বিজ্ঞপ্তি

দেশের তরুণ প্রজন্মকে সৃজনশীল উদ্যোগ গ্রহণে অনুপ্রাণিত করার পাশাপাশি তাদের উদ্ভাবনী ধারণাগুলো বাস্তবায়নে সহায়তা করতে বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতায় বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) অধীনে ‘উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমি প্রতিষ্ঠাকরণ (আইডিয়া) প্রকল্প’ আয়োজন করতে যাচ্ছে ‘ন্যাশনাল ইউথ সামিট স্টার্টআপ গ্র্যান্ট প্রোগ্রাম’।
‘এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত ‘তারুণ্যের উৎসব ২০২৫’-এর অংশ হিসেবে ওই আয়োজনটি বাংলাদেশের তরুণ উদ্ভাবক ও স্টার্টআপদের জন্য দেশের সবচেয়ে বড় আয়োজনগুলোর একটি।
আইডিয়া প্রকল্পের এই আয়োজনটি, তারুণ্যের শক্তিকে উদ্ভাবনী উদ্যোগের মাধ্যমে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার এক অনন্য প্রচেষ্টা। এই আয়োজনের মাধ্যমে তরুণ উদ্যোক্তা, উদ্ভাবক এবং শিক্ষার্থীদের একত্র করে দেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
ন্যাশনাল ইউথ সামিট স্টার্টআপ গ্র্যান্ট প্রোগ্রামে তরুণ উদ্যোক্তারা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাগুলোর জন্য ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অনুদান গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন। এরই আলোকে ৫ ফেব্রুয়ারি, বুধবার থেকে অংশগ্রহণে-ইচ্ছুক স্টার্টআপদের জন্য আবেদন গ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যা চলবে ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, শনিবার পর্যন্ত। এরই আলোকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগের পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আয়োজিত হবে বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাকটিভেশন ক্যাম্পেইন। এ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে তরুণ ছাত্রছাত্রী, উদ্ভাবক ও উদ্যোক্তাদের সরাসরি ন্যাশনাল ইউথ সামিট স্টার্টআপ গ্র্যান্ট প্রোগ্রাম সম্পর্কে বিস্তারিত জানানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া, ওই ক্যাম্পেইনে আবেদনপ্রক্রিয়া ও কার্যক্রম সম্পর্কেও তরুণ উদ্যোক্তাদের অবহিত করা হবে।
স্বাস্থ্য, কৃষি, শিক্ষা, জলবায়ু, পোশাকশিল্প, লজিস্টিকস, ফিনটেক, আইটি, ই-কমার্সসহ সব ধরনের ইন্ডাস্ট্রি ক্যাটাগরিতে উদ্ভাবক ও স্টার্টআপরা আবেদন করার সুযোগ পাচ্ছেন। দেশের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষ ও অভিজ্ঞ বিচারকদের মাধ্যমে আবেদনকারী স্টার্টআপদের যাচাই-বাছাই এবং পিচিং শেষে অনুদানপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হবে ‘ন্যাশনাল ইউথ সামিট ২০২৫’-এ। এ বিষয়ে আবেদনকারীরা আইডিয়া প্রকল্পের ওয়েবসাইট থেকে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন।
উল্লেখ্য, স্টার্টআপ গ্র্যান্ট প্রোগ্রামের পাশাপাশি সামিটের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে পরিকল্পনায় রাখা হয়েছে ‘আইডিয়া পোর্টফোলিও স্টার্টআপ প্রদর্শনী’, যেখানে তরুণ উদ্যোক্তারা তাঁদের উদ্ভাবনী পণ্য ও সেবাগুলো প্রদর্শন করবেন। এ আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণে অনুপ্রাণিত করতে আইডিয়া প্রকল্পের অনুদানপ্রাপ্ত স্টার্টআপদের সাফল্যের গল্প তুলে ধরা হবে। পাশাপাশি, ‘বাংলাদেশে স্টার্টআপ ইকো-সিস্টেম গঠনে আইডিয়া প্রকল্পের ভূমিকা’ শীর্ষক একটি বিশেষ সেমিনার আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে আইডিয়া প্রকল্পের।
এই আয়োজন বাংলাদেশের তরুণ সমাজ, শিক্ষার্থী, উদ্ভাবক ও উদ্যোক্তাদের একত্র করার একটি জাতীয় উদ্যোগ। এর মাধ্যমে তরুণদের শক্তি ও উদ্ভাবনকে সারা বিশ্বের সামনে তুলে ধরা হবে। এই উদ্যোগ তরুণদের সক্ষমতাকে আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরতে সহায়ক হবে বলে মনে করছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ।

দেশের তরুণ প্রজন্মকে সৃজনশীল উদ্যোগ গ্রহণে অনুপ্রাণিত করার পাশাপাশি তাদের উদ্ভাবনী ধারণাগুলো বাস্তবায়নে সহায়তা করতে বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতায় বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) অধীনে ‘উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমি প্রতিষ্ঠাকরণ (আইডিয়া) প্রকল্প’ আয়োজন করতে যাচ্ছে ‘ন্যাশনাল ইউথ সামিট স্টার্টআপ গ্র্যান্ট প্রোগ্রাম’।
‘এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত ‘তারুণ্যের উৎসব ২০২৫’-এর অংশ হিসেবে ওই আয়োজনটি বাংলাদেশের তরুণ উদ্ভাবক ও স্টার্টআপদের জন্য দেশের সবচেয়ে বড় আয়োজনগুলোর একটি।
আইডিয়া প্রকল্পের এই আয়োজনটি, তারুণ্যের শক্তিকে উদ্ভাবনী উদ্যোগের মাধ্যমে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার এক অনন্য প্রচেষ্টা। এই আয়োজনের মাধ্যমে তরুণ উদ্যোক্তা, উদ্ভাবক এবং শিক্ষার্থীদের একত্র করে দেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
ন্যাশনাল ইউথ সামিট স্টার্টআপ গ্র্যান্ট প্রোগ্রামে তরুণ উদ্যোক্তারা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাগুলোর জন্য ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অনুদান গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন। এরই আলোকে ৫ ফেব্রুয়ারি, বুধবার থেকে অংশগ্রহণে-ইচ্ছুক স্টার্টআপদের জন্য আবেদন গ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যা চলবে ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, শনিবার পর্যন্ত। এরই আলোকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগের পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আয়োজিত হবে বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাকটিভেশন ক্যাম্পেইন। এ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে তরুণ ছাত্রছাত্রী, উদ্ভাবক ও উদ্যোক্তাদের সরাসরি ন্যাশনাল ইউথ সামিট স্টার্টআপ গ্র্যান্ট প্রোগ্রাম সম্পর্কে বিস্তারিত জানানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া, ওই ক্যাম্পেইনে আবেদনপ্রক্রিয়া ও কার্যক্রম সম্পর্কেও তরুণ উদ্যোক্তাদের অবহিত করা হবে।
স্বাস্থ্য, কৃষি, শিক্ষা, জলবায়ু, পোশাকশিল্প, লজিস্টিকস, ফিনটেক, আইটি, ই-কমার্সসহ সব ধরনের ইন্ডাস্ট্রি ক্যাটাগরিতে উদ্ভাবক ও স্টার্টআপরা আবেদন করার সুযোগ পাচ্ছেন। দেশের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষ ও অভিজ্ঞ বিচারকদের মাধ্যমে আবেদনকারী স্টার্টআপদের যাচাই-বাছাই এবং পিচিং শেষে অনুদানপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হবে ‘ন্যাশনাল ইউথ সামিট ২০২৫’-এ। এ বিষয়ে আবেদনকারীরা আইডিয়া প্রকল্পের ওয়েবসাইট থেকে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন।
উল্লেখ্য, স্টার্টআপ গ্র্যান্ট প্রোগ্রামের পাশাপাশি সামিটের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে পরিকল্পনায় রাখা হয়েছে ‘আইডিয়া পোর্টফোলিও স্টার্টআপ প্রদর্শনী’, যেখানে তরুণ উদ্যোক্তারা তাঁদের উদ্ভাবনী পণ্য ও সেবাগুলো প্রদর্শন করবেন। এ আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণে অনুপ্রাণিত করতে আইডিয়া প্রকল্পের অনুদানপ্রাপ্ত স্টার্টআপদের সাফল্যের গল্প তুলে ধরা হবে। পাশাপাশি, ‘বাংলাদেশে স্টার্টআপ ইকো-সিস্টেম গঠনে আইডিয়া প্রকল্পের ভূমিকা’ শীর্ষক একটি বিশেষ সেমিনার আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে আইডিয়া প্রকল্পের।
এই আয়োজন বাংলাদেশের তরুণ সমাজ, শিক্ষার্থী, উদ্ভাবক ও উদ্যোক্তাদের একত্র করার একটি জাতীয় উদ্যোগ। এর মাধ্যমে তরুণদের শক্তি ও উদ্ভাবনকে সারা বিশ্বের সামনে তুলে ধরা হবে। এই উদ্যোগ তরুণদের সক্ষমতাকে আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরতে সহায়ক হবে বলে মনে করছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ।

চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন খাতে ৮৫৬টি প্রকল্প রয়েছে; কিন্তু এর জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এ চিত্র দেখা গেছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ৪১৩, বৈদেশিক অর্থায়নে ১৫৭, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ৩৫, পিপিপির আওতাভুক্ত প্রকল্প ৮১ এবং জলবায়ু
৪ ঘণ্টা আগে
রাজস্ব আয়, উদ্বৃত্ত ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অবদান—এই তিন ক্ষেত্রেই গত পাঁচ বছরে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ২০২১ থেকে ২০২৫—এই পাঁচ বছরে গড়ে ১৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ রাজস্ব আয় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি গড়ে ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ রাজস্ব উদ্বৃত্ত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরটি।
৫ ঘণ্টা আগে
সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিনের দুর্বলতা ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর অদক্ষ পরিচালনার কারণে দেশের অনিশ্চিত দায় বা কনটিনজেন্ট লায়াবিলিটি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থ বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, এ মুহূর্তে সরকারের এই দায় ৬ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮২ কোটি ৫৮ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। এর বড় অংশই রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান
৫ ঘণ্টা আগে
সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনার পর জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারপত্র ও ব্যানার টাঙানোর কাজ শুরু করেছে ব্যাংকগুলো। তবে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা বা সিএসআর খাতের অর্থ হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণার জন্য বেসরকারি সংস্থাকে (এনজিও) দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আহসান...
৮ ঘণ্টা আগে