নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পর প্রথম কর্মদিবসে গতকাল রোববার দেশের পুঁজিবাজারে বড় দরপতন হয়েছে। প্রধান বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অন্য বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সবকটি মূল্যসূচকের বড় পতন হয়েছে। ডিএসইতে লেনদেন কমে ৩০০ কোটি টাকার ঘরে নেমেছে।
পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রস্তাবিত বাজেটে বাজারের জন্য কোনো সুখবর নেই; বরং নেতিবাচক কিছু ঘোষণা এসেছে। ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের ৫০ লাখ টাকার ওপর মূলধনি মুনাফা বা ক্যাপিটাল গেইনে করারোপ করা হয়েছে। অতালিকাভুক্ত কোম্পানির করপোরেট কর কমানো হয়েছে। এসবের প্রভাবে বাজেটের পর পুঁজিবাজারে বড় দরপতন হয়েছে।
এ বিষয়ে ডিএসইর এক সদস্য বলেন, ডিএসই ও পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে ক্যাপিটাল গেইনে করারোপ না করার দাবি জানানো হয়েছিল। সেই দাবি বাজেটে উপেক্ষিত হয়েছে। ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে ৫০ লাখ টাকার ওপরে ক্যাপিটাল গেইনে ১৫ শতাংশ কর দিতে হবে। ওই পরিমাণ মুনাফা করতে পারা বিনিয়োগকারীর সংখ্যা কম, কিন্তু তাঁরা বাজারে বড় ধরনের প্রভাব রাখেন। তাঁরা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়লে লেনদেনের গতি কমে, দরপতন হয়। এখন হয়তো সেটিই হচ্ছে।
এদিন ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৩৩টির, কমেছে ৩৪০টির এবং আগের দিনের দরে লেনদেন হয়েছে ১৯টির। এর প্রভাবে প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৬৫ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ১৭১ পয়েন্টে নেমে গেছে।
দিনভর বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৩৫৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা, যা আগের কর্মদিবসে ছিল ৫৪২ কোটি ৬০ লাখ টাকা। সে হিসাবে লেনদেন কমেছে ১৮৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অন্যদিকে সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই কমেছে ১০৬ পয়েন্ট।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পর প্রথম কর্মদিবসে গতকাল রোববার দেশের পুঁজিবাজারে বড় দরপতন হয়েছে। প্রধান বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অন্য বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সবকটি মূল্যসূচকের বড় পতন হয়েছে। ডিএসইতে লেনদেন কমে ৩০০ কোটি টাকার ঘরে নেমেছে।
পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রস্তাবিত বাজেটে বাজারের জন্য কোনো সুখবর নেই; বরং নেতিবাচক কিছু ঘোষণা এসেছে। ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের ৫০ লাখ টাকার ওপর মূলধনি মুনাফা বা ক্যাপিটাল গেইনে করারোপ করা হয়েছে। অতালিকাভুক্ত কোম্পানির করপোরেট কর কমানো হয়েছে। এসবের প্রভাবে বাজেটের পর পুঁজিবাজারে বড় দরপতন হয়েছে।
এ বিষয়ে ডিএসইর এক সদস্য বলেন, ডিএসই ও পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে ক্যাপিটাল গেইনে করারোপ না করার দাবি জানানো হয়েছিল। সেই দাবি বাজেটে উপেক্ষিত হয়েছে। ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে ৫০ লাখ টাকার ওপরে ক্যাপিটাল গেইনে ১৫ শতাংশ কর দিতে হবে। ওই পরিমাণ মুনাফা করতে পারা বিনিয়োগকারীর সংখ্যা কম, কিন্তু তাঁরা বাজারে বড় ধরনের প্রভাব রাখেন। তাঁরা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়লে লেনদেনের গতি কমে, দরপতন হয়। এখন হয়তো সেটিই হচ্ছে।
এদিন ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৩৩টির, কমেছে ৩৪০টির এবং আগের দিনের দরে লেনদেন হয়েছে ১৯টির। এর প্রভাবে প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৬৫ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ১৭১ পয়েন্টে নেমে গেছে।
দিনভর বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৩৫৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা, যা আগের কর্মদিবসে ছিল ৫৪২ কোটি ৬০ লাখ টাকা। সে হিসাবে লেনদেন কমেছে ১৮৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অন্যদিকে সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই কমেছে ১০৬ পয়েন্ট।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পর প্রথম কর্মদিবসে গতকাল রোববার দেশের পুঁজিবাজারে বড় দরপতন হয়েছে। প্রধান বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অন্য বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সবকটি মূল্যসূচকের বড় পতন হয়েছে। ডিএসইতে লেনদেন কমে ৩০০ কোটি টাকার ঘরে নেমেছে।
পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রস্তাবিত বাজেটে বাজারের জন্য কোনো সুখবর নেই; বরং নেতিবাচক কিছু ঘোষণা এসেছে। ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের ৫০ লাখ টাকার ওপর মূলধনি মুনাফা বা ক্যাপিটাল গেইনে করারোপ করা হয়েছে। অতালিকাভুক্ত কোম্পানির করপোরেট কর কমানো হয়েছে। এসবের প্রভাবে বাজেটের পর পুঁজিবাজারে বড় দরপতন হয়েছে।
এ বিষয়ে ডিএসইর এক সদস্য বলেন, ডিএসই ও পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে ক্যাপিটাল গেইনে করারোপ না করার দাবি জানানো হয়েছিল। সেই দাবি বাজেটে উপেক্ষিত হয়েছে। ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে ৫০ লাখ টাকার ওপরে ক্যাপিটাল গেইনে ১৫ শতাংশ কর দিতে হবে। ওই পরিমাণ মুনাফা করতে পারা বিনিয়োগকারীর সংখ্যা কম, কিন্তু তাঁরা বাজারে বড় ধরনের প্রভাব রাখেন। তাঁরা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়লে লেনদেনের গতি কমে, দরপতন হয়। এখন হয়তো সেটিই হচ্ছে।
এদিন ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৩৩টির, কমেছে ৩৪০টির এবং আগের দিনের দরে লেনদেন হয়েছে ১৯টির। এর প্রভাবে প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৬৫ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ১৭১ পয়েন্টে নেমে গেছে।
দিনভর বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৩৫৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা, যা আগের কর্মদিবসে ছিল ৫৪২ কোটি ৬০ লাখ টাকা। সে হিসাবে লেনদেন কমেছে ১৮৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অন্যদিকে সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই কমেছে ১০৬ পয়েন্ট।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পর প্রথম কর্মদিবসে গতকাল রোববার দেশের পুঁজিবাজারে বড় দরপতন হয়েছে। প্রধান বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অন্য বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সবকটি মূল্যসূচকের বড় পতন হয়েছে। ডিএসইতে লেনদেন কমে ৩০০ কোটি টাকার ঘরে নেমেছে।
পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রস্তাবিত বাজেটে বাজারের জন্য কোনো সুখবর নেই; বরং নেতিবাচক কিছু ঘোষণা এসেছে। ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের ৫০ লাখ টাকার ওপর মূলধনি মুনাফা বা ক্যাপিটাল গেইনে করারোপ করা হয়েছে। অতালিকাভুক্ত কোম্পানির করপোরেট কর কমানো হয়েছে। এসবের প্রভাবে বাজেটের পর পুঁজিবাজারে বড় দরপতন হয়েছে।
এ বিষয়ে ডিএসইর এক সদস্য বলেন, ডিএসই ও পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে ক্যাপিটাল গেইনে করারোপ না করার দাবি জানানো হয়েছিল। সেই দাবি বাজেটে উপেক্ষিত হয়েছে। ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে ৫০ লাখ টাকার ওপরে ক্যাপিটাল গেইনে ১৫ শতাংশ কর দিতে হবে। ওই পরিমাণ মুনাফা করতে পারা বিনিয়োগকারীর সংখ্যা কম, কিন্তু তাঁরা বাজারে বড় ধরনের প্রভাব রাখেন। তাঁরা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়লে লেনদেনের গতি কমে, দরপতন হয়। এখন হয়তো সেটিই হচ্ছে।
এদিন ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৩৩টির, কমেছে ৩৪০টির এবং আগের দিনের দরে লেনদেন হয়েছে ১৯টির। এর প্রভাবে প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৬৫ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ১৭১ পয়েন্টে নেমে গেছে।
দিনভর বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৩৫৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা, যা আগের কর্মদিবসে ছিল ৫৪২ কোটি ৬০ লাখ টাকা। সে হিসাবে লেনদেন কমেছে ১৮৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অন্যদিকে সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই কমেছে ১০৬ পয়েন্ট।

উদ্বোধনী বক্তব্যে উপদেষ্টা বলেন, পানগাঁও টার্মিনালকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হলে অভ্যন্তরীণ নৌপথে কনটেইনার পরিবহন বাড়বে এবং দেশের বন্দর ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। দীর্ঘদিন লোকসানে থাকা এই টার্মিনালকে দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে লাভজনক করাই সরকারের লক্ষ্য।
৪ ঘণ্টা আগে
ভারতের এই সিদ্ধান্ত দেশটির গণমাধ্যমে খুব একটা আলোচিত হয়নি। তবে অনেকের মতে, এটি ট্রাম্প প্রশাসনের আগের আরোপ করা ৫০ শতাংশ (শাস্তিমূলক) শুল্কের নীরব জবাব। এই পরিস্থিতি দুই দেশের মধ্যে চলমান বাণিজ্য আলোচনাকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে।
৫ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরবের খনি শিল্পে এক ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী সাফল্যের ঘোষণা দিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় খনি কোম্পানি ‘মাআদেন’। দেশের চারটি কৌশলগত স্থানে নতুন করে প্রায় ৭৮ লাখ আউন্স (২ লাখ ২১ হাজার কেজির বেশি) স্বর্ণের মজুত খুঁজে পাওয়া গেছে।
৯ ঘণ্টা আগে
‘আমরা বিশ্বকে সেভাবেই গ্রহণ করি, যেভাবে বর্তমানে আছে; আমাদের ইচ্ছেমতো বদলে নিয়ে নয়।’ —কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির এই একটি বাক্যই এখন দেশটির নতুন পররাষ্ট্রনীতির মূলমন্ত্র। গত শুক্রবার বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পাদিত ঐতিহাসিক বাণিজ্য...
৯ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঢাকার পশ্চিম কেরানীগঞ্জে পানগাঁও অভ্যন্তরীণ কনটেইনার টার্মিনালের কার্যক্রম নতুন করে শুরু হয়েছে। এখন থেকে টার্মিনালটি পরিচালনা করবে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান মেডলগ বাংলাদেশ প্রাইভেট লিমিটেড।
আজ শনিবার টার্মিনাল প্রাঙ্গণে এর উদ্বোধন করেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে উপদেষ্টা বলেন, পানগাঁও টার্মিনালকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হলে অভ্যন্তরীণ নৌপথে কনটেইনার পরিবহন বাড়বে এবং দেশের বন্দর ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। দীর্ঘদিন লোকসানে থাকা এই টার্মিনালকে দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে লাভজনক করাই সরকারের লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরী বলেন, ২২ বছরের চুক্তির মাধ্যমে টার্মিনালের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং এতে জাতীয় অর্থনীতি উপকৃত হবে।
প্রায় ১৫৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই টার্মিনাল দীর্ঘদিন ধরে লোকসানে থাকায় বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। গত নভেম্বরে চুক্তির মাধ্যমে টার্মিনালটির পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নের দায়িত্ব পায় মেডলগ বাংলাদেশ।

ঢাকার পশ্চিম কেরানীগঞ্জে পানগাঁও অভ্যন্তরীণ কনটেইনার টার্মিনালের কার্যক্রম নতুন করে শুরু হয়েছে। এখন থেকে টার্মিনালটি পরিচালনা করবে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান মেডলগ বাংলাদেশ প্রাইভেট লিমিটেড।
আজ শনিবার টার্মিনাল প্রাঙ্গণে এর উদ্বোধন করেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে উপদেষ্টা বলেন, পানগাঁও টার্মিনালকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হলে অভ্যন্তরীণ নৌপথে কনটেইনার পরিবহন বাড়বে এবং দেশের বন্দর ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। দীর্ঘদিন লোকসানে থাকা এই টার্মিনালকে দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে লাভজনক করাই সরকারের লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরী বলেন, ২২ বছরের চুক্তির মাধ্যমে টার্মিনালের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং এতে জাতীয় অর্থনীতি উপকৃত হবে।
প্রায় ১৫৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই টার্মিনাল দীর্ঘদিন ধরে লোকসানে থাকায় বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। গত নভেম্বরে চুক্তির মাধ্যমে টার্মিনালটির পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নের দায়িত্ব পায় মেডলগ বাংলাদেশ।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পর প্রথম কর্মদিবসে গতকাল রোববার দেশের পুঁজিবাজারে বড় দরপতন হয়েছে। প্রধান বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অন্য বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সবকটি মূল্যসূচকের বড় পতন হয়েছে। ডিএসইতে লেনদেন কমে ৩০০ কোটি টাকার ঘরে নেমেছে।
১০ জুন ২০২৪
ভারতের এই সিদ্ধান্ত দেশটির গণমাধ্যমে খুব একটা আলোচিত হয়নি। তবে অনেকের মতে, এটি ট্রাম্প প্রশাসনের আগের আরোপ করা ৫০ শতাংশ (শাস্তিমূলক) শুল্কের নীরব জবাব। এই পরিস্থিতি দুই দেশের মধ্যে চলমান বাণিজ্য আলোচনাকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে।
৫ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরবের খনি শিল্পে এক ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী সাফল্যের ঘোষণা দিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় খনি কোম্পানি ‘মাআদেন’। দেশের চারটি কৌশলগত স্থানে নতুন করে প্রায় ৭৮ লাখ আউন্স (২ লাখ ২১ হাজার কেজির বেশি) স্বর্ণের মজুত খুঁজে পাওয়া গেছে।
৯ ঘণ্টা আগে
‘আমরা বিশ্বকে সেভাবেই গ্রহণ করি, যেভাবে বর্তমানে আছে; আমাদের ইচ্ছেমতো বদলে নিয়ে নয়।’ —কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির এই একটি বাক্যই এখন দেশটির নতুন পররাষ্ট্রনীতির মূলমন্ত্র। গত শুক্রবার বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পাদিত ঐতিহাসিক বাণিজ্য...
৯ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা যুক্তরাষ্ট্র-ভারত বাণিজ্য চুক্তি নতুন করে জটিলতার মুখে পড়তে পারে। এবার বিতর্কের কেন্দ্রে এসেছে ডাল বা ডালজাতীয় শস্য। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের দুই সিনেটর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে চিঠি দিয়ে তাঁদের ডালের ওপর ভারতের আরোপিত ৩০ শতাংশ আমদানি শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের ভাষায়, এই শুল্ক অন্যায্য।
ইন্ডিয়া টুডে, ইকোনমিক টাইমসসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদে বলা হয়েছে, ভারতের এই সিদ্ধান্ত দেশটির গণমাধ্যমে খুব একটা আলোচিত হয়নি। তবে অনেকের মতে, এটি ট্রাম্প প্রশাসনের আগের আরোপ করা ৫০ শতাংশ (শাস্তিমূলক) শুল্কের নীরব জবাব। এই পরিস্থিতি দুই দেশের মধ্যে চলমান বাণিজ্য আলোচনাকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে।
কী বলছেন মার্কিন সিনেটররা
নর্থ ডাকোটার রিপাবলিকান সিনেটর কেভিন ক্রেমার এবং মনটানার সিনেটর স্টিভ ডেইনস তাঁদের চিঠিতে উল্লেখ করেন, ভারত গত বছরের ৩০ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা হলুদ মটরের ওপর ৩০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেয়, যা কার্যকর হয় ১ নভেম্বর থেকে।
চিঠিতে বলা হয়, এই অন্যায্য ভারতীয় শুল্কের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের ডাল উৎপাদকেরা ভারতের বাজারে রপ্তানিতে বড় ধরনের অসুবিধার (প্রতিযোগিতামূলক) মুখে পড়েছেন।এই চিঠি লেখা হয় চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি।
ভারতের এই সিদ্ধান্ত সরকারিভাবে খুব বেশি প্রচার করা হয়নি। ফলে অনেকটাই নজরের বাইরে ছিল বিষয়টি। ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষক নবরূপ সিং এক্সে লেখেন, ‘এর মানে দাঁড়ায়, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপের জবাবে ভারত অক্টোবরে নীরবে ডালে শুল্ক বাড়িয়েছে।’ তাঁর পোস্টে একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন, ‘হ্যাঁ, আমরা নীরবে প্রতিশোধ নিয়েছি।’
কেন বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ
যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ডাকোটা ও মনটানা অঙ্গরাজ্য ডাল ও মটর উৎপাদনে শীর্ষে। অন্যদিকে, ভারত বিশ্বের সবচেয়ে বড় ডাল ভোক্তা দেশ—বিশ্বব্যাপী মোট ডালের প্রায় ২৭ শতাংশই খাওয়া হয় ভারতে।
সিনেটররা চিঠিতে বলেন, ভারতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ডালের মধ্যে রয়েছে মসুর, ছোলা, শুকনা শিম ও মটর। অথচ যুক্তরাষ্ট্রের এসব পণ্যের ওপরই উচ্চ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।
চিঠিতে সিনেটররা স্মরণ করিয়ে দেন, ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদেও তাঁরা একই ইস্যুতে চিঠি দিয়েছিলেন। ২০২০ সালে সেই চিঠি নাকি ট্রাম্প নিজ হাতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দিয়েছিলেন বাণিজ্য আলোচনার সময়। তখন ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক বেশ উষ্ণ ছিল। ওই বছর ট্রাম্প ভারত সফরে এসে আহমেদাবাদে ‘নমস্তে ট্রাম্প’ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
ভারতীয় বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঘটনা ট্রাম্প প্রশাসনের লেনদেনভিত্তিক (ট্রানজেকশনাল) বাণিজ্যনীতির প্রতিফলন, যেখানে ভারতের অভ্যন্তরীণ বাস্তবতা উপেক্ষিত হচ্ছে।
বাণিজ্য চুক্তির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র চেয়েছিল ভারতের দুগ্ধ ও কৃষি বাজার মার্কিন পণ্যের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হোক। বিশেষ করে, ভুট্টা, সয়া ও আপেলের ওপর শুল্ক কমাতে চেয়েছিল ওয়াশিংটন। কিন্তু ভারতের প্রায় ৭০ কোটি মানুষের জীবিকা এই খাতের সঙ্গে যুক্ত থাকায় দিল্লি কোনোভাবেই কৃষকদের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে চুক্তিতে সই করতে রাজি হয়নি।
সংশ্লিষ্ট একজন বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘ভারতীয় কৃষকই রেড লাইন। দেশের কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হলে কোনো বাণিজ্য চুক্তিই হবে না।’
গত বছর ব্লুমবার্গ এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছিল, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে খাদ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভারত কিছু ডালের ওপর আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করেছিল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র সেই সুবিধা হারিয়েছে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। তাঁদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসন ভারতের কৌশলটি বুঝতেই পারেনি—আর সেই ফাঁকেই নীরবে অবস্থান শক্ত করেছে নয়াদিল্লি।

দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা যুক্তরাষ্ট্র-ভারত বাণিজ্য চুক্তি নতুন করে জটিলতার মুখে পড়তে পারে। এবার বিতর্কের কেন্দ্রে এসেছে ডাল বা ডালজাতীয় শস্য। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের দুই সিনেটর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে চিঠি দিয়ে তাঁদের ডালের ওপর ভারতের আরোপিত ৩০ শতাংশ আমদানি শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের ভাষায়, এই শুল্ক অন্যায্য।
ইন্ডিয়া টুডে, ইকোনমিক টাইমসসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদে বলা হয়েছে, ভারতের এই সিদ্ধান্ত দেশটির গণমাধ্যমে খুব একটা আলোচিত হয়নি। তবে অনেকের মতে, এটি ট্রাম্প প্রশাসনের আগের আরোপ করা ৫০ শতাংশ (শাস্তিমূলক) শুল্কের নীরব জবাব। এই পরিস্থিতি দুই দেশের মধ্যে চলমান বাণিজ্য আলোচনাকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে।
কী বলছেন মার্কিন সিনেটররা
নর্থ ডাকোটার রিপাবলিকান সিনেটর কেভিন ক্রেমার এবং মনটানার সিনেটর স্টিভ ডেইনস তাঁদের চিঠিতে উল্লেখ করেন, ভারত গত বছরের ৩০ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা হলুদ মটরের ওপর ৩০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেয়, যা কার্যকর হয় ১ নভেম্বর থেকে।
চিঠিতে বলা হয়, এই অন্যায্য ভারতীয় শুল্কের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের ডাল উৎপাদকেরা ভারতের বাজারে রপ্তানিতে বড় ধরনের অসুবিধার (প্রতিযোগিতামূলক) মুখে পড়েছেন।এই চিঠি লেখা হয় চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি।
ভারতের এই সিদ্ধান্ত সরকারিভাবে খুব বেশি প্রচার করা হয়নি। ফলে অনেকটাই নজরের বাইরে ছিল বিষয়টি। ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষক নবরূপ সিং এক্সে লেখেন, ‘এর মানে দাঁড়ায়, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপের জবাবে ভারত অক্টোবরে নীরবে ডালে শুল্ক বাড়িয়েছে।’ তাঁর পোস্টে একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন, ‘হ্যাঁ, আমরা নীরবে প্রতিশোধ নিয়েছি।’
কেন বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ
যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ডাকোটা ও মনটানা অঙ্গরাজ্য ডাল ও মটর উৎপাদনে শীর্ষে। অন্যদিকে, ভারত বিশ্বের সবচেয়ে বড় ডাল ভোক্তা দেশ—বিশ্বব্যাপী মোট ডালের প্রায় ২৭ শতাংশই খাওয়া হয় ভারতে।
সিনেটররা চিঠিতে বলেন, ভারতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ডালের মধ্যে রয়েছে মসুর, ছোলা, শুকনা শিম ও মটর। অথচ যুক্তরাষ্ট্রের এসব পণ্যের ওপরই উচ্চ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।
চিঠিতে সিনেটররা স্মরণ করিয়ে দেন, ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদেও তাঁরা একই ইস্যুতে চিঠি দিয়েছিলেন। ২০২০ সালে সেই চিঠি নাকি ট্রাম্প নিজ হাতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দিয়েছিলেন বাণিজ্য আলোচনার সময়। তখন ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক বেশ উষ্ণ ছিল। ওই বছর ট্রাম্প ভারত সফরে এসে আহমেদাবাদে ‘নমস্তে ট্রাম্প’ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
ভারতীয় বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঘটনা ট্রাম্প প্রশাসনের লেনদেনভিত্তিক (ট্রানজেকশনাল) বাণিজ্যনীতির প্রতিফলন, যেখানে ভারতের অভ্যন্তরীণ বাস্তবতা উপেক্ষিত হচ্ছে।
বাণিজ্য চুক্তির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র চেয়েছিল ভারতের দুগ্ধ ও কৃষি বাজার মার্কিন পণ্যের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হোক। বিশেষ করে, ভুট্টা, সয়া ও আপেলের ওপর শুল্ক কমাতে চেয়েছিল ওয়াশিংটন। কিন্তু ভারতের প্রায় ৭০ কোটি মানুষের জীবিকা এই খাতের সঙ্গে যুক্ত থাকায় দিল্লি কোনোভাবেই কৃষকদের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে চুক্তিতে সই করতে রাজি হয়নি।
সংশ্লিষ্ট একজন বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘ভারতীয় কৃষকই রেড লাইন। দেশের কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হলে কোনো বাণিজ্য চুক্তিই হবে না।’
গত বছর ব্লুমবার্গ এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছিল, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে খাদ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভারত কিছু ডালের ওপর আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করেছিল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র সেই সুবিধা হারিয়েছে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। তাঁদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসন ভারতের কৌশলটি বুঝতেই পারেনি—আর সেই ফাঁকেই নীরবে অবস্থান শক্ত করেছে নয়াদিল্লি।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পর প্রথম কর্মদিবসে গতকাল রোববার দেশের পুঁজিবাজারে বড় দরপতন হয়েছে। প্রধান বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অন্য বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সবকটি মূল্যসূচকের বড় পতন হয়েছে। ডিএসইতে লেনদেন কমে ৩০০ কোটি টাকার ঘরে নেমেছে।
১০ জুন ২০২৪
উদ্বোধনী বক্তব্যে উপদেষ্টা বলেন, পানগাঁও টার্মিনালকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হলে অভ্যন্তরীণ নৌপথে কনটেইনার পরিবহন বাড়বে এবং দেশের বন্দর ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। দীর্ঘদিন লোকসানে থাকা এই টার্মিনালকে দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে লাভজনক করাই সরকারের লক্ষ্য।
৪ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরবের খনি শিল্পে এক ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী সাফল্যের ঘোষণা দিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় খনি কোম্পানি ‘মাআদেন’। দেশের চারটি কৌশলগত স্থানে নতুন করে প্রায় ৭৮ লাখ আউন্স (২ লাখ ২১ হাজার কেজির বেশি) স্বর্ণের মজুত খুঁজে পাওয়া গেছে।
৯ ঘণ্টা আগে
‘আমরা বিশ্বকে সেভাবেই গ্রহণ করি, যেভাবে বর্তমানে আছে; আমাদের ইচ্ছেমতো বদলে নিয়ে নয়।’ —কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির এই একটি বাক্যই এখন দেশটির নতুন পররাষ্ট্রনীতির মূলমন্ত্র। গত শুক্রবার বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পাদিত ঐতিহাসিক বাণিজ্য...
৯ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

সৌদি আরবের খনি শিল্পে এক ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী সাফল্যের ঘোষণা দিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় খনি কোম্পানি ‘মাআদেন’। দেশের চারটি কৌশলগত স্থানে নতুন করে প্রায় ৭৮ লাখ আউন্স (২ লাখ ২১ হাজার কেজির বেশি) স্বর্ণের মজুত খুঁজে পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছে কোম্পানিটি। এই বিশাল আবিষ্কার সৌদি আরবের খনিজ সম্পদ আহরণ এবং বিশ্বমানের একটি ‘গোল্ড ফ্র্যাঞ্চাইজি’ গড়ার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যকে বহুগুণ ত্বরান্বিত করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
মাআদেনের ভূতাত্ত্বিক জরিপ ও ড্রিলিং কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে ৯০ লাখ আউন্সের বেশি স্বর্ণের অস্তিত্ব শনাক্ত করা হয়েছিল। পরে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও বার্ষিক রিপোর্টিং ফ্যাক্টরের সঙ্গে সমন্বয় করার পর নিট ৭৮ লাখ আউন্স স্বর্ণের মজুত চূড়ান্ত করা হয়েছে। এই বিপুল মজুত মূলত চারটি প্রধান অঞ্চলে ছড়িয়ে রয়েছে:
মানসুরা মাসারাহ : এটি বর্তমানে মাআদেনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্বর্ণ প্রকল্প। গত এক বছরে এখানে এককভাবে ৩০ লাখ আউন্স স্বর্ণের মজুত বেড়েছে।
ওয়াদি আল জাও : এটি একটি সম্পূর্ণ নতুন আবিষ্কৃত অঞ্চল। প্রথম পর্যায়ের ড্রিলিংয়েই এখানে ৩০ দশমিক ৮ লাখ আউন্স স্বর্ণের সন্ধান মিলেছে। এই আবিষ্কারে ভূতাত্ত্বিকেরাও অবাক হয়েছেন।
উরুক ২০/২১ ও উম্ম আস সালাম: আরবের মধ্যাঞ্চলের খনিগুলো থেকে যৌথভাবে ১৬ দশমিক ৭ লাখ আউন্স স্বর্ণের মজুত নিশ্চিত করা হয়েছে।
২০২৫ সালে সোনার দামে এক অভূতপূর্ব ঐতিহাসিক উত্থান দেখা গেছে। মূল্যবান ধাতুটির মূল্যের বার্ষিক বৃদ্ধি ৬৪ শতাংশের বেশি ছিল। ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং বিনিয়োগ তহবিল থেকে চাহিদা উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির কারণে এই উত্থান ঘটেছে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদেরা। রেকর্ড অনুসারে, ২০২৫ সালে প্রতি আউন্স সোনার গড় দাম ৩ হাজার ৪০০ ডলার থেকে ৩ হাজার ৫০০ ডলারের মধ্যে ছিল। এর মধ্যে ডিসেম্বরে সোনার দাম সর্বকালের সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছিল— প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫০০ ডলার।
মাআদেনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) বব উইল্ট এই সাফল্যকে কোম্পানির বৈশ্বিক অগ্রযাত্রার মাইলফলক হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন, ‘এই ফলাফল কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং এটি আমাদের দীর্ঘমেয়াদি ড্রিলিং এবং বিনিয়োগ কৌশলের বাস্তব প্রতিফলন। আমরা সৌদি আরবের ভূগর্ভস্থ সম্পদকে উন্মোচন করতে যে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করেছি, এটি তারই ফল।’
উইল্ট আরও জানান, এই ক্রমবর্ধমান মজুত সরাসরি কোম্পানির ভবিষ্যৎ নগদ অর্থ প্রবাহ বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। এর ফলে মাআদেন কেবল আঞ্চলিক নয়, বরং বিশ্ববাজারের অন্যতম শীর্ষ খনিজ সরবরাহকারী হিসেবে নিজের অবস্থান শক্তিশালী করবে।
সৌদি আরবের ‘অ্যারাবিয়ান শিল্ড’ অঞ্চলটি খনিজ সম্পদে কতটা সমৃদ্ধ, তা এই আবিষ্কারের মাধ্যমে পুনরায় প্রমাণিত হলো। মাআদেনের অনুসন্ধানী দল কেবল স্বর্ণ নয়, বরং তামা ও নিকেলের মতো আধুনিক শিল্পের জন্য অপরিহার্য ধাতুরও ব্যাপক উপস্থিতি পেয়েছে। শায়বান এবং জাবাল আল ওয়াকিলে তামা ও নিকেলের প্রাথমিক ড্রিলিং ফলাফল অত্যন্ত ইতিবাচক।
মাআদেনের লক্ষ্য হলো স্বর্ণের পাশাপাশি একটি শক্তিশালী ‘মাল্টি-কমোডিটি’ পোর্টফোলিও তৈরি করা। সৌদি আরবকে বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে মোহাম্মদ বিন সালমানের প্রশাসন।
মাআদেনের ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প ‘মানসুরা মাসারাহ’ এখন এক বিশাল খনিজ ভান্ডারে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে এখানে মোট মজুত ১০ দশমিক ৪ মিলিয়ন আউন্স স্বর্ণ। আকরিকের মানও বেশ ভালো: প্রতি টন আকরিকের বিপরীতে গড়ে ২ দশমিক ৮ গ্রাম স্বর্ণ পাওয়া যাচ্ছে।
ভূতাত্ত্বিকেরা জানিয়েছেন, খনিজ স্তরটি ভূগর্ভের অনেক গভীর পর্যন্ত বিস্তৃত এবং এখনো প্রকৃত গভীরতা নির্ণয় করা যায়নি। অর্থাৎ ২০২৬ সালজুড়ে চলমান ড্রিলিংয়ে এই মজুত আরও বাড়তে পারে।
সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ভিশন ২০৩০-এর একটি অন্যতম স্তম্ভ হলো খনি শিল্প। তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে খনিজ সম্পদকে আয়ের তৃতীয় প্রধান উৎস হিসেবে গড়ে তোলাই এর লক্ষ্য। মাআদেনের এই স্বর্ণ আবিষ্কার কেবল একটি কোম্পানির সাফল্য নয়, বরং এটি সৌদি আরবের জাতীয় অর্থনীতিকে বহুমুখীকরণের পথে কয়েক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেল।
তথ্যসূত্র: গালফ নিউজ, আরব নিউজ

সৌদি আরবের খনি শিল্পে এক ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী সাফল্যের ঘোষণা দিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় খনি কোম্পানি ‘মাআদেন’। দেশের চারটি কৌশলগত স্থানে নতুন করে প্রায় ৭৮ লাখ আউন্স (২ লাখ ২১ হাজার কেজির বেশি) স্বর্ণের মজুত খুঁজে পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছে কোম্পানিটি। এই বিশাল আবিষ্কার সৌদি আরবের খনিজ সম্পদ আহরণ এবং বিশ্বমানের একটি ‘গোল্ড ফ্র্যাঞ্চাইজি’ গড়ার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যকে বহুগুণ ত্বরান্বিত করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
মাআদেনের ভূতাত্ত্বিক জরিপ ও ড্রিলিং কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে ৯০ লাখ আউন্সের বেশি স্বর্ণের অস্তিত্ব শনাক্ত করা হয়েছিল। পরে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও বার্ষিক রিপোর্টিং ফ্যাক্টরের সঙ্গে সমন্বয় করার পর নিট ৭৮ লাখ আউন্স স্বর্ণের মজুত চূড়ান্ত করা হয়েছে। এই বিপুল মজুত মূলত চারটি প্রধান অঞ্চলে ছড়িয়ে রয়েছে:
মানসুরা মাসারাহ : এটি বর্তমানে মাআদেনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্বর্ণ প্রকল্প। গত এক বছরে এখানে এককভাবে ৩০ লাখ আউন্স স্বর্ণের মজুত বেড়েছে।
ওয়াদি আল জাও : এটি একটি সম্পূর্ণ নতুন আবিষ্কৃত অঞ্চল। প্রথম পর্যায়ের ড্রিলিংয়েই এখানে ৩০ দশমিক ৮ লাখ আউন্স স্বর্ণের সন্ধান মিলেছে। এই আবিষ্কারে ভূতাত্ত্বিকেরাও অবাক হয়েছেন।
উরুক ২০/২১ ও উম্ম আস সালাম: আরবের মধ্যাঞ্চলের খনিগুলো থেকে যৌথভাবে ১৬ দশমিক ৭ লাখ আউন্স স্বর্ণের মজুত নিশ্চিত করা হয়েছে।
২০২৫ সালে সোনার দামে এক অভূতপূর্ব ঐতিহাসিক উত্থান দেখা গেছে। মূল্যবান ধাতুটির মূল্যের বার্ষিক বৃদ্ধি ৬৪ শতাংশের বেশি ছিল। ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং বিনিয়োগ তহবিল থেকে চাহিদা উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির কারণে এই উত্থান ঘটেছে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদেরা। রেকর্ড অনুসারে, ২০২৫ সালে প্রতি আউন্স সোনার গড় দাম ৩ হাজার ৪০০ ডলার থেকে ৩ হাজার ৫০০ ডলারের মধ্যে ছিল। এর মধ্যে ডিসেম্বরে সোনার দাম সর্বকালের সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছিল— প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫০০ ডলার।
মাআদেনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) বব উইল্ট এই সাফল্যকে কোম্পানির বৈশ্বিক অগ্রযাত্রার মাইলফলক হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন, ‘এই ফলাফল কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং এটি আমাদের দীর্ঘমেয়াদি ড্রিলিং এবং বিনিয়োগ কৌশলের বাস্তব প্রতিফলন। আমরা সৌদি আরবের ভূগর্ভস্থ সম্পদকে উন্মোচন করতে যে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করেছি, এটি তারই ফল।’
উইল্ট আরও জানান, এই ক্রমবর্ধমান মজুত সরাসরি কোম্পানির ভবিষ্যৎ নগদ অর্থ প্রবাহ বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। এর ফলে মাআদেন কেবল আঞ্চলিক নয়, বরং বিশ্ববাজারের অন্যতম শীর্ষ খনিজ সরবরাহকারী হিসেবে নিজের অবস্থান শক্তিশালী করবে।
সৌদি আরবের ‘অ্যারাবিয়ান শিল্ড’ অঞ্চলটি খনিজ সম্পদে কতটা সমৃদ্ধ, তা এই আবিষ্কারের মাধ্যমে পুনরায় প্রমাণিত হলো। মাআদেনের অনুসন্ধানী দল কেবল স্বর্ণ নয়, বরং তামা ও নিকেলের মতো আধুনিক শিল্পের জন্য অপরিহার্য ধাতুরও ব্যাপক উপস্থিতি পেয়েছে। শায়বান এবং জাবাল আল ওয়াকিলে তামা ও নিকেলের প্রাথমিক ড্রিলিং ফলাফল অত্যন্ত ইতিবাচক।
মাআদেনের লক্ষ্য হলো স্বর্ণের পাশাপাশি একটি শক্তিশালী ‘মাল্টি-কমোডিটি’ পোর্টফোলিও তৈরি করা। সৌদি আরবকে বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে মোহাম্মদ বিন সালমানের প্রশাসন।
মাআদেনের ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প ‘মানসুরা মাসারাহ’ এখন এক বিশাল খনিজ ভান্ডারে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে এখানে মোট মজুত ১০ দশমিক ৪ মিলিয়ন আউন্স স্বর্ণ। আকরিকের মানও বেশ ভালো: প্রতি টন আকরিকের বিপরীতে গড়ে ২ দশমিক ৮ গ্রাম স্বর্ণ পাওয়া যাচ্ছে।
ভূতাত্ত্বিকেরা জানিয়েছেন, খনিজ স্তরটি ভূগর্ভের অনেক গভীর পর্যন্ত বিস্তৃত এবং এখনো প্রকৃত গভীরতা নির্ণয় করা যায়নি। অর্থাৎ ২০২৬ সালজুড়ে চলমান ড্রিলিংয়ে এই মজুত আরও বাড়তে পারে।
সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ভিশন ২০৩০-এর একটি অন্যতম স্তম্ভ হলো খনি শিল্প। তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে খনিজ সম্পদকে আয়ের তৃতীয় প্রধান উৎস হিসেবে গড়ে তোলাই এর লক্ষ্য। মাআদেনের এই স্বর্ণ আবিষ্কার কেবল একটি কোম্পানির সাফল্য নয়, বরং এটি সৌদি আরবের জাতীয় অর্থনীতিকে বহুমুখীকরণের পথে কয়েক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেল।
তথ্যসূত্র: গালফ নিউজ, আরব নিউজ

২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পর প্রথম কর্মদিবসে গতকাল রোববার দেশের পুঁজিবাজারে বড় দরপতন হয়েছে। প্রধান বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অন্য বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সবকটি মূল্যসূচকের বড় পতন হয়েছে। ডিএসইতে লেনদেন কমে ৩০০ কোটি টাকার ঘরে নেমেছে।
১০ জুন ২০২৪
উদ্বোধনী বক্তব্যে উপদেষ্টা বলেন, পানগাঁও টার্মিনালকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হলে অভ্যন্তরীণ নৌপথে কনটেইনার পরিবহন বাড়বে এবং দেশের বন্দর ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। দীর্ঘদিন লোকসানে থাকা এই টার্মিনালকে দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে লাভজনক করাই সরকারের লক্ষ্য।
৪ ঘণ্টা আগে
ভারতের এই সিদ্ধান্ত দেশটির গণমাধ্যমে খুব একটা আলোচিত হয়নি। তবে অনেকের মতে, এটি ট্রাম্প প্রশাসনের আগের আরোপ করা ৫০ শতাংশ (শাস্তিমূলক) শুল্কের নীরব জবাব। এই পরিস্থিতি দুই দেশের মধ্যে চলমান বাণিজ্য আলোচনাকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে।
৫ ঘণ্টা আগে
‘আমরা বিশ্বকে সেভাবেই গ্রহণ করি, যেভাবে বর্তমানে আছে; আমাদের ইচ্ছেমতো বদলে নিয়ে নয়।’ —কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির এই একটি বাক্যই এখন দেশটির নতুন পররাষ্ট্রনীতির মূলমন্ত্র। গত শুক্রবার বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পাদিত ঐতিহাসিক বাণিজ্য...
৯ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

‘আমরা বিশ্বকে সেভাবেই গ্রহণ করি, যেভাবে বর্তমানে আছে; আমাদের ইচ্ছেমতো বদলে নিয়ে নয়।’ —কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির এই একটি বাক্যই এখন দেশটির নতুন পররাষ্ট্রনীতির মূলমন্ত্র। গত শুক্রবার বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পাদিত ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তিটি কেবল শুল্ক কমানোর লড়াই নয়, বরং এটি উত্তর আমেরিকার দীর্ঘদিনের ভূরাজনৈতিক মেরুকরণে এক বড় ধরনের ফাটলের ইঙ্গিত। এর মাধ্যমে মার্কিন প্রভাব বলয় থেকে বেরিয়ে যাওয়ার একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত দিল কানাডা।
এই চুক্তির মাধ্যমে গত এক বছরের তিক্ত সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে। চুক্তির প্রধান দিকগুলো হলো:
বৈদ্যুতিক যানবাহন (ইভি) শুল্ক শিথিলকরণ: ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে চীনা ইভির ওপর যে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল, তা কমিয়ে মাত্র ৬ দশমিক ১ শতাংশে নামিয়ে এনেছে কার্নি সরকার। প্রাথমিক কোটা অনুযায়ী প্রতিবছর প্রথম ৪৯ হাজার যানবাহন এই সুবিধায় আসবে, যা আগামী পাঁচ বছরে ৭০ হাজার পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।
কৃষি ও মৎস্য খাতে চীনের ছাড়: ক্যানোলা বীজের ওপর চীনের ৮৪ শতাংশ প্রতিশোধমূলক শুল্ক কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। এ ছাড়া লবস্টার (সামুদ্রিক চিংড়ি), কাঁকড়া, মটরশুঁটি এবং ক্যানোলা মিলের ওপর থেকে শুল্ক সাময়িকভাবে সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করেছে বেইজিং।
ভিসা-সংক্রান্ত সুবিধা: বেইজিং কানাডীয় পর্যটকদের জন্য ভিসা প্রয়োজনীয়তা শিথিল করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, কার্নির এই পদক্ষেপের পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হলো ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রশাসনের অস্থির বাণিজ্য নীতি। এই নীতি পরিবর্তনের পেছনে সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি ‘মার্কিন অনিশ্চয়তা’।
বিশেষ করে উত্তর আমেরিকার মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (ইউএসএমসিএ) বর্তমানে পর্যালোচনার মুখে। ট্রাম্প এই চুক্তিটিকে ‘অপ্রাসঙ্গিক’ বলে হুমকি দিয়েছেন। ফলে এর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। প্রধানমন্ত্রী কার্নি সরাসরি বলেছেন, বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসনের চেয়ে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক এখন কানাডার কাছে অনেক বেশি ‘প্রেডিক্টেবল’ বা অনুমানযোগ্য। ২০২৬ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো কার্যকর চুক্তি না থাকার যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, তার প্রস্তুতি হিসেবেই এই ‘রিক্যালিব্রেশন’।
এদিকে চুক্তিটি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই কানাডার ভেতরে দ্বিমুখী প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে, কানাডার কৃষি সমৃদ্ধ প্রদেশ সাসকাচোয়ানের মুখমন্ত্রী স্কট মো এই চুক্তিকে ‘খুব ভালো খবর’ হিসেবে দেখছেন। চীনের শুল্কের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কানাডীয় কৃষকদের জন্য এটি বড় ধরনের স্বস্তি বয়ে আনবে।
তবে ওন্টারিও প্রদেশের মুখমন্ত্রী ডগ ফোর্ড এই চুক্তির তীব্র সমালোচনা করেছেন। তাঁর মতে, সস্তা চীনা ইভির জোয়ারে কানাডার দেশীয় গাড়ি শিল্প ও কর্মসংস্থান ঝুঁকির মুখে পড়বে।
ম্যাকগিল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক বিবেক আস্তভাংশ মনে করেন, এর ফলে কানাডার ইভি বাজারের ১০ শতাংশ চীনাদের দখলে চলে যেতে পারে, যা টেসলার মতো মার্কিন কোম্পানিগুলোর ওপরও চাপ তৈরি করবে।
এই চুক্তি ঘোষণার পর হোয়াইট হাউসের প্রতিক্রিয়া বেশ কৌতূহলোদ্দীপক। মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার এই চুক্তিকে ‘সমস্যাজনক’ বলে অভিহিত করেছেন এবং সতর্ক করেছেন যে কানাডা হয়তো এর জন্য ভবিষ্যতে অনুশোচনা করবে।
আশ্চর্যজনকভাবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, ‘চীনের সঙ্গে চুক্তি বা সমঝোতা সম্ভব হলে সেটা করা উচিত।’ উল্লেখ্য, ট্রাম্প নিজেও আগামী এপ্রিলে সি চিন পিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
ম্যাকগিল এবং ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই চুক্তির ফলে কানাডীয় ভোক্তারা সস্তায় উচ্চমানের বৈদ্যুতিক গাড়ি পাওয়ার সুযোগ পেলেও কার্নি সরকারকে এখন দেশীয় শিল্প রক্ষায় নতুন কোনো প্রণোদনা প্যাকেজ চিন্তা করতে হবে। চীনের ৭০ শতাংশ বৈশ্বিক ইভি উৎপাদন ক্ষমতার মুখে কানাডা কীভাবে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

‘আমরা বিশ্বকে সেভাবেই গ্রহণ করি, যেভাবে বর্তমানে আছে; আমাদের ইচ্ছেমতো বদলে নিয়ে নয়।’ —কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির এই একটি বাক্যই এখন দেশটির নতুন পররাষ্ট্রনীতির মূলমন্ত্র। গত শুক্রবার বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পাদিত ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তিটি কেবল শুল্ক কমানোর লড়াই নয়, বরং এটি উত্তর আমেরিকার দীর্ঘদিনের ভূরাজনৈতিক মেরুকরণে এক বড় ধরনের ফাটলের ইঙ্গিত। এর মাধ্যমে মার্কিন প্রভাব বলয় থেকে বেরিয়ে যাওয়ার একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত দিল কানাডা।
এই চুক্তির মাধ্যমে গত এক বছরের তিক্ত সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে। চুক্তির প্রধান দিকগুলো হলো:
বৈদ্যুতিক যানবাহন (ইভি) শুল্ক শিথিলকরণ: ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে চীনা ইভির ওপর যে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল, তা কমিয়ে মাত্র ৬ দশমিক ১ শতাংশে নামিয়ে এনেছে কার্নি সরকার। প্রাথমিক কোটা অনুযায়ী প্রতিবছর প্রথম ৪৯ হাজার যানবাহন এই সুবিধায় আসবে, যা আগামী পাঁচ বছরে ৭০ হাজার পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।
কৃষি ও মৎস্য খাতে চীনের ছাড়: ক্যানোলা বীজের ওপর চীনের ৮৪ শতাংশ প্রতিশোধমূলক শুল্ক কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। এ ছাড়া লবস্টার (সামুদ্রিক চিংড়ি), কাঁকড়া, মটরশুঁটি এবং ক্যানোলা মিলের ওপর থেকে শুল্ক সাময়িকভাবে সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করেছে বেইজিং।
ভিসা-সংক্রান্ত সুবিধা: বেইজিং কানাডীয় পর্যটকদের জন্য ভিসা প্রয়োজনীয়তা শিথিল করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, কার্নির এই পদক্ষেপের পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হলো ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রশাসনের অস্থির বাণিজ্য নীতি। এই নীতি পরিবর্তনের পেছনে সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি ‘মার্কিন অনিশ্চয়তা’।
বিশেষ করে উত্তর আমেরিকার মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (ইউএসএমসিএ) বর্তমানে পর্যালোচনার মুখে। ট্রাম্প এই চুক্তিটিকে ‘অপ্রাসঙ্গিক’ বলে হুমকি দিয়েছেন। ফলে এর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। প্রধানমন্ত্রী কার্নি সরাসরি বলেছেন, বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসনের চেয়ে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক এখন কানাডার কাছে অনেক বেশি ‘প্রেডিক্টেবল’ বা অনুমানযোগ্য। ২০২৬ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো কার্যকর চুক্তি না থাকার যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, তার প্রস্তুতি হিসেবেই এই ‘রিক্যালিব্রেশন’।
এদিকে চুক্তিটি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই কানাডার ভেতরে দ্বিমুখী প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে, কানাডার কৃষি সমৃদ্ধ প্রদেশ সাসকাচোয়ানের মুখমন্ত্রী স্কট মো এই চুক্তিকে ‘খুব ভালো খবর’ হিসেবে দেখছেন। চীনের শুল্কের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কানাডীয় কৃষকদের জন্য এটি বড় ধরনের স্বস্তি বয়ে আনবে।
তবে ওন্টারিও প্রদেশের মুখমন্ত্রী ডগ ফোর্ড এই চুক্তির তীব্র সমালোচনা করেছেন। তাঁর মতে, সস্তা চীনা ইভির জোয়ারে কানাডার দেশীয় গাড়ি শিল্প ও কর্মসংস্থান ঝুঁকির মুখে পড়বে।
ম্যাকগিল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক বিবেক আস্তভাংশ মনে করেন, এর ফলে কানাডার ইভি বাজারের ১০ শতাংশ চীনাদের দখলে চলে যেতে পারে, যা টেসলার মতো মার্কিন কোম্পানিগুলোর ওপরও চাপ তৈরি করবে।
এই চুক্তি ঘোষণার পর হোয়াইট হাউসের প্রতিক্রিয়া বেশ কৌতূহলোদ্দীপক। মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার এই চুক্তিকে ‘সমস্যাজনক’ বলে অভিহিত করেছেন এবং সতর্ক করেছেন যে কানাডা হয়তো এর জন্য ভবিষ্যতে অনুশোচনা করবে।
আশ্চর্যজনকভাবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, ‘চীনের সঙ্গে চুক্তি বা সমঝোতা সম্ভব হলে সেটা করা উচিত।’ উল্লেখ্য, ট্রাম্প নিজেও আগামী এপ্রিলে সি চিন পিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
ম্যাকগিল এবং ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই চুক্তির ফলে কানাডীয় ভোক্তারা সস্তায় উচ্চমানের বৈদ্যুতিক গাড়ি পাওয়ার সুযোগ পেলেও কার্নি সরকারকে এখন দেশীয় শিল্প রক্ষায় নতুন কোনো প্রণোদনা প্যাকেজ চিন্তা করতে হবে। চীনের ৭০ শতাংশ বৈশ্বিক ইভি উৎপাদন ক্ষমতার মুখে কানাডা কীভাবে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পর প্রথম কর্মদিবসে গতকাল রোববার দেশের পুঁজিবাজারে বড় দরপতন হয়েছে। প্রধান বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অন্য বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সবকটি মূল্যসূচকের বড় পতন হয়েছে। ডিএসইতে লেনদেন কমে ৩০০ কোটি টাকার ঘরে নেমেছে।
১০ জুন ২০২৪
উদ্বোধনী বক্তব্যে উপদেষ্টা বলেন, পানগাঁও টার্মিনালকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হলে অভ্যন্তরীণ নৌপথে কনটেইনার পরিবহন বাড়বে এবং দেশের বন্দর ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। দীর্ঘদিন লোকসানে থাকা এই টার্মিনালকে দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে লাভজনক করাই সরকারের লক্ষ্য।
৪ ঘণ্টা আগে
ভারতের এই সিদ্ধান্ত দেশটির গণমাধ্যমে খুব একটা আলোচিত হয়নি। তবে অনেকের মতে, এটি ট্রাম্প প্রশাসনের আগের আরোপ করা ৫০ শতাংশ (শাস্তিমূলক) শুল্কের নীরব জবাব। এই পরিস্থিতি দুই দেশের মধ্যে চলমান বাণিজ্য আলোচনাকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে।
৫ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরবের খনি শিল্পে এক ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী সাফল্যের ঘোষণা দিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় খনি কোম্পানি ‘মাআদেন’। দেশের চারটি কৌশলগত স্থানে নতুন করে প্রায় ৭৮ লাখ আউন্স (২ লাখ ২১ হাজার কেজির বেশি) স্বর্ণের মজুত খুঁজে পাওয়া গেছে।
৯ ঘণ্টা আগে