
ব্র্যাক ব্যাংক আয়োজিত অ্যানুয়াল রিস্ক কনফারেন্স ২০২৪-এ ব্যাংকটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ব্যাংকের যেকোনো ঝুঁকি মোকাবিলার লক্ষ্যে সবার পূর্বপ্রস্তুতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সম্মেলনে অভিজ্ঞ ব্যাংকার এবং ব্যাংকিং খাতের বিশেষজ্ঞরা ভবিষ্যতের অদৃশ্য ঝুঁকির ওপর জোর দেন। ব্যাংকিং খাতের পরিবর্তনশীল ঝুঁকি, বিশেষ করে ডিজিটাল ব্যাংকিং এবং সাইবার স্পেসের ঝুঁকির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা নিয়ে তাঁরা আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষজ্ঞরা দেশের বিদ্যমান রিস্ক ফ্রেমওয়ার্ক পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যতে যেকোনো পরিস্থিতিতে উদ্ভূত ঝুঁকি মোকাবিলায় এই ফ্রেমওয়ার্ককে পূর্ব প্রস্তুত রাখার জন্য ব্যাংকিং খাত সংশ্লিষ্ট সকলকে আহ্বান জানান। দৈনন্দিন ব্যাংকিং কার্যক্রমে থাকা ঝুঁকি বিষয়ে সহকর্মীদের সচেতন করতে এবং সেগুলো মোকাবিলা করার কার্যকর উপায় খুঁজে বের করতে ব্র্যাক ব্যাংক প্রতি বছর অ্যানুয়াল রিস্ক কনফারেন্সের আয়োজন করে থাকে।
এই সম্মেলন বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০১৮ সালের ‘রিস্ক ম্যানেজমেন্ট গাইডলাইনস ফর ব্যাংকস’ অনুযায়ী আয়োজন করা হয়। গত ২৩ নভেম্বর ঢাকায় ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে দিনব্যাপী আয়োজিত এই সম্মেলনে সরাসরি এবং ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে ব্যাংকটির ব্রাঞ্চ ম্যানেজার, ব্রাঞ্চ অপারেশনস ম্যানেজার এবং বিভিন্ন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ১ হাজারের বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন।
সম্মেলনে ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারপারসন মেহেরিয়ার এম হাসান, ভাইস চেয়ারপারসন ফারুক মঈনউদ্দীন আহমেদ এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও সেলিম রেজা ফরহাদ হোসেন ‘ব্যাংকিং সেক্টর আউটলুক অ্যান্ড ওয়ে ফরোয়ার্ড’ শীর্ষক একটি প্যানেল ডিসকাশনে অংশগ্রহণ করেন।
ব্র্যাক ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালক এবং বোর্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারপারসন সালেক আহমেদ আবুল মাসরুর এবং ভিআইপিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম সিএফএ ‘মার্কেট অ্যান্ড লিকুইডিটি রিস্ক অ্যান্ড চ্যালেঞ্জেস’ বিষয়ক আরেকটি প্যানেল ডিসকাশনে অংশ নেন। ব্র্যাক ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিআরও আহমেদ রশীদ জয় এই দুটি সেশন পরিচালনা করেন।
সম্মেলনে ব্র্যাক ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালক জাহিদ হোসেন ‘ম্যাক্রোইকোনমিক আউটলুক’ বিষয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এ ছাড়া, সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের অফসাইট সুপারভিশন বিভাগের কর্মকর্তারা ‘রিস্ক ম্যানেজমেন্ট ইন ব্যাংকস: রেগুলেটরি পার্সপেক্টিভ’ শীর্ষক একটি সেশন পরিচালনা করেন।
অ্যানুয়াল রিস্ক কনফারেন্স সম্পর্কে মন্তব্য করে ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারপারসন মেহেরিয়ার এম হাসান বলেন, ‘দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যাংকগুলোকে প্রায়ই বিভিন্ন ঝুঁকির মুখোমুখি হতে হয়। এই ঝুঁকিগুলো দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলা করতে আমাদের সহকর্মীদের অবশ্যই ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। আমরা বিশ্বাস করি, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কিত জ্ঞান বাড়াতে এ ধরনের নলেজ-শেয়ারিং সেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এই সম্মেলনটি বিশেষভাবে আমাদের ফ্রন্টলাইন সহকর্মীদের জন্য আয়োজন করেছি।’
সম্মেলন নিয়ে ব্র্যাক ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালক এবং বোর্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারপারসন সালেক আহমেদ আবুল মাসরুর বলেন, একটি মূল্যবোধভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংক প্রতিষ্ঠানে সুশাসন নিশ্চিত করতে সহকর্মীদের রিস্ক ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে দক্ষ করে গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে ধারাবাহিক নীতিগত সহায়তা ও দিকনির্দেশনার জন্য আমরা বাংলাদেশ ব্যাংককে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় সহকর্মীদের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে আমরা এ ধরনের নলেজ-শেয়ারিং সেশনের আয়োজন অব্যাহত রাখব।

ব্র্যাক ব্যাংক আয়োজিত অ্যানুয়াল রিস্ক কনফারেন্স ২০২৪-এ ব্যাংকটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ব্যাংকের যেকোনো ঝুঁকি মোকাবিলার লক্ষ্যে সবার পূর্বপ্রস্তুতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সম্মেলনে অভিজ্ঞ ব্যাংকার এবং ব্যাংকিং খাতের বিশেষজ্ঞরা ভবিষ্যতের অদৃশ্য ঝুঁকির ওপর জোর দেন। ব্যাংকিং খাতের পরিবর্তনশীল ঝুঁকি, বিশেষ করে ডিজিটাল ব্যাংকিং এবং সাইবার স্পেসের ঝুঁকির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা নিয়ে তাঁরা আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষজ্ঞরা দেশের বিদ্যমান রিস্ক ফ্রেমওয়ার্ক পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যতে যেকোনো পরিস্থিতিতে উদ্ভূত ঝুঁকি মোকাবিলায় এই ফ্রেমওয়ার্ককে পূর্ব প্রস্তুত রাখার জন্য ব্যাংকিং খাত সংশ্লিষ্ট সকলকে আহ্বান জানান। দৈনন্দিন ব্যাংকিং কার্যক্রমে থাকা ঝুঁকি বিষয়ে সহকর্মীদের সচেতন করতে এবং সেগুলো মোকাবিলা করার কার্যকর উপায় খুঁজে বের করতে ব্র্যাক ব্যাংক প্রতি বছর অ্যানুয়াল রিস্ক কনফারেন্সের আয়োজন করে থাকে।
এই সম্মেলন বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০১৮ সালের ‘রিস্ক ম্যানেজমেন্ট গাইডলাইনস ফর ব্যাংকস’ অনুযায়ী আয়োজন করা হয়। গত ২৩ নভেম্বর ঢাকায় ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে দিনব্যাপী আয়োজিত এই সম্মেলনে সরাসরি এবং ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে ব্যাংকটির ব্রাঞ্চ ম্যানেজার, ব্রাঞ্চ অপারেশনস ম্যানেজার এবং বিভিন্ন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ১ হাজারের বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন।
সম্মেলনে ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারপারসন মেহেরিয়ার এম হাসান, ভাইস চেয়ারপারসন ফারুক মঈনউদ্দীন আহমেদ এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও সেলিম রেজা ফরহাদ হোসেন ‘ব্যাংকিং সেক্টর আউটলুক অ্যান্ড ওয়ে ফরোয়ার্ড’ শীর্ষক একটি প্যানেল ডিসকাশনে অংশগ্রহণ করেন।
ব্র্যাক ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালক এবং বোর্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারপারসন সালেক আহমেদ আবুল মাসরুর এবং ভিআইপিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম সিএফএ ‘মার্কেট অ্যান্ড লিকুইডিটি রিস্ক অ্যান্ড চ্যালেঞ্জেস’ বিষয়ক আরেকটি প্যানেল ডিসকাশনে অংশ নেন। ব্র্যাক ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিআরও আহমেদ রশীদ জয় এই দুটি সেশন পরিচালনা করেন।
সম্মেলনে ব্র্যাক ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালক জাহিদ হোসেন ‘ম্যাক্রোইকোনমিক আউটলুক’ বিষয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এ ছাড়া, সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের অফসাইট সুপারভিশন বিভাগের কর্মকর্তারা ‘রিস্ক ম্যানেজমেন্ট ইন ব্যাংকস: রেগুলেটরি পার্সপেক্টিভ’ শীর্ষক একটি সেশন পরিচালনা করেন।
অ্যানুয়াল রিস্ক কনফারেন্স সম্পর্কে মন্তব্য করে ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারপারসন মেহেরিয়ার এম হাসান বলেন, ‘দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যাংকগুলোকে প্রায়ই বিভিন্ন ঝুঁকির মুখোমুখি হতে হয়। এই ঝুঁকিগুলো দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলা করতে আমাদের সহকর্মীদের অবশ্যই ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। আমরা বিশ্বাস করি, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কিত জ্ঞান বাড়াতে এ ধরনের নলেজ-শেয়ারিং সেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এই সম্মেলনটি বিশেষভাবে আমাদের ফ্রন্টলাইন সহকর্মীদের জন্য আয়োজন করেছি।’
সম্মেলন নিয়ে ব্র্যাক ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালক এবং বোর্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারপারসন সালেক আহমেদ আবুল মাসরুর বলেন, একটি মূল্যবোধভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংক প্রতিষ্ঠানে সুশাসন নিশ্চিত করতে সহকর্মীদের রিস্ক ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে দক্ষ করে গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে ধারাবাহিক নীতিগত সহায়তা ও দিকনির্দেশনার জন্য আমরা বাংলাদেশ ব্যাংককে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় সহকর্মীদের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে আমরা এ ধরনের নলেজ-শেয়ারিং সেশনের আয়োজন অব্যাহত রাখব।

সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল—রাষ্ট্রায়ত্ত এই ৬ ব্যাংকের ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা আর হিসাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই; যা এই ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
১৪ ঘণ্টা আগে
মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ বাস্তবতাই এবার আসন্ন মুদ্রানীতির মূল সুর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের পর নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আপাতত নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না।
১৪ ঘণ্টা আগে
উন্নয়ন বিবেচনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো আঞ্চলিক প্রতিযোগী পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় দুই থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময় পিছিয়ে আছে বলে মনে করছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী ২০২৬ দিগন্ত...
১৪ ঘণ্টা আগে
অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) শেয়ার হঠাৎ করেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। দীর্ঘদিন দরপতনের পর এক টাকার নিচে নেমে যাওয়া এসব শেয়ার আজ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ সার্কিট ব্রেকারে ঠেকে যায়। এতে প্রশ্ন উঠেছে, আর্থিকভাবে দেউলিয়া
১৮ ঘণ্টা আগে