নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

পুঁজিবাজারে ধারাবাহিক দরপতনের জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের নেতৃত্বাধীন কমিশনের ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন বিনিয়োগকারীরা। তাঁদের অভিযোগ, কমিশনের অদক্ষতার কারণে বাজারে ব্যাপক পতন ঘটেছে, যেখানে প্রায় ৯০ শতাংশ বিনিয়োগকারী তাদের পুঁজি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন। এ অবস্থায় বর্তমান কমিশনের অপসারণ দাবি করেছেন তাঁরা।
গতকাল রাজধানীর পল্টনে ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরামের (সিএমজেএফ) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট ইনভেস্টর অ্যাসোসিয়েশনের (বিসিএমআইএ) নেতারা এ দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিসিএমআইএর সভাপতি এস এম ইকবাল হোসেন, সংগঠনের সিনিয়র সহসভাপতি কাজী মোহাম্মদ নজরুল, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম মানিক এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল্লাহ আল ফয়সাল।
বিসিএমআইএ সভাপতি বলেন, খন্দকার রাশেদ মাকসুদ দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দেশের পুঁজিবাজার টানা পতনের দিকে যাচ্ছে। এ সময়ে বাজার মূলধন কমেছে প্রায় ৯০ হাজার কোটি টাকা এবং সূচক কমেছে ১ হাজার ১০০ পয়েন্টের বেশি। এতে অধিকাংশ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী নিঃস্ব হয়েছেন।
এনসিপি নেতা আবদুল্লাহ আল ফয়সাল বলেন, ‘আপনি শেয়ারবাজারের জন্য কী কাজ করছেন, তার ব্যাখ্যা দিতে হবে। অন্যথায় আপনার অপসারণ এখনই চাইব। আপনাকে মনে রাখতে হবে, আপনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বিএসইসির চেয়ারম্যান হয়েছেন।’

পুঁজিবাজারে ধারাবাহিক দরপতনের জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের নেতৃত্বাধীন কমিশনের ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন বিনিয়োগকারীরা। তাঁদের অভিযোগ, কমিশনের অদক্ষতার কারণে বাজারে ব্যাপক পতন ঘটেছে, যেখানে প্রায় ৯০ শতাংশ বিনিয়োগকারী তাদের পুঁজি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন। এ অবস্থায় বর্তমান কমিশনের অপসারণ দাবি করেছেন তাঁরা।
গতকাল রাজধানীর পল্টনে ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরামের (সিএমজেএফ) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট ইনভেস্টর অ্যাসোসিয়েশনের (বিসিএমআইএ) নেতারা এ দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিসিএমআইএর সভাপতি এস এম ইকবাল হোসেন, সংগঠনের সিনিয়র সহসভাপতি কাজী মোহাম্মদ নজরুল, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম মানিক এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল্লাহ আল ফয়সাল।
বিসিএমআইএ সভাপতি বলেন, খন্দকার রাশেদ মাকসুদ দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দেশের পুঁজিবাজার টানা পতনের দিকে যাচ্ছে। এ সময়ে বাজার মূলধন কমেছে প্রায় ৯০ হাজার কোটি টাকা এবং সূচক কমেছে ১ হাজার ১০০ পয়েন্টের বেশি। এতে অধিকাংশ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী নিঃস্ব হয়েছেন।
এনসিপি নেতা আবদুল্লাহ আল ফয়সাল বলেন, ‘আপনি শেয়ারবাজারের জন্য কী কাজ করছেন, তার ব্যাখ্যা দিতে হবে। অন্যথায় আপনার অপসারণ এখনই চাইব। আপনাকে মনে রাখতে হবে, আপনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বিএসইসির চেয়ারম্যান হয়েছেন।’

সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল—রাষ্ট্রায়ত্ত এই ৬ ব্যাংকের ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা আর হিসাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই; যা এই ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
৭ ঘণ্টা আগে
মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ বাস্তবতাই এবার আসন্ন মুদ্রানীতির মূল সুর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের পর নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আপাতত নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না।
৮ ঘণ্টা আগে
উন্নয়ন বিবেচনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো আঞ্চলিক প্রতিযোগী পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় দুই থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময় পিছিয়ে আছে বলে মনে করছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী ২০২৬ দিগন্ত...
৮ ঘণ্টা আগে
অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) শেয়ার হঠাৎ করেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। দীর্ঘদিন দরপতনের পর এক টাকার নিচে নেমে যাওয়া এসব শেয়ার আজ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ সার্কিট ব্রেকারে ঠেকে যায়। এতে প্রশ্ন উঠেছে, আর্থিকভাবে দেউলিয়া
১২ ঘণ্টা আগে