নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

পুঁজিবাজারের দরবেশখ্যাত একসময়ের দোর্দণ্ড প্রতাপশালী সালমান এফ রহমান। পুঁজিবাজারের নানা অনিয়মে বিভিন্ন সময় তাঁর নাম উঠে এলেও কখনো বিচারের সম্মুখীন হতে হয়নি তাঁকে। তাঁর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডও আইনের তোয়াক্কা করে না। প্রতিষ্ঠানটি টানা ১২ বছর একই নিরীক্ষক (অডিটর) দিয়ে আর্থিক প্রতিবেদন নিরীক্ষা করিয়েছে। অথচ সিকিউরিটিজ আইনে টানা তিন বছরের বেশি একই প্রতিষ্ঠান নিরীক্ষক হিসেবে নিয়োগের বিধান নেই।
সম্প্রতি এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির কাছে ব্যাখ্যা তলব করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। একই সঙ্গে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান এম জে আবেদিন অ্যান্ড কোং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের কাছেও।
বেক্সিমকো ফার্মার দাবি, অডিটর নিয়োগে বিএসইসির যে প্রজ্ঞাপন রয়েছে, সেটার ওপর উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করা হয়। এতে সেই প্রজ্ঞাপন স্থগিত করেন উচ্চ আদালত। এ জন্য একটানা দীর্ঘ সময় একই নিরীক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এদিকে বাজার-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ১২ বছর ধরে একই প্রতিষ্ঠান দিয়ে বেক্সিমকো ফার্মা নিরীক্ষা কার্যক্রম কেন পরিচালনা করছে, সেটা খতিয়ে দেখা দরকার।
বিগত সরকারের আমলে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের বিরুদ্ধ এমন অভিযোগ থাকলেও প্রভাব ও দাপটের কারণে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারেনি বিএসইসি। তবে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কোম্পানিটির অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে বিএসইসি।
বিএসইসির চিঠিতে বলা হয়, কোম্পানির ২০১২ থেকে ২০২৩ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত যেসব বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে এম জে আবেদিন অ্যান্ড কোং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট নিরীক্ষা করেছে বলে বিএসইসির নজরে এসেছে। সে ক্ষেত্রে সিকিউরিটিজ আইন অনুযায়ী, একটি নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানকে টানা তিন বছরের বেশি সময় নিয়োগ দেওয়ার কোনো অনুমতি নেই। যেটা ২০১১ সালের ২৭ জুলাই বিএসইসির জারি করা নির্দেশনার শর্ত (বি) এবং ২০১৮ সালের ২০ জুন বিএসইসির জারি করা নির্দেশনার শর্ত ২(২) লঙ্ঘন করেছে।
এ বিষয়ে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, টানা তিন বছরের বেশি কোনো নিরীক্ষক নিয়োগের বিধান নেই। তাই বেক্সিমকো ফার্মার কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। তাদের ব্যাখ্যা যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য হলে কোম্পানি ছাড় পাবে। তা না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেবে বিএসইসি।
এ বিষয়ে বেক্সিমকো ফার্মার সচিব মোহাম্মদ আসাদ উল্লাহ বলেন, ‘নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যাখ্যা দেওয়া হবে। আমরা সে বিষয়ে কাজ করছি।’
এ বিষয়ে এম জে আবেদিন অ্যান্ড কোং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামরুল আবেদিন বলেন, ‘বিএসইসির চাহিদা অনুযায়ী আমরা ব্যাখ্যা দিয়েছি।’

পুঁজিবাজারের দরবেশখ্যাত একসময়ের দোর্দণ্ড প্রতাপশালী সালমান এফ রহমান। পুঁজিবাজারের নানা অনিয়মে বিভিন্ন সময় তাঁর নাম উঠে এলেও কখনো বিচারের সম্মুখীন হতে হয়নি তাঁকে। তাঁর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডও আইনের তোয়াক্কা করে না। প্রতিষ্ঠানটি টানা ১২ বছর একই নিরীক্ষক (অডিটর) দিয়ে আর্থিক প্রতিবেদন নিরীক্ষা করিয়েছে। অথচ সিকিউরিটিজ আইনে টানা তিন বছরের বেশি একই প্রতিষ্ঠান নিরীক্ষক হিসেবে নিয়োগের বিধান নেই।
সম্প্রতি এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির কাছে ব্যাখ্যা তলব করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। একই সঙ্গে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান এম জে আবেদিন অ্যান্ড কোং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের কাছেও।
বেক্সিমকো ফার্মার দাবি, অডিটর নিয়োগে বিএসইসির যে প্রজ্ঞাপন রয়েছে, সেটার ওপর উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করা হয়। এতে সেই প্রজ্ঞাপন স্থগিত করেন উচ্চ আদালত। এ জন্য একটানা দীর্ঘ সময় একই নিরীক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এদিকে বাজার-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ১২ বছর ধরে একই প্রতিষ্ঠান দিয়ে বেক্সিমকো ফার্মা নিরীক্ষা কার্যক্রম কেন পরিচালনা করছে, সেটা খতিয়ে দেখা দরকার।
বিগত সরকারের আমলে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের বিরুদ্ধ এমন অভিযোগ থাকলেও প্রভাব ও দাপটের কারণে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারেনি বিএসইসি। তবে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কোম্পানিটির অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে বিএসইসি।
বিএসইসির চিঠিতে বলা হয়, কোম্পানির ২০১২ থেকে ২০২৩ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত যেসব বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে এম জে আবেদিন অ্যান্ড কোং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট নিরীক্ষা করেছে বলে বিএসইসির নজরে এসেছে। সে ক্ষেত্রে সিকিউরিটিজ আইন অনুযায়ী, একটি নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানকে টানা তিন বছরের বেশি সময় নিয়োগ দেওয়ার কোনো অনুমতি নেই। যেটা ২০১১ সালের ২৭ জুলাই বিএসইসির জারি করা নির্দেশনার শর্ত (বি) এবং ২০১৮ সালের ২০ জুন বিএসইসির জারি করা নির্দেশনার শর্ত ২(২) লঙ্ঘন করেছে।
এ বিষয়ে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, টানা তিন বছরের বেশি কোনো নিরীক্ষক নিয়োগের বিধান নেই। তাই বেক্সিমকো ফার্মার কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। তাদের ব্যাখ্যা যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য হলে কোম্পানি ছাড় পাবে। তা না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেবে বিএসইসি।
এ বিষয়ে বেক্সিমকো ফার্মার সচিব মোহাম্মদ আসাদ উল্লাহ বলেন, ‘নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যাখ্যা দেওয়া হবে। আমরা সে বিষয়ে কাজ করছি।’
এ বিষয়ে এম জে আবেদিন অ্যান্ড কোং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামরুল আবেদিন বলেন, ‘বিএসইসির চাহিদা অনুযায়ী আমরা ব্যাখ্যা দিয়েছি।’

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ভাইস চেয়ারম্যান রত্না পাত্র কোম্পানিটির ১০ লাখ শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে পুঁজিবাজার ও ব্লক মার্কেট থেকে শেয়ারগুলো ক্রয় করবেন বলে গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে ভেনামি চিংড়ি চাষে ব্যবহৃত পোনা আমদানির নতুন ও বিদ্যমান সব অনুমোদন স্থগিত করেছে সরকার। রোগ সংক্রমণ, পরিবেশগত ক্ষতি এবং দেশীয় চিংড়িশিল্পের ওপর বিরূপ প্রভাবের আশঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশের পুঁজিবাজারে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা, উৎপাদনহীন ও নিয়মিত লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে মূল বোর্ড থেকে সরিয়ে একটি পৃথক প্ল্যাটফর্মে নেওয়ার সুপারিশ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয় গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি। প্রস্তাবিত নতুন এই প্ল্যাটফর্মের নাম ‘আর’ ক্যাটাগরি।
৪ ঘণ্টা আগে
চলতি বছর দেশের অর্থনীতির সামনে পাঁচটি বড় ঝুঁকি স্পষ্টভাবে চিহ্নিত হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) গ্লোবাল রিস্ক রিপোর্ট-২০২৬ অনুযায়ী, এই ঝুঁকির তালিকার শীর্ষে রয়েছে অপরাধ ও অবৈধ অর্থনৈতিক কার্যক্রমের বিস্তার।
৪ ঘণ্টা আগে