নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশের সাপ্লাই চেইন লজিস্টিক (পরিবহন, ওয়্যারহাউজ, বন্দর ইত্যাদি) ব্যয় মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১৫ দশমিক ৬০ শতাংশ। যা ২০২৫ সাল নাগাদ ১৪ দশমিক ২০ শতাংশে নিয়ে আসতে চায় সরকার। লজিস্টিক খরচ আরও ১ দশমিক ৪০ শতাংশ কমিয়ে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে কাজ করবে দেশের সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট প্রফেশনালেরা।
শনিবার (১ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর রাওয়া কনভেনশন হলে ‘জাতীয় অর্থনীতি ও সরকারি খাতে সাপ্লাই চেইন প্রফেশনালদের অবদান’ শীর্ষক সেশনে এমনটা জানানো হয়।
সাপ্লাই চেইন অ্যালামনাই সোসাইটির (এসএএস) উদ্যোগে আয়োজিত সেশনে সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট নিয়ে কাজ করা প্রফেশনালদের ৮টি সংগঠনের সদস্যরা অংশ নেন।
একটি পণ্যের প্রাথমিক উৎস থেকে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোক্তা পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়াই হলো সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট। তবে আধুনিককালে শুধু সরবরাহ নয়, পণ্যের মান এবং প্রতিশ্রুত সময় রক্ষা করা পণ্য সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। এমনকি বিক্রয় পরবর্তী সেবাও সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্টের অন্তর্ভুক্ত।
সাপ্লাই চেইন অ্যালামনাই সোসাইটির (এসএএস) সভাপতি সৈয়দ আসগর আলী বলেন, ‘আমাদের লজিস্টিক ব্যয় জিডিপির ১৫ দশমিক ৬০ শতাংশ, যা অন্য দেশের তুলনা অনেক বেশি। ভারতে এই ব্যয় ১৩ শতাংশ, জার্মানিতে ৮ দশমিক ১০ শতাংশ।’
তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় অদক্ষতার কারণে এই ব্যয় বেশি। আরও অনেক সমস্যা রয়েছে। তারপরও আমাদের কাজ করতে হবে। অনেক ল্যান্ড–ব্লক দেশ রয়েছে। কিন্তু তাদেরও সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট কাজ করে। আমাদের সেরকম সমস্যা নেই, কোনো ল্যান্ড-ব্লক নেই।’
লক্ষ্য অর্জনে সরকারি ও বেসরকারি খাতের যৌথ অবদানের ওপর গুরুত্বারোপ করে আসগর আলী বলেন, ‘আমরাও কাজ করতে চাই। সরকার একা করলেই হবে না। আবার শুধু লজিস্টিক অবকাঠামো করলেই হবে না, সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করতে হবে। এর সঙ্গে জনগণকেও শিক্ষিত ও দক্ষ করে তুলতে হবে।’
আলোচনা সেশনে বক্তব্য দেন— বাংলাদেশ সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট সোসাইটি (বিএসসিএমএস) সভাপতি ও সঙ্গীতজ্ঞ নকিব খান, সহ-সভাপতি এজাজুর রহমান, চার্টার্ড ইনস্টিটিউট অফ প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড সাপ্লাই (সিআইপিএস) সভাপতি ওয়াসিম জাব্বার, আইএসসিইএ বাংলাদেশ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়োশন (আইবিএএ) সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন, গ্লোবাল সোসাইটি ফর সাপ্লাই চেইন প্রফেশনালস (জিএসএসসিপি) সভাপতি সুরাজিত মুখার্জি, সাপ্লাই-সাইড প্ল্যাটফর্ম (এসএসপি) সভাপতি গোলাম মোর্শেদ এবং সাপ্লাই চেইন অ্যাসিসটেন্স (এসসিএ) সভাপতি নাফিজ ইমতিয়াজ কৌশিক।

দেশের সাপ্লাই চেইন লজিস্টিক (পরিবহন, ওয়্যারহাউজ, বন্দর ইত্যাদি) ব্যয় মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১৫ দশমিক ৬০ শতাংশ। যা ২০২৫ সাল নাগাদ ১৪ দশমিক ২০ শতাংশে নিয়ে আসতে চায় সরকার। লজিস্টিক খরচ আরও ১ দশমিক ৪০ শতাংশ কমিয়ে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে কাজ করবে দেশের সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট প্রফেশনালেরা।
শনিবার (১ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর রাওয়া কনভেনশন হলে ‘জাতীয় অর্থনীতি ও সরকারি খাতে সাপ্লাই চেইন প্রফেশনালদের অবদান’ শীর্ষক সেশনে এমনটা জানানো হয়।
সাপ্লাই চেইন অ্যালামনাই সোসাইটির (এসএএস) উদ্যোগে আয়োজিত সেশনে সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট নিয়ে কাজ করা প্রফেশনালদের ৮টি সংগঠনের সদস্যরা অংশ নেন।
একটি পণ্যের প্রাথমিক উৎস থেকে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোক্তা পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়াই হলো সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট। তবে আধুনিককালে শুধু সরবরাহ নয়, পণ্যের মান এবং প্রতিশ্রুত সময় রক্ষা করা পণ্য সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। এমনকি বিক্রয় পরবর্তী সেবাও সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্টের অন্তর্ভুক্ত।
সাপ্লাই চেইন অ্যালামনাই সোসাইটির (এসএএস) সভাপতি সৈয়দ আসগর আলী বলেন, ‘আমাদের লজিস্টিক ব্যয় জিডিপির ১৫ দশমিক ৬০ শতাংশ, যা অন্য দেশের তুলনা অনেক বেশি। ভারতে এই ব্যয় ১৩ শতাংশ, জার্মানিতে ৮ দশমিক ১০ শতাংশ।’
তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় অদক্ষতার কারণে এই ব্যয় বেশি। আরও অনেক সমস্যা রয়েছে। তারপরও আমাদের কাজ করতে হবে। অনেক ল্যান্ড–ব্লক দেশ রয়েছে। কিন্তু তাদেরও সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট কাজ করে। আমাদের সেরকম সমস্যা নেই, কোনো ল্যান্ড-ব্লক নেই।’
লক্ষ্য অর্জনে সরকারি ও বেসরকারি খাতের যৌথ অবদানের ওপর গুরুত্বারোপ করে আসগর আলী বলেন, ‘আমরাও কাজ করতে চাই। সরকার একা করলেই হবে না। আবার শুধু লজিস্টিক অবকাঠামো করলেই হবে না, সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করতে হবে। এর সঙ্গে জনগণকেও শিক্ষিত ও দক্ষ করে তুলতে হবে।’
আলোচনা সেশনে বক্তব্য দেন— বাংলাদেশ সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট সোসাইটি (বিএসসিএমএস) সভাপতি ও সঙ্গীতজ্ঞ নকিব খান, সহ-সভাপতি এজাজুর রহমান, চার্টার্ড ইনস্টিটিউট অফ প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড সাপ্লাই (সিআইপিএস) সভাপতি ওয়াসিম জাব্বার, আইএসসিইএ বাংলাদেশ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়োশন (আইবিএএ) সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন, গ্লোবাল সোসাইটি ফর সাপ্লাই চেইন প্রফেশনালস (জিএসএসসিপি) সভাপতি সুরাজিত মুখার্জি, সাপ্লাই-সাইড প্ল্যাটফর্ম (এসএসপি) সভাপতি গোলাম মোর্শেদ এবং সাপ্লাই চেইন অ্যাসিসটেন্স (এসসিএ) সভাপতি নাফিজ ইমতিয়াজ কৌশিক।

সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল—রাষ্ট্রায়ত্ত এই ৬ ব্যাংকের ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা আর হিসাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই; যা এই ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
৯ ঘণ্টা আগে
মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ বাস্তবতাই এবার আসন্ন মুদ্রানীতির মূল সুর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের পর নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আপাতত নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না।
৯ ঘণ্টা আগে
উন্নয়ন বিবেচনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো আঞ্চলিক প্রতিযোগী পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় দুই থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময় পিছিয়ে আছে বলে মনে করছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী ২০২৬ দিগন্ত...
৯ ঘণ্টা আগে
অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) শেয়ার হঠাৎ করেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। দীর্ঘদিন দরপতনের পর এক টাকার নিচে নেমে যাওয়া এসব শেয়ার আজ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ সার্কিট ব্রেকারে ঠেকে যায়। এতে প্রশ্ন উঠেছে, আর্থিকভাবে দেউলিয়া
১৩ ঘণ্টা আগে