ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন করায় রপ্তানি বাড়বে। এতে লাভবান হবেন রপ্তানিকারকেরা। তাঁদের এ সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। এ মন্তব্য করেছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু। তিনি বলেন ‘আমাদের দেশ আমদানিনির্ভর। রপ্তানি প্রতিযোগিতামূলক করতে এই অবমূল্যায়নটা করতে হয়েছে।’
গতকাল রাজধানীর র্যাডিসন হোটেলে রপ্তানি ও বাণিজ্য খাতের উদ্যোক্তাদের মধ্যে সিআইপি কার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ। বিশেষ অতিথি ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মাহবুবুল আলম। উপস্থিত ছিলেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম আহসান।
অনুষ্ঠানে চামড়া, কাঁচা পাট, হিমায়িত খাদ্য, তৈরি পোশাক, ওষুধ, সিরামিকসহ ২০টি খাতের ১৮৪ জন রপ্তানিকারক ও উদ্যোক্তাকে নিজ নিজ খাতে বিশেষ অবদান রাখায় সিআইপি কার্ড প্রদান করেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী। এ সময় তিনি ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমরা স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের দিকে ধাবিত হচ্ছি। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আমরা ২০২৬ সালে যাত্রা শুরু করব। তিন বছর বিভিন্ন দেশে মার্কেট অ্যাকসেস পাব। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে এসব সুবিধা সীমিত হয়ে যাবে। এ জন্য বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় চুক্তির মাধ্যমে সেসব সুযোগ তৈরি করতে পারব। এরই মধ্যে প্রায় ২৬ দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় চুক্তির উদ্যোগ নিয়েছি। ভারত, জাপান, চীন, কোরিয়া, ইন্দোনেশিয়ার বাজারে সহজে প্রবেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।’

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
রপ্তানির নতুন বাজার সম্প্রসারণ, নতুন ক্রেতা খোঁজা এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে চলতি অর্থবছরে বিশ্বের ২৭ দেশে অনুষ্ঠিত ৫০টি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় অংশ নেবে বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে ১২টি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত রপ্তানি খাত সামনে রেখে আন্তর্জাতিক বিপণন কার্যক্রম পরিচালনা করবে রপ্তানি...
১৪ ঘণ্টা আগে
নতুন অর্থবছরের শুরুতেই উন্নয়ন ব্যয়ে বড় বিনিয়োগে যাচ্ছে সরকার। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) প্রথম সভায় ১৪ হাজার ৭২৭ কোটি টাকা ব্যয়ের ৯টি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হচ্ছে। এর মধ্যে ৫টি নতুন ও ৪টি সংশোধিত প্রকল্প রয়েছে। সবচেয়ে বড় ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে...
১৪ ঘণ্টা আগে
দেশে ‘ফলের রাজা’ আমের উৎপাদন বাড়ছে। দিন দিন বড় হচ্ছে আমভিত্তিক অর্থনীতির আকার। চলতি বছর ৫ লাখ ৪ হাজার একর জমিতে আমের চাষ হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এবার ফলটির মোট উৎপাদন দাঁড়াবে ২৭ লাখ মেট্রিক টনের বেশি। সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুসারে, বর্তমানে দেশে আমের বাজার প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার।
১৪ ঘণ্টা আগে