আজকের পত্রিকা ডেস্ক

প্রতিবারের মতো এবারও দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের চায়ের দোকানদারদের মেধাবী সন্তান ও তাঁদের পরিবারকে সম্মাননা দিল মেঘনা গ্রুপের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ‘নাম্বার ওয়ান’। এসএসসি/সমমান-২০২৫ পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৬২ জন প্রান্তিক পর্যায়ের চায়ের দোকানদারের সন্তান ও তাঁদের পুরো পরিবারকে এবারের আয়োজনে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
গতকাল শনিবার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সম্মাননার পাশাপাশি আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তাদের এককালীন শিক্ষাবৃত্তি, ক্রেস্ট, সার্টিফিকেটসহ অন্য উপহারসামগ্রী দেওয়া হয়।
‘নাম্বার ওয়ান বাবার কৃতী সন্তান সংবর্ধনা, ২০২৫’-এ উপস্থিত ছিলেন প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আনিসুল হক। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন এমজিআইয়ের চিফ অ্যাকাউন্টস অফিসার (সিএও) মো. রহমতুল্লাহ খন্দকার, চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার (সিএইচআরও) আতিক উজ জামান খান, হেড অব সাপ্লাই চেইন রাশেদুল হকসহ এমজিআইয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আনিসুল হক তাঁর বিভিন্ন অনুপ্রেরণামূলক গল্পের পাশাপাশি কৃতী সন্তানদের উদ্দেশে বলেন, দ্রারিদ্র্য বড় হওয়ার পথে কোনো বাধা নয়। যারা কষ্ট করে বড় হয়, তারাই প্রকৃত পক্ষে বড় হয়। তিনি লেখাপড়াকে পরশমণির সঙ্গে তুলনা করে পড়াশোনার প্রতি আরও মনোযোগী হওয়ার জন্য আহ্বান করেন।

মো. রহমতুল্লাহ খন্দকার বলেন, ‘প্রতিটি সন্তানের সফলতার পেছনে রয়েছে বাবা ও মায়ের অনেক ত্যাগ ও সংগ্রাম। আমরা সেসব বাবা-মায়ের সন্তানদের জন্য এই সংবর্ধনা আয়োজন করতে পেরে গর্বিত। নাম্বার ওয়ান ব্র্যান্ড সব সময় তাদের সঙ্গে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।’ তিনি আশা ব্যক্ত করে বলেছেন, এই কৃতী সন্তানেরা একসময় সাফল্যের আলোয় আলোকিত করবে দেশ ও পরিবার।
আতিক উজ জামান খান প্রোগ্রামে উপস্থিত সব কৃতী সন্তানকে নম্বর ওয়ান মানুষ অর্থাৎ সত্যিকার মানুষ হওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
কমলাপুর, ঢাকা থেকে আগত শিক্ষার্থী জাহিদ হোসেনের বাবা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, এ রকম প্রোগ্রাম তাঁদের জন্য সত্যিই এক অনুপ্রেরণামূলক। তিনি সারা দেশের চা-দোকানিদের সঙ্গে এক ছাদের নিচে আসতে পেরে অনেক আনন্দিত। তিনি নাম্বার ওয়ান ব্র্যান্ডকে তাঁর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ দিয়েছেন।
অন্যদিকে দিনাজপুর থেকে আগত আরও এক শিক্ষার্থী দিয়া রায় বলেন, তিনি কখনো ভাবেননি জীবনে এমন বড় কোনো সংবর্ধনা পাবেন। এ জন্য তিনি তাঁর পরিবারের প্রতি ও নাম্বার ব্র্যান্ডের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন।
দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের (এমজিআই) জনপ্রিয় ব্র্যান্ড নাম্বার ওয়ান। জনপ্রিয় এ ব্র্যান্ড দেশব্যাপী ভোক্তাদের কাছে তাঁদের চাহিদা অনুযায়ী মানসম্মত বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য বাজারজাত করে অর্জন করে নিয়েছে কোটি মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা। প্রান্তিক পর্যায়ে চায়ের দোকানদারদের কাছে নাম্বার ওয়ান ব্র্যান্ডের কনডেন্সড্ মিল্ক, চা-পাতা, চিনি, গুঁড়ো দুধ তাদের ব্যবসায়িক সমৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার পাশাপাশি জীবনমান উন্নতীকরণে ভূমিকা রেখে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।

প্রতিবারের মতো এবারও দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের চায়ের দোকানদারদের মেধাবী সন্তান ও তাঁদের পরিবারকে সম্মাননা দিল মেঘনা গ্রুপের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ‘নাম্বার ওয়ান’। এসএসসি/সমমান-২০২৫ পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৬২ জন প্রান্তিক পর্যায়ের চায়ের দোকানদারের সন্তান ও তাঁদের পুরো পরিবারকে এবারের আয়োজনে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
গতকাল শনিবার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সম্মাননার পাশাপাশি আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তাদের এককালীন শিক্ষাবৃত্তি, ক্রেস্ট, সার্টিফিকেটসহ অন্য উপহারসামগ্রী দেওয়া হয়।
‘নাম্বার ওয়ান বাবার কৃতী সন্তান সংবর্ধনা, ২০২৫’-এ উপস্থিত ছিলেন প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আনিসুল হক। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন এমজিআইয়ের চিফ অ্যাকাউন্টস অফিসার (সিএও) মো. রহমতুল্লাহ খন্দকার, চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার (সিএইচআরও) আতিক উজ জামান খান, হেড অব সাপ্লাই চেইন রাশেদুল হকসহ এমজিআইয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আনিসুল হক তাঁর বিভিন্ন অনুপ্রেরণামূলক গল্পের পাশাপাশি কৃতী সন্তানদের উদ্দেশে বলেন, দ্রারিদ্র্য বড় হওয়ার পথে কোনো বাধা নয়। যারা কষ্ট করে বড় হয়, তারাই প্রকৃত পক্ষে বড় হয়। তিনি লেখাপড়াকে পরশমণির সঙ্গে তুলনা করে পড়াশোনার প্রতি আরও মনোযোগী হওয়ার জন্য আহ্বান করেন।

মো. রহমতুল্লাহ খন্দকার বলেন, ‘প্রতিটি সন্তানের সফলতার পেছনে রয়েছে বাবা ও মায়ের অনেক ত্যাগ ও সংগ্রাম। আমরা সেসব বাবা-মায়ের সন্তানদের জন্য এই সংবর্ধনা আয়োজন করতে পেরে গর্বিত। নাম্বার ওয়ান ব্র্যান্ড সব সময় তাদের সঙ্গে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।’ তিনি আশা ব্যক্ত করে বলেছেন, এই কৃতী সন্তানেরা একসময় সাফল্যের আলোয় আলোকিত করবে দেশ ও পরিবার।
আতিক উজ জামান খান প্রোগ্রামে উপস্থিত সব কৃতী সন্তানকে নম্বর ওয়ান মানুষ অর্থাৎ সত্যিকার মানুষ হওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
কমলাপুর, ঢাকা থেকে আগত শিক্ষার্থী জাহিদ হোসেনের বাবা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, এ রকম প্রোগ্রাম তাঁদের জন্য সত্যিই এক অনুপ্রেরণামূলক। তিনি সারা দেশের চা-দোকানিদের সঙ্গে এক ছাদের নিচে আসতে পেরে অনেক আনন্দিত। তিনি নাম্বার ওয়ান ব্র্যান্ডকে তাঁর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ দিয়েছেন।
অন্যদিকে দিনাজপুর থেকে আগত আরও এক শিক্ষার্থী দিয়া রায় বলেন, তিনি কখনো ভাবেননি জীবনে এমন বড় কোনো সংবর্ধনা পাবেন। এ জন্য তিনি তাঁর পরিবারের প্রতি ও নাম্বার ব্র্যান্ডের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন।
দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের (এমজিআই) জনপ্রিয় ব্র্যান্ড নাম্বার ওয়ান। জনপ্রিয় এ ব্র্যান্ড দেশব্যাপী ভোক্তাদের কাছে তাঁদের চাহিদা অনুযায়ী মানসম্মত বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য বাজারজাত করে অর্জন করে নিয়েছে কোটি মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা। প্রান্তিক পর্যায়ে চায়ের দোকানদারদের কাছে নাম্বার ওয়ান ব্র্যান্ডের কনডেন্সড্ মিল্ক, চা-পাতা, চিনি, গুঁড়ো দুধ তাদের ব্যবসায়িক সমৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার পাশাপাশি জীবনমান উন্নতীকরণে ভূমিকা রেখে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।

নেপাল ও বাংলাদেশ ঢাকায় বাণিজ্যসচিব পর্যায়ের বৈঠক পুনরায় শুরু করতে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বিষয়গুলো, বিশেষ করে প্রস্তাবিত দ্বিপক্ষীয় প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (পিটিএ) বা অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি এবং এর আওতাভুক্ত পণ্যের তালিকার বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় আসবে।
২ ঘণ্টা আগে
ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
১০ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বড় ধরনের কাটছাঁটের মুখে পড়ছে আটটি মেগা প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অবকাঠামো খাতেই এই সংকোচন সবচেয়ে বেশি।
১০ ঘণ্টা আগে
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়ায় হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা।
১০ ঘণ্টা আগে