
অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ তৃতীয়বারের মতো বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (সিআইপি) সম্মাননা পেলেন জেএমআই গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুর রাজ্জাক। গতকাল রোববার বিকেলে রাজধানীর হোটেল প্যান-প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির হাত থেকে এই সম্মাননা নেন তিনি।
আবদুর রাজ্জাক এর আগেও আর্থসামাজিক উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় শিল্প মন্ত্রণালয় কর্তৃক ২০১৫ ও ২০১৭ সালে ‘সিআইপি’ মর্যাদা পান।
দেশের ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম খাতের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান জেএমআই গ্রুপ। ১৯৯৯ সালে এই শিল্পগ্রুপের যাত্রা শুরু হয় মো. আবদুর রাজ্জাকের হাত ধরে। জেএমআই গ্রুপের অধীনে বর্তমানে ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম উৎপাদন, বিপণন, স্বাস্থ্যসেবা, আবাসন, মুদ্রণ, শিল্পজাত গ্যাস, এলপিজি, এলপিজি সিলিন্ডার ও অটো ট্যাংক তৈরিসহ বিভিন্ন খাতে মোট ৪২টি শিল্প-প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে দুটি প্রতিষ্ঠান পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত।
প্রায় ২৫ বছরের দীর্ঘ যাত্রায় জেএমআই গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ পেরিয়েছে পাঁচ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড, তুরস্ক ও চীন থেকে এসেছে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) হিসেবে।
জেএমআই গ্রুপের যাত্রার শুরুতে মাত্র ৫০ জন কর্মী ছিল, যেখানে বর্তমানে মোট কর্মী সংখ্যা সাড়ে আট হাজার ছাড়িয়েছে। এই শিল্পগোষ্ঠীর বিভিন্ন শিল্প-কারখানায় বর্তমানে ৪০০ টিরও বেশি চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং স্বাস্থ্যসেবা পণ্য উৎপাদন হচ্ছে, যার মধ্যে অন্তত ৫০টিই বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো প্রস্তুত করা। উৎপাদিত পণ্য নিয়মিত রপ্তানি হচ্ছে এশিয়া, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ আমেরিকা এবং আফ্রিকাসহ বিশ্বের ৪০ টিরও বেশি দেশে।

অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ তৃতীয়বারের মতো বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (সিআইপি) সম্মাননা পেলেন জেএমআই গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুর রাজ্জাক। গতকাল রোববার বিকেলে রাজধানীর হোটেল প্যান-প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির হাত থেকে এই সম্মাননা নেন তিনি।
আবদুর রাজ্জাক এর আগেও আর্থসামাজিক উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় শিল্প মন্ত্রণালয় কর্তৃক ২০১৫ ও ২০১৭ সালে ‘সিআইপি’ মর্যাদা পান।
দেশের ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম খাতের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান জেএমআই গ্রুপ। ১৯৯৯ সালে এই শিল্পগ্রুপের যাত্রা শুরু হয় মো. আবদুর রাজ্জাকের হাত ধরে। জেএমআই গ্রুপের অধীনে বর্তমানে ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম উৎপাদন, বিপণন, স্বাস্থ্যসেবা, আবাসন, মুদ্রণ, শিল্পজাত গ্যাস, এলপিজি, এলপিজি সিলিন্ডার ও অটো ট্যাংক তৈরিসহ বিভিন্ন খাতে মোট ৪২টি শিল্প-প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে দুটি প্রতিষ্ঠান পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত।
প্রায় ২৫ বছরের দীর্ঘ যাত্রায় জেএমআই গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ পেরিয়েছে পাঁচ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড, তুরস্ক ও চীন থেকে এসেছে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) হিসেবে।
জেএমআই গ্রুপের যাত্রার শুরুতে মাত্র ৫০ জন কর্মী ছিল, যেখানে বর্তমানে মোট কর্মী সংখ্যা সাড়ে আট হাজার ছাড়িয়েছে। এই শিল্পগোষ্ঠীর বিভিন্ন শিল্প-কারখানায় বর্তমানে ৪০০ টিরও বেশি চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং স্বাস্থ্যসেবা পণ্য উৎপাদন হচ্ছে, যার মধ্যে অন্তত ৫০টিই বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো প্রস্তুত করা। উৎপাদিত পণ্য নিয়মিত রপ্তানি হচ্ছে এশিয়া, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ আমেরিকা এবং আফ্রিকাসহ বিশ্বের ৪০ টিরও বেশি দেশে।

উন্নয়নশীল বিশ্বের প্রতি চারটি দেশের মধ্যে একটি দেশ এখনো ২০১৯ সালের তুলনায় দরিদ্র। ২০১৯ সাল ছিল কোভিড-১৯ মহামারির আগের সময়। এমনটাই জানিয়েছে, বিশ্ব ব্যাংক। ওয়াশিংটনভিত্তিক সংস্থাটি বলেছে, নিম্নআয়ের অনেক দেশ গত বছরের শেষ পর্যন্ত ৬ বছরে বড় ধরনের নেতিবাচক ধাক্কা খেয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
আবুল কালাম বলেন, ‘নতুন কমিশন দায়িত্ব নিয়েই পুঁজিবাজারে ভালো কোম্পানি আনতে উদ্যোগ নেয়। কিন্তু ইস্যুয়ার কোম্পানি ও ইস্যু ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে কথা বলে আমরা জানতে পারি, এখানে ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে প্রাইসিংসহ আরও কয়েকটি সমস্যা বিদ্যমান। পরে টাস্কফোর্সের পরামর্শ ও সুপারিশ অনুযায়ী আইপিও
৪ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সাল জুড়ে একের পর শুল্ক আরোপ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই শুল্কের আঘাত সয়ে নিয়েই চীন রেকর্ড বাণিজ্য করে দেখাল। আজ বুধবার রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে শক্তিশালী রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে চীন। গত বছর দেশটির বাণিজ্য উদ্বৃত্ত প্রায় ১.২ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা
৬ ঘণ্টা আগে
নতুন বিধিমালায় অধিক্ষেত্র সংযোজনের সুযোগ রাখা হয়েছে। এর ফলে লাইসেন্সধারী সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা অন্য যে কোনো সচল কাস্টমস স্টেশনে ক্লিয়ারিং ও ফরোয়ার্ডিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন।
৬ ঘণ্টা আগে