
বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ডিজিটাল লেনদেন নগদের সেবায় প্রতিদিন প্রায় ২০ হাজার করে নতুন গ্রাহক যুক্ত হচ্ছেন। বাংলাদেশের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস জগৎকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া এই প্রতিষ্ঠানটির গত ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত মোট গ্রাহকসংখ্যা সাড়ে নয় কোটি পার হয়েছে বলে জানিয়েছে নগদ।
মাত্র পাঁচ বছরের যাত্রায় বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে নগদ। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক খাতে নতুন যাত্রা শুরু করার পর প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকের কাছে আরও জনপ্রিয় হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের সেবা ও নিত্যনতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে। এখন নগদের অত্যাধুনিক অ্যাপ থেকে আর্থিক সকল সেবা পাওয়া যাচ্ছে। এ কারণে এখন অ্যাপের মাধ্যমে গ্রাহক যুক্ত হওয়ার শতকরা হার অনেক বেড়েছে।
গত বৃহস্পতিবার নগদের চিফ মার্কেটিং অফিসার সাদাত আদনান আহ্মদ বলেন, আর্থিক সব উদ্ভাবনী সেবা এবং গ্রাহকবান্ধব চার্জের কারণে নগদ গ্রাহকের আস্থা অর্জন করেছে। যার অংশ হিসেবে একচেটিয়া বাজার ভেঙে মাত্র ৫ বছরে বাজারের শক্তিশালী দ্বিতীয় অপারেটর হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে নগদ। বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিএফআইইউয়ের সব নিয়ম প্রতিপালন করে দৈনিক গড়ে ২০ হাজারের বেশি গ্রাহক নগদের সেবার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলছে। গ্রাহকের আস্থা, গ্রাহকবান্ধব সেবা এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি ও খুব সহজে ব্যবহারযোগ্য অ্যাপের কারণে নগদ ৯ কোটি ৫১ লাখ গ্রাহকের পরিবারে পরিণত হয়েছে।
নগদ গ্রাহককে নিয়মিত লেনদেন, পেমেন্ট ছাড়াও অনেক ধরনের ডিজিটাল অর্থনৈতিক সেবা প্রদান করে। একজন মানুষের দৈনন্দিন প্রায় সব অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের চাহিদাই এই সেবাটি দিয়ে থাকে।
এই ঈর্ষণীয় লেনদেনের কথা জানিয়ে নগদের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর সিহাব উদ্দীন চৌধুরী বলেন, নগদ অর্থনীতির ডিজিটালাইজেশনে শুরু থেকে কাজ করে আসছে। এখন গ্রাহকেরা গড়ে প্রতিদিন নগদের মাধ্যমে হাজার কোটি টাকা লেনদেন করছেন। এটা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অনেক বড় অবদান রাখার একটা জায়গা। প্রান্তিক মানুষকে এভাবে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করতে পেরে প্রতিষ্ঠান হিসেবে নগদ গর্বিত।

বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ডিজিটাল লেনদেন নগদের সেবায় প্রতিদিন প্রায় ২০ হাজার করে নতুন গ্রাহক যুক্ত হচ্ছেন। বাংলাদেশের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস জগৎকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া এই প্রতিষ্ঠানটির গত ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত মোট গ্রাহকসংখ্যা সাড়ে নয় কোটি পার হয়েছে বলে জানিয়েছে নগদ।
মাত্র পাঁচ বছরের যাত্রায় বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে নগদ। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক খাতে নতুন যাত্রা শুরু করার পর প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকের কাছে আরও জনপ্রিয় হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের সেবা ও নিত্যনতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে। এখন নগদের অত্যাধুনিক অ্যাপ থেকে আর্থিক সকল সেবা পাওয়া যাচ্ছে। এ কারণে এখন অ্যাপের মাধ্যমে গ্রাহক যুক্ত হওয়ার শতকরা হার অনেক বেড়েছে।
গত বৃহস্পতিবার নগদের চিফ মার্কেটিং অফিসার সাদাত আদনান আহ্মদ বলেন, আর্থিক সব উদ্ভাবনী সেবা এবং গ্রাহকবান্ধব চার্জের কারণে নগদ গ্রাহকের আস্থা অর্জন করেছে। যার অংশ হিসেবে একচেটিয়া বাজার ভেঙে মাত্র ৫ বছরে বাজারের শক্তিশালী দ্বিতীয় অপারেটর হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে নগদ। বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিএফআইইউয়ের সব নিয়ম প্রতিপালন করে দৈনিক গড়ে ২০ হাজারের বেশি গ্রাহক নগদের সেবার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলছে। গ্রাহকের আস্থা, গ্রাহকবান্ধব সেবা এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি ও খুব সহজে ব্যবহারযোগ্য অ্যাপের কারণে নগদ ৯ কোটি ৫১ লাখ গ্রাহকের পরিবারে পরিণত হয়েছে।
নগদ গ্রাহককে নিয়মিত লেনদেন, পেমেন্ট ছাড়াও অনেক ধরনের ডিজিটাল অর্থনৈতিক সেবা প্রদান করে। একজন মানুষের দৈনন্দিন প্রায় সব অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের চাহিদাই এই সেবাটি দিয়ে থাকে।
এই ঈর্ষণীয় লেনদেনের কথা জানিয়ে নগদের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর সিহাব উদ্দীন চৌধুরী বলেন, নগদ অর্থনীতির ডিজিটালাইজেশনে শুরু থেকে কাজ করে আসছে। এখন গ্রাহকেরা গড়ে প্রতিদিন নগদের মাধ্যমে হাজার কোটি টাকা লেনদেন করছেন। এটা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অনেক বড় অবদান রাখার একটা জায়গা। প্রান্তিক মানুষকে এভাবে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করতে পেরে প্রতিষ্ঠান হিসেবে নগদ গর্বিত।

সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল—রাষ্ট্রায়ত্ত এই ৬ ব্যাংকের ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা আর হিসাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই; যা এই ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
১৪ ঘণ্টা আগে
মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ বাস্তবতাই এবার আসন্ন মুদ্রানীতির মূল সুর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের পর নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আপাতত নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না।
১৪ ঘণ্টা আগে
উন্নয়ন বিবেচনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো আঞ্চলিক প্রতিযোগী পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় দুই থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময় পিছিয়ে আছে বলে মনে করছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী ২০২৬ দিগন্ত...
১৪ ঘণ্টা আগে
অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) শেয়ার হঠাৎ করেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। দীর্ঘদিন দরপতনের পর এক টাকার নিচে নেমে যাওয়া এসব শেয়ার আজ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ সার্কিট ব্রেকারে ঠেকে যায়। এতে প্রশ্ন উঠেছে, আর্থিকভাবে দেউলিয়া
১৮ ঘণ্টা আগে