প্রস্তাবিত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কোম্পানি কর কমানোর প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। শেয়ারবাজারে অন্তর্ভুক্ত নয় এমন কোম্পানিগুলোর জন্য বর্তমান করহার সাড়ে ২৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছেন তিনি। এ ছাড়া শর্তসাপেক্ষে অন্যান্য ধরনের কোম্পানির করও কমানোর প্রস্তাব করেছেন তিনি। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে তিনি এই প্রস্তাব করেন।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে কোম্পানি করদাতার জন্য খাতভিত্তিক অনেকগুলো করহার কার্যকর রয়েছে। আয়কর আইনে সংজ্ঞায়িত কোম্পানিসমূহের মধ্যে যারা পাবলিকলি ট্রেডেড (শেয়ারবাজার ভুক্ত) নয় এই সব কোম্পানির ক্ষেত্রে আমি করহার শর্তসাপেক্ষে ২৭ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করছি।’
তিনি বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে, সকল প্রকার আয় ও প্রাপ্তি এবং প্রত্যেক একক লেনদেনে ৫ লাখ টাকার অধিক ও বার্ষিক সর্বমোট ৩৬ লাখ টাকার ঊর্ধ্বে সকল প্রকার ব্যয় ও বিনিয়োগ ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে।’
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘অর্থনীতিকে অধিকতর আনুষ্ঠানিক করা এবং এক ব্যক্তি কোম্পানির প্রতিষ্ঠা উৎসাহিত করার লক্ষ্যে নন-লিস্টেড কোম্পানিসমূহের মতোই শর্ত পরিপালন সাপেক্ষে আমি এক ব্যক্তি কোম্পানির করহার ২২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশ করার প্রস্তাব করছি। পরিশোধিত মূলধনের নির্দিষ্ট পরিমাণের অধিক শেয়ার আইপিওর (ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিং) মাধ্যমে হস্তান্তর হলে তালিকাভুক্ত কোম্পানির জন্য করহার শর্তসাপেক্ষে ২২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশ করার প্রস্তাব করছি।’
এ সময় আবুল হাসান মাহমুদ আলী আরও বলেন, ‘কর-জিডিপি হার বৃদ্ধির প্রচেষ্টা হিসেবে সার্বিক বিবেচনায় সমবায় সমিতির জন্য করহার ১৫ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশে বৃদ্ধি করে অন্যান্য করহারের বিদ্যমান কাঠামোটি বহাল রাখার প্রস্তাব করছি।’

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কার্যক্রমে আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্য। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে বিনিয়োগ ও সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।
৩৩ মিনিট আগে
গতি হারিয়েছে দেশের অর্থনীতির বড় চার খাতের দুই খাত উৎপাদন ও নির্মাণ শিল্প। সর্বশেষ মার্চ মাসের অর্থনীতির হিসাব বলছে, এই দুই খাতের পাশাপাশি কৃষি খাতের গতিও কম। একমাত্র সেবা খাত ছাড়া বাকি তিনটি খাতই নিম্নগামী অবস্থানে।
৩ ঘণ্টা আগে
মানববন্ধনে ক্যাবের পক্ষ থেকে পাঁচটি দাবি তুলে ধরে জানানো হয়, সরকার নির্ধারিত দামে খোলা সয়াবিন তেলের মূল্য ১৮৫ টাকা এবং বোতলজাত তেলের মূল্য ১৯৫ টাকা হলেও বাস্তবে বাজারে বোতলজাত তেল ২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি নেওয়া হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে
গত সোমবার সোনার দাম কমেছিল ২ হাজার ১৫৮ টাকা। দুদিন পরই আজ বুধবার সোনার দাম বাড়ল ৬ হাজার ৬৭০ টাকা। অন্যদিকে বেড়েছে রুপার দামও। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, বিশ্ববাজারেও এই মূল্যবান ধাতু দুটির দাম বেড়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে