আজকের পত্রিকা ডেস্ক

সপ্তাহের তৃতীয় কর্মদিবসে আজ মঙ্গলবার ফের দরপতন হয়েছে দেশের পুঁজিবাজারে। দেখা দিয়েছে লেনদেন খরা। এমতাবস্থায় আরও একবার পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবিতে রাস্তায় নামতে দেখা গেছে কিছু বিনিয়োগকারীকে।
এদিন পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু হয় বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে শুরুতে সূচকের ঊর্ধ্বমুখিতার দেখা মেলে। বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ায় একপর্যায়ে ডিএসইর প্রধান সূচক ২৫ পয়েন্ট বেড়ে যায়। তবে প্রথম ৪০ মিনিটের লেনদেন শেষ হতেই বাজারের চিত্র বদলে যায়। দাম বাড়ার তালিকা থেকে একের পর এক প্রতিষ্ঠান দাম কমার তালিকায় চলে আসে। লেনদেনের শেষ পর্যন্ত বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের দাম কমার প্রবণতা অব্যাহত থাকে। ফলে একদিকে দাম কমার তালিকা বড় হয়, অন্যদিকে প্রধান মূল্যসূচক কমেই দিনের লেনদেন শেষ হয়।
দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া সিকিউরিটিজের মধ্যে দাম বেড়েছে ১৫০ টির, কমেছে ১৫৯ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৮৬ টির দাম। এতে প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ১ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ১৬৯ পয়েন্টে নেমে গেছে।
বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ২৭৫ কোটি ৭৬ লাখ টাকা, যা আগের দিনে ছিল ৩০৩ কোটি ২৭ লাখ টাকা। সে হিসাবে লেনদেন কমেছে ২৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা।
গত ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার পর এত কম লেনদেন আর হয়নি। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। হাসিনা সরকারের পতনের আগের দিন ডিএসইতে লেনদেন হয় ২০৭ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। এরপর এটিই সব থেকে কম লেনদেন।
অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই বেড়েছে ৩৪ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৯৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ৮৫ টির, কমেছে ৭৬ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩৬ টির দাম। লেনদেন হয়েছে ১৩৯ কোটি ২০ লাখ টাকা, যা আগের দিনে ছিল ১২৪ কোটি ২৬ লাখ টাকা।
এদিকে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের পদত্যাগের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বিনিয়োগকারীরা। এদিন দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিএসইসি ভবনের সামনে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের ব্যানারে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধন বিনিয়োগকারীরা বলেন, শেয়ারবাজারের ধারাবাহিক দরপতন অব্যাহত রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গেছে। এখন বিনিয়োগকারীদের একটাই দাবি, বিএসইসির চেয়ারম্যানের পদত্যাগ।
পদত্যাগ দাবির কারণ হিসেবে বিনিয়োগকারীরা বলেন, তিনি বিএসইসির চেয়ারম্যান হওয়ার যোগ্য নন। তাঁর শেয়ারবাজার নিয়ে জ্ঞান শূন্য। বর্তমান সরকার কীভাবে তাঁর মতো মেধাহীন লোককে বিএসইসিতে বসাল, তা আমাদের বোধগম্য নয়।

সপ্তাহের তৃতীয় কর্মদিবসে আজ মঙ্গলবার ফের দরপতন হয়েছে দেশের পুঁজিবাজারে। দেখা দিয়েছে লেনদেন খরা। এমতাবস্থায় আরও একবার পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবিতে রাস্তায় নামতে দেখা গেছে কিছু বিনিয়োগকারীকে।
এদিন পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু হয় বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে শুরুতে সূচকের ঊর্ধ্বমুখিতার দেখা মেলে। বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ায় একপর্যায়ে ডিএসইর প্রধান সূচক ২৫ পয়েন্ট বেড়ে যায়। তবে প্রথম ৪০ মিনিটের লেনদেন শেষ হতেই বাজারের চিত্র বদলে যায়। দাম বাড়ার তালিকা থেকে একের পর এক প্রতিষ্ঠান দাম কমার তালিকায় চলে আসে। লেনদেনের শেষ পর্যন্ত বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের দাম কমার প্রবণতা অব্যাহত থাকে। ফলে একদিকে দাম কমার তালিকা বড় হয়, অন্যদিকে প্রধান মূল্যসূচক কমেই দিনের লেনদেন শেষ হয়।
দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া সিকিউরিটিজের মধ্যে দাম বেড়েছে ১৫০ টির, কমেছে ১৫৯ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৮৬ টির দাম। এতে প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ১ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ১৬৯ পয়েন্টে নেমে গেছে।
বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ২৭৫ কোটি ৭৬ লাখ টাকা, যা আগের দিনে ছিল ৩০৩ কোটি ২৭ লাখ টাকা। সে হিসাবে লেনদেন কমেছে ২৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা।
গত ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার পর এত কম লেনদেন আর হয়নি। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। হাসিনা সরকারের পতনের আগের দিন ডিএসইতে লেনদেন হয় ২০৭ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। এরপর এটিই সব থেকে কম লেনদেন।
অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই বেড়েছে ৩৪ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৯৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ৮৫ টির, কমেছে ৭৬ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩৬ টির দাম। লেনদেন হয়েছে ১৩৯ কোটি ২০ লাখ টাকা, যা আগের দিনে ছিল ১২৪ কোটি ২৬ লাখ টাকা।
এদিকে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের পদত্যাগের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বিনিয়োগকারীরা। এদিন দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিএসইসি ভবনের সামনে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের ব্যানারে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধন বিনিয়োগকারীরা বলেন, শেয়ারবাজারের ধারাবাহিক দরপতন অব্যাহত রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গেছে। এখন বিনিয়োগকারীদের একটাই দাবি, বিএসইসির চেয়ারম্যানের পদত্যাগ।
পদত্যাগ দাবির কারণ হিসেবে বিনিয়োগকারীরা বলেন, তিনি বিএসইসির চেয়ারম্যান হওয়ার যোগ্য নন। তাঁর শেয়ারবাজার নিয়ে জ্ঞান শূন্য। বর্তমান সরকার কীভাবে তাঁর মতো মেধাহীন লোককে বিএসইসিতে বসাল, তা আমাদের বোধগম্য নয়।

সরকারিভাবে দাম বাড়ানোর পরও রাজধানীসহ দেশে বেসরকারি খাতের এলপিজি বাজারে নৈরাজ্য বন্ধ হয়নি। সরকার-নির্ধারিত দামের চেয়ে ৫০০-৭০০ টাকা বেশি দামে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে গ্রাহকদের। বরং দাম বাড়ানোর পর সরবরাহব্যবস্থার সংকট আরও বেড়েছে। অনেকেই দোকানে গিয়ে গ্যাস পাচ্ছেন না।
১ ঘণ্টা আগে
পুঁজিবাজারের গভীরতা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে লাভজনক রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান (এসওই) ও সরকারি অংশীদারিত্ব থাকা বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর (এমএনসি) শেয়ার পুঁজিবাজারে আনার বিষয়ে সম্মতি দিয়েছে সরকার। লাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানকে সরাসরি তালিকাভুক্তির মাধ্যমে বাজারে আনা
৫ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালের শেষ মাস ডিসেম্বরে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমে সম্প্রসারণের গতি আগের মাস নভেম্বরের তুলনায় সামান্য বেড়েছে। যদিও এই গতি খুব শক্তিশালী নয়, তবু রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ব্যবসায়িক চাপের মধ্যেও অর্থনীতি যে এখনো সম্প্রসারণের ধারায় রয়েছে, তা সাম্প্রতিক পারচেজিং ম্যানেজার্স ইনডেক্স (পিএমআই)
৭ ঘণ্টা আগে
লাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান এবং সরকারের শেয়ার থাকা বহুজাতিক কোম্পানি পুঁজিবাজারে আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রাথমিকভাবে ১০টি কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে কোম্পানিগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
৯ ঘণ্টা আগে