এএফপি, ওয়াশিংটন

ইউক্রেনকে আরও ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার অর্থছাড়ের অনুমোদন দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। চলমান ঋণ কর্মসূচির আওতায় দেশটির বাজেট সহায়তার অংশ হিসেবে এ ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়।
এই অনুমোদন এমন এক সময়ে এসেছে, যখন রাশিয়ার অব্যাহত হামলার বিরুদ্ধে লড়াই করছে ইউক্রেন। মাত্র এক মাস আগে আইএমএফের কর্মীরা ১৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যের চার বছরব্যাপী কর্মসূচির ষষ্ঠ পর্যালোচনা সম্পন্ন করেছেন।
আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা এক বিবৃতিতে বলেন, রাশিয়ার যুদ্ধ ইউক্রেনের ওপর ভয়াবহ সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব ফেলছে। যুদ্ধের মধ্যেও ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষের দক্ষ নীতিনির্ধারণ ও উল্লেখযোগ্য বৈদেশিক সহায়তার কারণে দেশটির সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে।
আইএমএফের তথ্য অনুযায়ী, এ কর্মসূচির অধীনে অর্থছাড়ের পর গত বছরের মার্চে চুক্তি সই হওয়ার পর থেকে ৯ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার পেয়েছে ইউক্রেন।
ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী ডেনিস শ্যামিহাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে বলেন, ‘আমাদের দেশের এই কঠিন সময়ে ধারাবাহিক সহায়তার জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞ।’
গত শুক্রবার আইএমএফ বোর্ডের অনুমোদন পাওয়া অর্থ ২০ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব গ্রহণের আগেই পাবে ইউক্রেন। ট্রাম্প ইতিমধ্যে ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য মার্কিন ব্যয়ের তীব্র সমালোচনা করেছেন এবং দ্রুত সংঘাত সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এর ফলে মার্কিন মিত্রদের মধ্যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, ইউক্রেন হয়তো রাশিয়ার কাছে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূখণ্ড ছাড়তে বাধ্য হবে।
আইএমএফের প্রধান জর্জিয়েভা বলেন, ইউক্রেনের অর্থনীতি স্থিতিশীল রয়েছে, যদিও অবকাঠামোর ওপর হামলা ও শ্রমবাজার-সংকটের মতো বাধা রয়েছে। ঝুঁকিগুলো এখনো প্রধানত নেতিবাচক দিকে ঝুঁকে আছে। যদি ঝুঁকিগুলো বাস্তবায়িত হয়, তবে যথাযথ নীতিগত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রস্তুতি ও বিকল্প পরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি।

ইউক্রেনকে আরও ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার অর্থছাড়ের অনুমোদন দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। চলমান ঋণ কর্মসূচির আওতায় দেশটির বাজেট সহায়তার অংশ হিসেবে এ ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়।
এই অনুমোদন এমন এক সময়ে এসেছে, যখন রাশিয়ার অব্যাহত হামলার বিরুদ্ধে লড়াই করছে ইউক্রেন। মাত্র এক মাস আগে আইএমএফের কর্মীরা ১৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যের চার বছরব্যাপী কর্মসূচির ষষ্ঠ পর্যালোচনা সম্পন্ন করেছেন।
আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা এক বিবৃতিতে বলেন, রাশিয়ার যুদ্ধ ইউক্রেনের ওপর ভয়াবহ সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব ফেলছে। যুদ্ধের মধ্যেও ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষের দক্ষ নীতিনির্ধারণ ও উল্লেখযোগ্য বৈদেশিক সহায়তার কারণে দেশটির সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে।
আইএমএফের তথ্য অনুযায়ী, এ কর্মসূচির অধীনে অর্থছাড়ের পর গত বছরের মার্চে চুক্তি সই হওয়ার পর থেকে ৯ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার পেয়েছে ইউক্রেন।
ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী ডেনিস শ্যামিহাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে বলেন, ‘আমাদের দেশের এই কঠিন সময়ে ধারাবাহিক সহায়তার জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞ।’
গত শুক্রবার আইএমএফ বোর্ডের অনুমোদন পাওয়া অর্থ ২০ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব গ্রহণের আগেই পাবে ইউক্রেন। ট্রাম্প ইতিমধ্যে ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য মার্কিন ব্যয়ের তীব্র সমালোচনা করেছেন এবং দ্রুত সংঘাত সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এর ফলে মার্কিন মিত্রদের মধ্যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, ইউক্রেন হয়তো রাশিয়ার কাছে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূখণ্ড ছাড়তে বাধ্য হবে।
আইএমএফের প্রধান জর্জিয়েভা বলেন, ইউক্রেনের অর্থনীতি স্থিতিশীল রয়েছে, যদিও অবকাঠামোর ওপর হামলা ও শ্রমবাজার-সংকটের মতো বাধা রয়েছে। ঝুঁকিগুলো এখনো প্রধানত নেতিবাচক দিকে ঝুঁকে আছে। যদি ঝুঁকিগুলো বাস্তবায়িত হয়, তবে যথাযথ নীতিগত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রস্তুতি ও বিকল্প পরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি।

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ভাইস চেয়ারম্যান রত্না পাত্র কোম্পানিটির ১০ লাখ শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে পুঁজিবাজার ও ব্লক মার্কেট থেকে শেয়ারগুলো ক্রয় করবেন বলে গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
দেশে ভেনামি চিংড়ি চাষে ব্যবহৃত পোনা আমদানির নতুন ও বিদ্যমান সব অনুমোদন স্থগিত করেছে সরকার। রোগ সংক্রমণ, পরিবেশগত ক্ষতি এবং দেশীয় চিংড়িশিল্পের ওপর বিরূপ প্রভাবের আশঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
দেশের পুঁজিবাজারে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা, উৎপাদনহীন ও নিয়মিত লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে মূল বোর্ড থেকে সরিয়ে একটি পৃথক প্ল্যাটফর্মে নেওয়ার সুপারিশ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয় গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি। প্রস্তাবিত নতুন এই প্ল্যাটফর্মের নাম ‘আর’ ক্যাটাগরি।
১১ ঘণ্টা আগে
চলতি বছর দেশের অর্থনীতির সামনে পাঁচটি বড় ঝুঁকি স্পষ্টভাবে চিহ্নিত হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) গ্লোবাল রিস্ক রিপোর্ট-২০২৬ অনুযায়ী, এই ঝুঁকির তালিকার শীর্ষে রয়েছে অপরাধ ও অবৈধ অর্থনৈতিক কার্যক্রমের বিস্তার।
১২ ঘণ্টা আগে