প্রচলিত রীতি মেনে এবার ঈদের আগে নোট বাজারে না ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ সোমবার (১০ মার্চ) কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, অনিবার্য কারণে ঈদের আগে নতুন নোট বাজারের ছাড়ার সিদ্ধান্ত স্থগিত করা হয়েছে। ফলে দেশের ব্যাংকগুলো থেকে এবার কোনো নতুন নোট মিলবে না।
আজ সোমবার ব্যাংকগুলোতে পাঠানো চিঠিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জনসাধারণের মাঝে নতুন নোট বিনিময় কার্যক্রম বন্ধ রাখার জন্য পরামর্শ দেওয়া হলো। পাশাপাশি ব্যাংকের শাখায় যে নতুন নোট গচ্ছিত রয়েছে, তা বিনিময় না করে সংশ্লিষ্ট শাখায় সংরক্ষণ করার জন্য বলা হলো।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৯ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত নতুন নোট পাওয়া যাবে বলে এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিল। সে অনুযায়ী, এবার ৫, ২০ ও ৫০ টাকার নতুন নোট দেওয়ার কথা ছিল। বাংলাদেশ ব্যাংক ও কয়েকটি ব্যাংকের শাখার মাধ্যমে এসব নতুন নোট বিনিময় হওয়ার কথা ছিল।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, এবার ঈদে নতুন নোট বিনিময় করা হবে না। তবে বাজারে যেসব নোট রয়েছে, তার প্রচলন অব্যাহত থাকবে।
সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল-মে মাসে নতুন নকশার নোট বাজারে আসবে। এবার টাকার নকশা থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি বাদ দেওয়া হচ্ছে। এর পরিবর্তে জুলাই বিপ্লবের গ্রাফিতিসহ বিভিন্ন স্থাপনা নতুন নোটের নকশায় স্থান পাচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মোহাম্মদ আখতার হোসেনের চুক্তির অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আজ বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের হিউম্যান রিসোর্সেস ডিপার্টমেন্ট-১-এর এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
১ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণ আমেরিকার বাজারে বাংলাদেশের হোম ডেকোর ও লাইফস্টাইল পণ্যের রপ্তানি বাড়াতে ব্রাজিলে ‘হোম শো ব্রাজিল ২০২৬’ মেলায় অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) আর্থিক সহযোগিতায় এবং ব্রাজিলের ব্রাসিলিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের ব্যবস্থাপনায় সাও পাওলোর ডিস্ট্রিটো আনহেমবি প্রাঙ্গণে গতকাল মঙ্গলবার
৯ ঘণ্টা আগে
দেশের সামাজিক নিরাপত্তাব্যবস্থায় বড় ধরনের লক্ষ্যভ্রষ্টতা দেখা দিয়েছে। যাঁদের জন্য কর্মসূচিগুলো, সেই দরিদ্র জনগোষ্ঠীর বড় অংশ সুবিধার বাইরে; বিপরীতে সুবিধা পাওয়া মানুষের বড় অংশ দরিদ্র বা ঝুঁকিপূর্ণ নন। পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) এক মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এমন চিত্র উঠে এসেছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
ব্যবসায়ীদের আমদানি পরিকল্পনায় কিছুটা আস্থা ফিরলেও এর প্রতিফলন এখনো প্রকৃত আমদানিতে দেখা যাচ্ছে না। সদ্য শেষ হওয়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরে নতুন আমদানি ঋণপত্র বা এলসি খোলা বেড়েছে ৭ দশমিক ০৬ শতাংশ। বিপরীতে এলসি নিষ্পত্তির মাধ্যমে পরিমাপ করা প্রকৃত আমদানি বেড়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ০৯ শতাংশ।
১৯ ঘণ্টা আগে