
এক বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর আবারও চালু হয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ঢাকা-নারিতা রুটে সরাসরি ফ্লাইট।
রোববার দিবাগত রাত ২টা ২৯ মিনিটে বিমানের প্রথম ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যায়। বিমানের বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজটি আজ সোমবার স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে নাশকতায় পৌঁছাতে পারে।
রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নারিতা ফ্লাইটের উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিমান প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
উদ্বোধনের আগে বিমানবন্দরে ভিআইপি কমপ্লেক্সের সামনে সংবাদ সম্মেলনে বিমানমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, ভবিষ্যতে বিমানের কোনো রুটের ফ্লাইট বন্ধ করা হবে না বরং পর্যায়ক্রমে আরও ফ্লাইট বাড়ানো হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, আজকের ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট আমাদের সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে পারে আমি অত্যন্ত আনন্দিত বোধ করছি। ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট চালুর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক ও সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
অনুষ্ঠানে বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, জাপানপ্রবাসী প্রায় ৪৫ হাজার বাংলাদেশি ছাত্র, শ্রমিক ও অভিবাসীদের কথা বিবেচনায় রেখে আমরা ফ্লাইটটি চালু করেছি। ফ্লাইটটি যাতে আর কখনোই বন্ধ না হয় সে জন্য ভবিষ্যতের চাহিদা বিবেচনায় শুধু বোয়িং নয়, এয়ারবাসের উড়োজাহাজও বহরে যুক্ত করা হবে।
বিমান প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে উড়োজাহাজের সংকট থাকলেও ২০৩৪ সালের মধ্যে বিমানের বহরে ৫০টি উড়োজাহাজ যুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার।
এরপর মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী জাপানগামী যাত্রীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ফিতা কেটে ফ্লাইটের শুভ উদ্বোধন করেন।
উল্লেখ্য, অপারেশনাল ও বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জের কারণ দেখিয়ে ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। প্রায় এক বছর পর আবারও চালু হলো এই রুট।

বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও আর্থিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে জোরারোপ করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ভারসাম্য উন্নয়নে ভারতকে বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানি বৃদ্ধির আহ্বানও জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা এবং বিপিসির (বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন) লোকসান কমানোর অজুহাতে দেশের বাজারে একলাফে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বৃদ্ধি করেছে সরকার। নতুন এই দর ঘোষণার পর ডিজেল, পেট্রল, অকটেন ও কেরোসিনের দাম দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
৯ ঘণ্টা আগে
গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে বাংলাদেশের অধিকাংশ পোশাক কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। তবে ওয়ালমার্ট, গ্যাপ ও নেক্সটের সরবরাহকারী ‘৪এ ইয়ার্ন ডাইংয়ে’ অন্তত এখন পর্যন্ত কর্মীরা নির্বিঘ্নে হুডি সেলাই করছেন এবং বিভিন্ন ব্র্যান্ডের লোগো লাগাচ্ছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
নিরুপায় হওয়ার যুক্তি দিয়ে সরকার সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়েছে। এর ফলে জ্বালানি তেলের দাম দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে। গণপরিবহন খাতসহ প্রত্যক্ষভাবে জ্বালানি তেল ব্যবহারকারী নাগরিক সমাজের মধ্যে তাৎক্ষণিকভাবে এতে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে