
বিদেশে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের লেনদেন প্রক্রিয়া সহজ করতে শিক্ষা খাতে আন্তর্জাতিক কার্ড ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
আজ সোমবার (১০ আগস্ট) জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকসমূহ বিদেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টিউশন ফি ও অন্যান্য শিক্ষা ব্যয় পরিশোধের জন্য ডেবিট, প্রিপেইড বা ক্রেডিট কার্ড ইস্যু করতে পারবে। বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় ও ভর্তি প্ল্যাটফর্মগুলোতে আন্তর্জাতিক কার্ডের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধের বাড়তি চাহিদার প্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করে জানিয়েছে, এ ধরনের লেনদেন আলাদাভাবে বিবেচিত হবে এবং বিদ্যমান ভ্রমণ কোটা বা অন্যান্য বৈদেশিক মুদ্রা সুবিধার আওতায় গণ্য হবে না।
কার্ড শিক্ষার্থীর নামে অথবা যিনি শিক্ষার ব্যয় বহন করছেন তাঁর নামে ইস্যু করা যেতে পারে। এডি ব্যাংকসমূহকে সকল প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হবে এবং নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে শুধুমাত্র অনুমোদিত শিক্ষা-সংক্রান্ত পরিশোধেই কার্ড ব্যবহারের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
এডি ব্যাংকসমূহকে যথাযথ রেকর্ড সংরক্ষণ এবং নির্ধারিত পারপাস কোড ব্যবহার করে বাংলাদেশ ব্যাংকে সব লেনদেন প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দেশে নগদ টাকার ব্যবহার কমিয়ে ডিজিটাল লেনদেনের দিকে ঝুঁকছেন মানুষ। এরই মধ্যে গত ১ জুলাই থেকে বাংলা কিউআর (কুইক রেসপন্স) ব্যবস্থায় প্রায় ৫৬ লাখ লেনদেনে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। এতে দেশে ডিজিটাল পেমেন্টের ব্যবহার দ্রুত বাড়ার বিষয়টি স্পষ্ট হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি খুলতে নতুন করে বেশকিছু শর্ত আরোপ করেছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বড় ধরনের ছাড় না পাওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছে তেহরান। এর পরপরই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। কাতারের সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন থেকে জানা যায়...
৫ ঘণ্টা আগে
ব্যবসা বাড়াতে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ঋণের বিশেষ সুবিধা, পুনঃ অর্থায়ন তহবিল ও নীতিগত অগ্রাধিকার—সবই আছে। কিন্তু ব্যাংকের ঋণের দরজায় এসে সেই সুবিধার বড় অংশই যেন অকেজো হয়ে পড়ছে। বিশেষ করে ছোট ও নতুন ব্যবসা করা নারীদের জন্য জামানত, কাগজপত্র এবং দীর্ঘ ঋণপ্রক্রিয়া এখনো বড় বাধা হয়ে আছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
বাজেট ঘাটতি মেটাতে সঞ্চয়পত্র থেকে বড় অঙ্কের ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সেই লক্ষ্য পূরণ করতে পারেনি সরকার। পুরো অর্থবছরে এই খাত থেকে ১২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য থাকলেও শেষ পর্যন্ত নিট ঋণ পাওয়া গেছে ৪৩৬ কোটি টাকা।
১৫ ঘণ্টা আগে