নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বেসরকারি পোশাকশিল্প প্রতিষ্ঠান এনভয় টেক্সটাইলস লিমিটেডকে ৩ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দিচ্ছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ৩৬৬ কোটি টাকা। এ লক্ষ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার উভয় পক্ষের মধ্যে চুক্তি সই হয়েছে।
এটি ২০২২ সালে এনভয়ের সঙ্গে টেক্সটাইল উৎপাদন প্রকল্পে এডিবির সহযোগিতার ধারাবাহিক উদ্যোগ। এডিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঋণটি হবে কর্মক্ষমতাভিত্তিক এবং এটি দেশের প্রথম টেকসই সংযুক্ত ঋণ। এর অগ্রগতি নির্ধারিত হবে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি ও গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের মতো সূচকের মাধ্যমে।
প্রাপ্ত অর্থে এনভয়ের জামিরদিয়া কারখানায় একটি নতুন স্পিনিং ইউনিট নির্মাণ করা হবে। এতে বছরে ৪ হাজার ৫৫০ টন সুতা উৎপাদন সম্ভব হবে, যা মূলত ডেনিম তৈরিতে ব্যবহৃত হবে। পাশাপাশি ৩ দশমিক ৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌর প্যানেল বসানো এবং কার্যকরী মূলধন পুনঃ অর্থায়নেরও পরিকল্পনা রয়েছে।
বাংলাদেশে এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর হোয়ে ইউন জিওং বলেন, ‘তৈরি পোশাক খাত দেশের রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি জোগান দেয়। এনভয় শীর্ষ ডেনিম প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান। তাদের প্রথম টেকসই সংযুক্ত ঋণ দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। এতে পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন আরও এগিয়ে যাবে।’
এনভয়ের চেয়ারম্যান কুতুবউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এডিবির সহযোগিতা আমাদের টেকসই প্রবৃদ্ধি ও উদ্ভাবনের অঙ্গীকারকে আরও শক্তিশালী করবে। নতুন ঋণ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ এবং পরিবেশগত পদচিহ্ন কমাতে সহায়তা করবে।’
বর্তমানে এনভয়ের বার্ষিক ডেনিম উৎপাদন ক্ষমতা ৫৪ মিলিয়ন গজ, যা দেশের মোট উৎপাদন সক্ষমতার প্রায় ১০ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটির রয়েছে বিশ্বের প্রথম প্ল্যাটিনাম সার্টিফায়েড ‘লিড’ ডেনিম উৎপাদন কারখানা।
১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এডিবি বর্তমানে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ৫০ দেশসহ মোট ৬৯টি সদস্য দেশের অংশীদারত্বে টেকসই প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

বেসরকারি পোশাকশিল্প প্রতিষ্ঠান এনভয় টেক্সটাইলস লিমিটেডকে ৩ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দিচ্ছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ৩৬৬ কোটি টাকা। এ লক্ষ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার উভয় পক্ষের মধ্যে চুক্তি সই হয়েছে।
এটি ২০২২ সালে এনভয়ের সঙ্গে টেক্সটাইল উৎপাদন প্রকল্পে এডিবির সহযোগিতার ধারাবাহিক উদ্যোগ। এডিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঋণটি হবে কর্মক্ষমতাভিত্তিক এবং এটি দেশের প্রথম টেকসই সংযুক্ত ঋণ। এর অগ্রগতি নির্ধারিত হবে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি ও গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের মতো সূচকের মাধ্যমে।
প্রাপ্ত অর্থে এনভয়ের জামিরদিয়া কারখানায় একটি নতুন স্পিনিং ইউনিট নির্মাণ করা হবে। এতে বছরে ৪ হাজার ৫৫০ টন সুতা উৎপাদন সম্ভব হবে, যা মূলত ডেনিম তৈরিতে ব্যবহৃত হবে। পাশাপাশি ৩ দশমিক ৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌর প্যানেল বসানো এবং কার্যকরী মূলধন পুনঃ অর্থায়নেরও পরিকল্পনা রয়েছে।
বাংলাদেশে এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর হোয়ে ইউন জিওং বলেন, ‘তৈরি পোশাক খাত দেশের রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি জোগান দেয়। এনভয় শীর্ষ ডেনিম প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান। তাদের প্রথম টেকসই সংযুক্ত ঋণ দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। এতে পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন আরও এগিয়ে যাবে।’
এনভয়ের চেয়ারম্যান কুতুবউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এডিবির সহযোগিতা আমাদের টেকসই প্রবৃদ্ধি ও উদ্ভাবনের অঙ্গীকারকে আরও শক্তিশালী করবে। নতুন ঋণ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ এবং পরিবেশগত পদচিহ্ন কমাতে সহায়তা করবে।’
বর্তমানে এনভয়ের বার্ষিক ডেনিম উৎপাদন ক্ষমতা ৫৪ মিলিয়ন গজ, যা দেশের মোট উৎপাদন সক্ষমতার প্রায় ১০ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটির রয়েছে বিশ্বের প্রথম প্ল্যাটিনাম সার্টিফায়েড ‘লিড’ ডেনিম উৎপাদন কারখানা।
১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এডিবি বর্তমানে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ৫০ দেশসহ মোট ৬৯টি সদস্য দেশের অংশীদারত্বে টেকসই প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ভাইস চেয়ারম্যান রত্না পাত্র কোম্পানিটির ১০ লাখ শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে পুঁজিবাজার ও ব্লক মার্কেট থেকে শেয়ারগুলো ক্রয় করবেন বলে গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশে ভেনামি চিংড়ি চাষে ব্যবহৃত পোনা আমদানির নতুন ও বিদ্যমান সব অনুমোদন স্থগিত করেছে সরকার। রোগ সংক্রমণ, পরিবেশগত ক্ষতি এবং দেশীয় চিংড়িশিল্পের ওপর বিরূপ প্রভাবের আশঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের পুঁজিবাজারে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা, উৎপাদনহীন ও নিয়মিত লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে মূল বোর্ড থেকে সরিয়ে একটি পৃথক প্ল্যাটফর্মে নেওয়ার সুপারিশ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয় গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি। প্রস্তাবিত নতুন এই প্ল্যাটফর্মের নাম ‘আর’ ক্যাটাগরি।
৪ ঘণ্টা আগে
চলতি বছর দেশের অর্থনীতির সামনে পাঁচটি বড় ঝুঁকি স্পষ্টভাবে চিহ্নিত হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) গ্লোবাল রিস্ক রিপোর্ট-২০২৬ অনুযায়ী, এই ঝুঁকির তালিকার শীর্ষে রয়েছে অপরাধ ও অবৈধ অর্থনৈতিক কার্যক্রমের বিস্তার।
৪ ঘণ্টা আগে