আজকের পত্রিকা ডেস্ক

পুঁজিবাজার নিয়ে যে কোনো ধরনের অসত্য তথ্য বা গুজব ছড়ালে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আবারও সতর্ক করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
আজ বৃহস্পতিবার নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিমের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের পুঁজিবাজার ও অর্থনীতিকে অস্থিতিশীল করতে সাম্প্রতিক সময়ে ইচ্ছাকৃতভাবে বিভিন্ন ধরণের মিথ্যা তথ্য ও গুজব ছাড়ানোর অপচেষ্টা চলছে, যা বিএসইসির দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে প্রকাশিত ও প্রচারিত এসব ভিত্তিহীন গুজব ও অসত্য তথ্য প্রকৃতপক্ষে সঠিক নয় এবং সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
বিএসইসি জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সাইবার ও অনলাইন পরিসরে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অপ্রকাশিত তথ্য (আনডিসক্লোসড ইনফরমেশন) প্রকাশ, শেয়ারদরের পূর্বাভাস কিংবা ভবিষ্যদ্ববাণীসহ (প্রাইস ফোরকাস্টিং অর প্রেডিকশন) যে কোনো ধরনের অসত্য তথ্য ও গুজব ছড়ানো আইনত শাস্তিযোগ্য অপরাধ। পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট সকলকে এ ধরনের গুজব ও অসত্য তথ্য প্রকাশ কিংবা প্রচার থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
বিএসইসি আরও জানিয়েছে, গবেষণা ও বিশ্লেষণ লব্ধ তথ্য উপাত্তে ছাড়া ও যথাযথ বিশ্লেষণ না করে পুঁজিবাজারের সম্পর্কে ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার বা প্রকাশ থেকে সকলকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া যাচ্ছে। অন্যথায় এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র রেজাউল করিম বলেন, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (রিসার্চ অ্যানালাইসিস) রুলস, ২০১৩—এর অধীনে শুধুমাত্র একজন রিসার্চ অ্যানালিস্টই পুঁজিবাজারের বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা ও অ্যানালাইসিসের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পূর্বাভাস কিংবা ভবিষ্যদ্ববাণী করতে পারেন। রিসার্চ অ্যানালিস্ট ব্যতীত অন্য কেউ যদি এ ধরনের তথ্য প্রচার করেন বা পূর্বাভাস দেন, তাহলে এর মাধ্যমে আইনের ব্যত্যয় ঘটবে।
বিএসইসি বলছে, উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ভিত্তিহীন গুজব ও অসত্য তথ্য ছড়ানো ব্যক্তিদের এই মর্মে সতর্ক করা যাচ্ছে যে, যারা গুজব বা অসত্য তথ্য প্রকাশ বা প্রচারে জড়িত রয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক আইনের আওতায় আনা হবে। যে বা যারা পুঁজিবাজারের বিভিন্ন বিষয়ে ভিত্তিহীন গুজব ও অসত্য তথ্য ছাড়াচ্ছে কিংবা বাজার সম্পর্কে ভিত্তিহীন পূর্বাভাস প্রচারের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে, তাদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। দ্রুতই তাদের বিরুদ্ধে বিএসইসি কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। দেশের পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীগণকে এধরণের গুজব বা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

পুঁজিবাজার নিয়ে যে কোনো ধরনের অসত্য তথ্য বা গুজব ছড়ালে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আবারও সতর্ক করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
আজ বৃহস্পতিবার নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিমের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের পুঁজিবাজার ও অর্থনীতিকে অস্থিতিশীল করতে সাম্প্রতিক সময়ে ইচ্ছাকৃতভাবে বিভিন্ন ধরণের মিথ্যা তথ্য ও গুজব ছাড়ানোর অপচেষ্টা চলছে, যা বিএসইসির দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে প্রকাশিত ও প্রচারিত এসব ভিত্তিহীন গুজব ও অসত্য তথ্য প্রকৃতপক্ষে সঠিক নয় এবং সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
বিএসইসি জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সাইবার ও অনলাইন পরিসরে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অপ্রকাশিত তথ্য (আনডিসক্লোসড ইনফরমেশন) প্রকাশ, শেয়ারদরের পূর্বাভাস কিংবা ভবিষ্যদ্ববাণীসহ (প্রাইস ফোরকাস্টিং অর প্রেডিকশন) যে কোনো ধরনের অসত্য তথ্য ও গুজব ছড়ানো আইনত শাস্তিযোগ্য অপরাধ। পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট সকলকে এ ধরনের গুজব ও অসত্য তথ্য প্রকাশ কিংবা প্রচার থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
বিএসইসি আরও জানিয়েছে, গবেষণা ও বিশ্লেষণ লব্ধ তথ্য উপাত্তে ছাড়া ও যথাযথ বিশ্লেষণ না করে পুঁজিবাজারের সম্পর্কে ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার বা প্রকাশ থেকে সকলকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া যাচ্ছে। অন্যথায় এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র রেজাউল করিম বলেন, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (রিসার্চ অ্যানালাইসিস) রুলস, ২০১৩—এর অধীনে শুধুমাত্র একজন রিসার্চ অ্যানালিস্টই পুঁজিবাজারের বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা ও অ্যানালাইসিসের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পূর্বাভাস কিংবা ভবিষ্যদ্ববাণী করতে পারেন। রিসার্চ অ্যানালিস্ট ব্যতীত অন্য কেউ যদি এ ধরনের তথ্য প্রচার করেন বা পূর্বাভাস দেন, তাহলে এর মাধ্যমে আইনের ব্যত্যয় ঘটবে।
বিএসইসি বলছে, উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ভিত্তিহীন গুজব ও অসত্য তথ্য ছড়ানো ব্যক্তিদের এই মর্মে সতর্ক করা যাচ্ছে যে, যারা গুজব বা অসত্য তথ্য প্রকাশ বা প্রচারে জড়িত রয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক আইনের আওতায় আনা হবে। যে বা যারা পুঁজিবাজারের বিভিন্ন বিষয়ে ভিত্তিহীন গুজব ও অসত্য তথ্য ছাড়াচ্ছে কিংবা বাজার সম্পর্কে ভিত্তিহীন পূর্বাভাস প্রচারের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে, তাদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। দ্রুতই তাদের বিরুদ্ধে বিএসইসি কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। দেশের পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীগণকে এধরণের গুজব বা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল—রাষ্ট্রায়ত্ত এই ৬ ব্যাংকের ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা আর হিসাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই; যা এই ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
৮ ঘণ্টা আগে
মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ বাস্তবতাই এবার আসন্ন মুদ্রানীতির মূল সুর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের পর নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আপাতত নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না।
৮ ঘণ্টা আগে
উন্নয়ন বিবেচনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো আঞ্চলিক প্রতিযোগী পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় দুই থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময় পিছিয়ে আছে বলে মনে করছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী ২০২৬ দিগন্ত...
৮ ঘণ্টা আগে
অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) শেয়ার হঠাৎ করেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। দীর্ঘদিন দরপতনের পর এক টাকার নিচে নেমে যাওয়া এসব শেয়ার আজ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ সার্কিট ব্রেকারে ঠেকে যায়। এতে প্রশ্ন উঠেছে, আর্থিকভাবে দেউলিয়া
১২ ঘণ্টা আগে