নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিদায়ী সপ্তাহে লেনদেন হওয়া পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে চার দিনই পুঁজিবাজারে দাম বাড়ার চেয়ে কমার তালিকায় ছিল বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান। এতে করে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহটিতে কমেছে মূল্যসূচক ও লেনদেনের পরিমাণ। তবে এরপরও বেড়েছে বাজার মূলধন।
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি পুঁজিবাজারের পঞ্চম সপ্তাহ। এই সরকারের অধীনে লেনদেন হওয়া পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে চার সপ্তাহেই পুঁজিবাজারে দরপতন হয়েছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পুঁজিবাজারে উল্লম্ফন হলেও নতুন অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম দুই সপ্তাহ বড় দরপতন হয়। তবে তৃতীয় সপ্তাহে এসে বাজার ঊর্ধ্বমুখী হয়; কিন্তু চতুর্থ সপ্তাহে আবার দরপতন হয়। পঞ্চম সপ্তাহেও দাম কমার তালিকা বড় হয়েছে।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১০৭টির স্থান হয়েছে দাম বাড়ার তালিকায়, বিপরীতে কমেছে ২৭১টির, আর ১৮টির অপরিবর্তিত রয়েছে। অর্থাৎ দাম বাড়ার তুলনায় দাম কমার তালিকায় আড়াই গুণ বেশি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
এর প্রভাবে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স গত সপ্তাহে কমেছে ২ দশমিক ১৩ পয়েন্ট বা দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমে ৭৫ পয়েন্ট এবং তারও আগের সপ্তাহে বাড়ে ১০৪ পয়েন্ট। আর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম দুই সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক কমে ২০৩ পয়েন্ট এবং ২০ পয়েন্ট। অর্থাৎ, অন্তর্বর্তী সরকারের পাঁচ সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক কমেছে ১৯৬ পয়েন্ট।
এরপরও গত সপ্তাহ ডিএসইর বাজার মূলধন ৮৯৮ কোটি টাকা বা দশমিক ১৩ শতাংশ বেড়েছে। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯৩ হাজার ৩২৯ কোটি টাকা, যা আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৬ লাখ ৯২ হাজার ৪৩১ কোটি টাকা। আগের সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন কমে ৭ হাজার ১৫০ কোটি টাকা বা ১ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ।

বিদায়ী সপ্তাহে লেনদেন হওয়া পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে চার দিনই পুঁজিবাজারে দাম বাড়ার চেয়ে কমার তালিকায় ছিল বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান। এতে করে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহটিতে কমেছে মূল্যসূচক ও লেনদেনের পরিমাণ। তবে এরপরও বেড়েছে বাজার মূলধন।
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি পুঁজিবাজারের পঞ্চম সপ্তাহ। এই সরকারের অধীনে লেনদেন হওয়া পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে চার সপ্তাহেই পুঁজিবাজারে দরপতন হয়েছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পুঁজিবাজারে উল্লম্ফন হলেও নতুন অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম দুই সপ্তাহ বড় দরপতন হয়। তবে তৃতীয় সপ্তাহে এসে বাজার ঊর্ধ্বমুখী হয়; কিন্তু চতুর্থ সপ্তাহে আবার দরপতন হয়। পঞ্চম সপ্তাহেও দাম কমার তালিকা বড় হয়েছে।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১০৭টির স্থান হয়েছে দাম বাড়ার তালিকায়, বিপরীতে কমেছে ২৭১টির, আর ১৮টির অপরিবর্তিত রয়েছে। অর্থাৎ দাম বাড়ার তুলনায় দাম কমার তালিকায় আড়াই গুণ বেশি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
এর প্রভাবে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স গত সপ্তাহে কমেছে ২ দশমিক ১৩ পয়েন্ট বা দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমে ৭৫ পয়েন্ট এবং তারও আগের সপ্তাহে বাড়ে ১০৪ পয়েন্ট। আর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম দুই সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক কমে ২০৩ পয়েন্ট এবং ২০ পয়েন্ট। অর্থাৎ, অন্তর্বর্তী সরকারের পাঁচ সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক কমেছে ১৯৬ পয়েন্ট।
এরপরও গত সপ্তাহ ডিএসইর বাজার মূলধন ৮৯৮ কোটি টাকা বা দশমিক ১৩ শতাংশ বেড়েছে। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯৩ হাজার ৩২৯ কোটি টাকা, যা আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৬ লাখ ৯২ হাজার ৪৩১ কোটি টাকা। আগের সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন কমে ৭ হাজার ১৫০ কোটি টাকা বা ১ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ।

আবুল কালাম বলেন, ‘নতুন কমিশন দায়িত্ব নিয়েই পুঁজিবাজারে ভালো কোম্পানি আনতে উদ্যোগ নেয়। কিন্তু ইস্যুয়ার কোম্পানি ও ইস্যু ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে কথা বলে আমরা জানতে পারি, এখানে ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে প্রাইসিংসহ আরও কয়েকটি সমস্যা বিদ্যমান। পরে টাস্কফোর্সের পরামর্শ ও সুপারিশ অনুযায়ী আইপিও
১ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সাল জুড়ে একের পর শুল্ক আরোপ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই শুল্কের আঘাত সয়ে নিয়েই চীন রেকর্ড বাণিজ্য করে দেখাল। আজ বুধবার রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে শক্তিশালী রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে চীন। গত বছর দেশটির বাণিজ্য উদ্বৃত্ত প্রায় ১.২ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা
৪ ঘণ্টা আগে
নতুন বিধিমালায় অধিক্ষেত্র সংযোজনের সুযোগ রাখা হয়েছে। এর ফলে লাইসেন্সধারী সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা অন্য যে কোনো সচল কাস্টমস স্টেশনে ক্লিয়ারিং ও ফরোয়ার্ডিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের বিভিন্ন রুটে দূরপাল্লার যাত্রী পরিবহন ছিল আলোচিত ও বিতর্কিত এস আলম গ্রুপের অন্যতম বড় ব্যবসা। পুরোনো সেই তথ্যের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নতুন একটি আর্থিক জটিলতা। গ্রুপটি সংকটে পড়ার ঠিক এক বছর আগে, আগের প্রায় ২০০টি বাসের সঙ্গে আরও ১৩৪টি বিলাসবহুল হিনো বাস নামানোর পরিকল্পনায় বড় অঙ্কের বিনিয়োগ...
১৩ ঘণ্টা আগে