাংকগুলো ঋণের সুদের হার কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। সুদের হার কমানোর সিদ্ধান্ত চলতি মাসের ২৫ তারিখ থেকে কার্যকর হবে।
চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম সিসিটিভি চ্যানেল জানিয়েছে, ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড কমার্শিয়াল ব্যাংক অব চায়না, অ্যাগ্রিকালচারাল ব্যাংক অব চায়না, ব্যাংক অব চায়না এবং চায়না কনস্ট্রাকশন ব্যাংকসহ বড় ব্যাংকগুলো ঘোষণা করেছে যে তারা ধাপে ধাপে সুদের হার কমিয়ে আনবে। কয়েকটি বড় শহরে দ্বিতীয় বাড়ির জন্য নেওয়া ঋণ বাদে বাকি সব ঋণের জন্য ব্যাংকগুলো ব্যবস্থা নেবে।
আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে একবছরের জন্য যে ঋণ দেওয়া হয়, তার সুদের হার গত মাসে কমিয়েছে বেইজিং। এছাড়া একটি ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানকে সর্বনিম্ন যে পরিমাণ অর্থ হাতে রাখতে হয়, সেই হারও কমানো হয়েছে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংক চলতি সপ্তাহে বিভিন্ন কোম্পানির জন্য শত শত কোটি ডলারের ব্যবস্থা করেছে, যাতে তারা বাজার থেকে শেয়ার কিনতে পারে।

বন্ড সুবিধা বহাল ও সরকারের সঙ্গে আলোচনা চান দেশের তৈরি পোশাক কারখানা মালিকেরা। ভারত থেকে সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা বাতিলের সুপারিশ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে এই দাবি জানান তাঁরা।
৩২ মিনিট আগে
গত বছর অর্থাৎ, ২০২৫ সালে চীনের অর্থনীতি ৫ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এমনটাই জানিয়েছে চীনের সরকারি পরিসংখ্যান বিভাগ। এতে বেইজিংয়ের নির্ধারিত বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হলেও, এটি গত কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম দুর্বল প্রবৃদ্ধি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। খবর আল জাজিরার।
৪ ঘণ্টা আগে
১০ থেকে ৩০ কাউন্টের সুতা আমদানিতে শুল্কমুক্ত বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের উদ্যোগ ঘিরে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়েছে দেশের দুই শীর্ষ খাত—বস্ত্রকল ও রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকেরা। দেশীয় সুতাশিল্প সুরক্ষার যুক্তিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ সুবিধা তুলে নেওয়ার পথে হাঁটলেও, তৈরি পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা...
১২ ঘণ্টা আগে
২০২৫-২৬ অর্থবছরের অর্ধেক সময় পেরিয়ে গেলেও সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে কার্যত স্থবিরতা কাটেনি। পরিকল্পনা কমিশনের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়ন সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এস
১২ ঘণ্টা আগে