
কিশোর-কিশোরীদের বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধকে বুকে ধারণ করার আহ্বান জানিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. মশিউর রহমান বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধকে বুকে ধারণ করে পঁচাত্তরের খুনিদের ঘৃণা করবে। তোমরা শিক্ষার আলোয় ও সুস্বাস্থ্যে বিকশিত হবে। সুস্থ সংস্কৃতি চর্চা করবে। অন্যের ধর্ম ও মতের প্রতি শ্রদ্ধা রাখবে। এসো নিজ হাতে এই সুন্দর দেশমাতৃকাকে সাজিয়ে তুলি। আমাদের আগামীর পথ চলা অনিন্দ্য সুন্দরে ভরে উঠুক।’
আজ সোমবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশন আয়োজিত জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন উপাচার্য মশিউর। এ আলোচনা সভায় রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশন নিয়ে কাজ করা সহস্রাধিক কিশোর-কিশোরী অংশ নেয়।
বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বিপ্লব সফল হলে বাংলাদেশ অনেক শক্তিশালী রাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে যেত উল্লেখ করে উপাচার্য মশিউর বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শুধু বাঙালির অধিকারের জায়গায় থেমে থাকেননি। তিনি বলেছেন, “পৃথিবী আজ দুভাগে বিভক্ত—শোষক আর শোষিত। আমি শোষিতের পক্ষে।” তিনি বিশ্বের সব শোষিতের পক্ষে দাঁড়ালেন। একটি নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নিলেন। সেটির নাম দিলেন শোষিতের গণতন্ত্র তথা দ্বিতীয় বিপ্লব।’
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ঘোষিত দ্বিতীয় বিপ্লব যদি সেদিন সফল হতো, তাহলে আজকে শুধু তোমাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নয়, বাংলাদেশ ৫০ বছরের যাত্রায় পৃথিবীর অনেক শক্তিশালী এবং মানবিক রাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে অনন্যসাধারণ হয়ে উঠত। সে কারণেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে। কেননা, তিনি যে দ্বিতীয় বিপ্লবের কথা ভাবছিলেন, সেই বিপ্লব বিশ্বের একটি নতুন অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তির মডেলে পরিণত হতো। আমরা সেখান থেকে বঞ্চিত হয়েছি।’
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে দেশের এই প্রথিতযশা সমাজচিন্তক বলেন, ‘আজকে তোমরা যারা এখানে সুন্দর জামা-কাপড় পরে এসেছ, কথা বলছ, স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা ভাবছ। কিন্তু ১৯৭১ সালে এই দেশ সুরক্ষা এবং জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতিটি মুক্তিযোদ্ধা গেরিলা হয়ে উঠেছিল। কী ছিল সেই গেরিলাদের মনে-প্রাণের ইচ্ছা? তোমাদের যেমন অনেক স্বপ্ন আছে; কেউ ডাক্তার, কেউ বিমান চালাবে, কেউ ইঞ্জিনিয়ার আরও অনেক কিছু হবে। কিন্তু গেরিলাদের মাথায় শুধু একটি চিন্তা ছিল, একটি স্বাধীন রাষ্ট্র সৃষ্টি করতে হবে।’
আলোচনা সভায় ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। এ ছাড়া আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলাম। এতে সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক মো. হাবিবে মিল্লাত।

কিশোর-কিশোরীদের বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধকে বুকে ধারণ করার আহ্বান জানিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. মশিউর রহমান বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধকে বুকে ধারণ করে পঁচাত্তরের খুনিদের ঘৃণা করবে। তোমরা শিক্ষার আলোয় ও সুস্বাস্থ্যে বিকশিত হবে। সুস্থ সংস্কৃতি চর্চা করবে। অন্যের ধর্ম ও মতের প্রতি শ্রদ্ধা রাখবে। এসো নিজ হাতে এই সুন্দর দেশমাতৃকাকে সাজিয়ে তুলি। আমাদের আগামীর পথ চলা অনিন্দ্য সুন্দরে ভরে উঠুক।’
আজ সোমবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশন আয়োজিত জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন উপাচার্য মশিউর। এ আলোচনা সভায় রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশন নিয়ে কাজ করা সহস্রাধিক কিশোর-কিশোরী অংশ নেয়।
বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বিপ্লব সফল হলে বাংলাদেশ অনেক শক্তিশালী রাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে যেত উল্লেখ করে উপাচার্য মশিউর বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শুধু বাঙালির অধিকারের জায়গায় থেমে থাকেননি। তিনি বলেছেন, “পৃথিবী আজ দুভাগে বিভক্ত—শোষক আর শোষিত। আমি শোষিতের পক্ষে।” তিনি বিশ্বের সব শোষিতের পক্ষে দাঁড়ালেন। একটি নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নিলেন। সেটির নাম দিলেন শোষিতের গণতন্ত্র তথা দ্বিতীয় বিপ্লব।’
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ঘোষিত দ্বিতীয় বিপ্লব যদি সেদিন সফল হতো, তাহলে আজকে শুধু তোমাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নয়, বাংলাদেশ ৫০ বছরের যাত্রায় পৃথিবীর অনেক শক্তিশালী এবং মানবিক রাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে অনন্যসাধারণ হয়ে উঠত। সে কারণেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে। কেননা, তিনি যে দ্বিতীয় বিপ্লবের কথা ভাবছিলেন, সেই বিপ্লব বিশ্বের একটি নতুন অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তির মডেলে পরিণত হতো। আমরা সেখান থেকে বঞ্চিত হয়েছি।’
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে দেশের এই প্রথিতযশা সমাজচিন্তক বলেন, ‘আজকে তোমরা যারা এখানে সুন্দর জামা-কাপড় পরে এসেছ, কথা বলছ, স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা ভাবছ। কিন্তু ১৯৭১ সালে এই দেশ সুরক্ষা এবং জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতিটি মুক্তিযোদ্ধা গেরিলা হয়ে উঠেছিল। কী ছিল সেই গেরিলাদের মনে-প্রাণের ইচ্ছা? তোমাদের যেমন অনেক স্বপ্ন আছে; কেউ ডাক্তার, কেউ বিমান চালাবে, কেউ ইঞ্জিনিয়ার আরও অনেক কিছু হবে। কিন্তু গেরিলাদের মাথায় শুধু একটি চিন্তা ছিল, একটি স্বাধীন রাষ্ট্র সৃষ্টি করতে হবে।’
আলোচনা সভায় ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। এ ছাড়া আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলাম। এতে সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক মো. হাবিবে মিল্লাত।

সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল—রাষ্ট্রায়ত্ত এই ৬ ব্যাংকের ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা আর হিসাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই; যা এই ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
৭ ঘণ্টা আগে
মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ বাস্তবতাই এবার আসন্ন মুদ্রানীতির মূল সুর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের পর নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আপাতত নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না।
৮ ঘণ্টা আগে
উন্নয়ন বিবেচনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো আঞ্চলিক প্রতিযোগী পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় দুই থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময় পিছিয়ে আছে বলে মনে করছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী ২০২৬ দিগন্ত...
৮ ঘণ্টা আগে
অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) শেয়ার হঠাৎ করেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। দীর্ঘদিন দরপতনের পর এক টাকার নিচে নেমে যাওয়া এসব শেয়ার আজ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ সার্কিট ব্রেকারে ঠেকে যায়। এতে প্রশ্ন উঠেছে, আর্থিকভাবে দেউলিয়া
১২ ঘণ্টা আগে