নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও অনুমোদন পাচ্ছে কৃষিবিদ ইনস্যুরেন্স লিমিটেড নামে নতুন একটি নন-লাইফ বিমা কোম্পানি। মিরপুরের কাজীপাড়ায় সদর দপ্তর থাকা কোম্পানিটির চেয়ারম্যান ড. মো. আলী আফজাল। বর্তমানে দেশে ৪৬টি নন-লাইফ অর্থাৎ সাধারণ বিমা কোম্পানি রয়েছে। নতুন এই কোম্পানির অনুমোদন দেওয়া হলে নন-লাইফ কোম্পানির সংখ্যা ৪৭-এ পৌঁছাবে।
আইডিআরএর পরামর্শক (মিডিয়া এবং যোগাযোগ) সাইফুন্নাহার সুমি বলেন, কোম্পানির নামের বিষয়ে অনাপত্তি দেওয়া হয়েছে। এর অর্থ, চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য আবেদন করা যাবে। তবে অনাপত্তি চূড়ান্ত অনুমোদনের নিশ্চয়তা নয়।
আইডিআরএর তথ্য অনুযায়ী, কোম্পানির অনুমোদনের লক্ষ্যে আরজেএসসির নিবন্ধনপ্রক্রিয়ার জন্য ২০২৩ সালের ১৭ আগস্ট আইডিআরএ অনাপত্তি দিয়েছে। প্রায় দুই বছর পর চলতি বছরের ১৪ আগস্ট অনাপত্তিপত্র সঠিক কি না, তা নিশ্চিত করতে চেয়ে চিঠি দিয়েছে আরজেএসসি।
এ বিষয়ে আইডিআরএ উপপরিচালক মো. সোলায়মান বলেন, এ অনাপত্তি দেওয়া হয়েছে। তবে আইডিআরএ থেকে কোম্পানির বিমা ব্যবসার জন্য নিবন্ধন সনদপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে কোনো নিশ্চয়তা প্রধান করবে না। অর্থাৎ অনাপত্তি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনো কারণে যদি চূড়ান্ত অনুমোদন না দেওয়া হয়, তবে আইডিআরএ দায়ী থাকবে না।
আইডিআরএর তথ্যমতে, দেশে ৮২টি বিমা কোম্পানি রয়েছে। সাধারণ বিমা কোম্পানি ৪৬টি আর জীবনবিমা কোম্পানির সংখ্যা ৩৬টি। নতুন করে কোম্পানিটি অনুমোদন দেওয়া হলে বিমা কোম্পানির সংখ্যা দাঁড়াবে ৮৩টিতে। দেশের অর্থনীতির তুলনায় বিমা কোম্পানি বেশি হওয়ায় কোম্পানিগুলো অনৈতিক প্রতিযোগিতায় নেমেছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইএ) পরিচালক এস এম নুরুজ্জামান বলেন, ভারতের তুলনায় বাংলাদেশে বিমা কোম্পানির সংখ্যা বেশি। দেশের অর্থনীতির বর্তমান অবস্থায় নতুন করে বিমা কোম্পানির দরকার নেই। নতুন কোম্পানির অনুমোদন দেওয়া হলে এ খাতে অনৈতিক প্রতিযোগিতা বাড়বে।

প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও অনুমোদন পাচ্ছে কৃষিবিদ ইনস্যুরেন্স লিমিটেড নামে নতুন একটি নন-লাইফ বিমা কোম্পানি। মিরপুরের কাজীপাড়ায় সদর দপ্তর থাকা কোম্পানিটির চেয়ারম্যান ড. মো. আলী আফজাল। বর্তমানে দেশে ৪৬টি নন-লাইফ অর্থাৎ সাধারণ বিমা কোম্পানি রয়েছে। নতুন এই কোম্পানির অনুমোদন দেওয়া হলে নন-লাইফ কোম্পানির সংখ্যা ৪৭-এ পৌঁছাবে।
আইডিআরএর পরামর্শক (মিডিয়া এবং যোগাযোগ) সাইফুন্নাহার সুমি বলেন, কোম্পানির নামের বিষয়ে অনাপত্তি দেওয়া হয়েছে। এর অর্থ, চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য আবেদন করা যাবে। তবে অনাপত্তি চূড়ান্ত অনুমোদনের নিশ্চয়তা নয়।
আইডিআরএর তথ্য অনুযায়ী, কোম্পানির অনুমোদনের লক্ষ্যে আরজেএসসির নিবন্ধনপ্রক্রিয়ার জন্য ২০২৩ সালের ১৭ আগস্ট আইডিআরএ অনাপত্তি দিয়েছে। প্রায় দুই বছর পর চলতি বছরের ১৪ আগস্ট অনাপত্তিপত্র সঠিক কি না, তা নিশ্চিত করতে চেয়ে চিঠি দিয়েছে আরজেএসসি।
এ বিষয়ে আইডিআরএ উপপরিচালক মো. সোলায়মান বলেন, এ অনাপত্তি দেওয়া হয়েছে। তবে আইডিআরএ থেকে কোম্পানির বিমা ব্যবসার জন্য নিবন্ধন সনদপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে কোনো নিশ্চয়তা প্রধান করবে না। অর্থাৎ অনাপত্তি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনো কারণে যদি চূড়ান্ত অনুমোদন না দেওয়া হয়, তবে আইডিআরএ দায়ী থাকবে না।
আইডিআরএর তথ্যমতে, দেশে ৮২টি বিমা কোম্পানি রয়েছে। সাধারণ বিমা কোম্পানি ৪৬টি আর জীবনবিমা কোম্পানির সংখ্যা ৩৬টি। নতুন করে কোম্পানিটি অনুমোদন দেওয়া হলে বিমা কোম্পানির সংখ্যা দাঁড়াবে ৮৩টিতে। দেশের অর্থনীতির তুলনায় বিমা কোম্পানি বেশি হওয়ায় কোম্পানিগুলো অনৈতিক প্রতিযোগিতায় নেমেছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইএ) পরিচালক এস এম নুরুজ্জামান বলেন, ভারতের তুলনায় বাংলাদেশে বিমা কোম্পানির সংখ্যা বেশি। দেশের অর্থনীতির বর্তমান অবস্থায় নতুন করে বিমা কোম্পানির দরকার নেই। নতুন কোম্পানির অনুমোদন দেওয়া হলে এ খাতে অনৈতিক প্রতিযোগিতা বাড়বে।

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ভাইস চেয়ারম্যান রত্না পাত্র কোম্পানিটির ১০ লাখ শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে পুঁজিবাজার ও ব্লক মার্কেট থেকে শেয়ারগুলো ক্রয় করবেন বলে গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
দেশে ভেনামি চিংড়ি চাষে ব্যবহৃত পোনা আমদানির নতুন ও বিদ্যমান সব অনুমোদন স্থগিত করেছে সরকার। রোগ সংক্রমণ, পরিবেশগত ক্ষতি এবং দেশীয় চিংড়িশিল্পের ওপর বিরূপ প্রভাবের আশঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
দেশের পুঁজিবাজারে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা, উৎপাদনহীন ও নিয়মিত লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে মূল বোর্ড থেকে সরিয়ে একটি পৃথক প্ল্যাটফর্মে নেওয়ার সুপারিশ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয় গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি। প্রস্তাবিত নতুন এই প্ল্যাটফর্মের নাম ‘আর’ ক্যাটাগরি।
২০ ঘণ্টা আগে
চলতি বছর দেশের অর্থনীতির সামনে পাঁচটি বড় ঝুঁকি স্পষ্টভাবে চিহ্নিত হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) গ্লোবাল রিস্ক রিপোর্ট-২০২৬ অনুযায়ী, এই ঝুঁকির তালিকার শীর্ষে রয়েছে অপরাধ ও অবৈধ অর্থনৈতিক কার্যক্রমের বিস্তার।
২০ ঘণ্টা আগে