নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বৈদেশিক মুদ্রার আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হওয়ায় আর্থিক হিসাবের বড় ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছে। এতে অর্থবছরের প্রথম ৩ মাসে ১৮১ কোটি ৮০ লাখ ডলারের বাণিজ্য ঘাটতিতে পড়েছে বাংলাদেশ। টাকার অঙ্কে যা ২০ হাজার ১৮০ কোটি টাকা। গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক বৈদেশিক লেনদেন ভারসাম্যের (ব্যালান্স অব পেমেন্ট) চিত্রে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
ব্যালান্স অব পেমেন্টের তথ্য বলছে, চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে ১ হাজার ২৯৩ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এ সময় আমদানি হয়েছে ১ হাজার ৪৭৫ কোটি ডলারের পণ্য। এতে করে অর্থবছরের প্রথম ৩ মাসে ১৮১ কোটি ৮০ লাখ ডলারের বাণিজ্য ঘাটতিতে পড়েছে বাংলাদেশ।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের খাতসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে আর্থিক হিসাব ভালো রাখাটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ওই সূচকের ওপরই দেশের ঋণমান নির্ভর করে। আর্থিক হিসাবে ঘাটতি থাকলে বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হন না। ঋণ দেওয়ার সময় বিভিন্ন শর্ত দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকও বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমেছে ১৬ শতাংশের বেশি। দুই বছরে তা প্রায় ৩০ শতাংশ। এক বছর আগে ১ ডলার কিনতে খরচ হয়েছে ৯৫-১০০ টাকা, ২ বছর আগে ছিল ৮৪-৮৬ টাকা। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলার কিনতে খরচ করতে হয়েছে ১১১ টাকা।
কর্মকর্তারা জানান, আমদানি কমলেও আশানুরূপ রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় আসছে না। বিশ্ববাজারে জ্বালানিসহ সব ধরনের পণ্যের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে পরিশোধের ঝুঁকি এড়াতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা রিজার্ভ থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রচুর পরিমাণে ডলার বিক্রি করছে। ফলে রিজার্ভও ধারাবাহিক কমছে।

বৈদেশিক মুদ্রার আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হওয়ায় আর্থিক হিসাবের বড় ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছে। এতে অর্থবছরের প্রথম ৩ মাসে ১৮১ কোটি ৮০ লাখ ডলারের বাণিজ্য ঘাটতিতে পড়েছে বাংলাদেশ। টাকার অঙ্কে যা ২০ হাজার ১৮০ কোটি টাকা। গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক বৈদেশিক লেনদেন ভারসাম্যের (ব্যালান্স অব পেমেন্ট) চিত্রে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
ব্যালান্স অব পেমেন্টের তথ্য বলছে, চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে ১ হাজার ২৯৩ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এ সময় আমদানি হয়েছে ১ হাজার ৪৭৫ কোটি ডলারের পণ্য। এতে করে অর্থবছরের প্রথম ৩ মাসে ১৮১ কোটি ৮০ লাখ ডলারের বাণিজ্য ঘাটতিতে পড়েছে বাংলাদেশ।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের খাতসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে আর্থিক হিসাব ভালো রাখাটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ওই সূচকের ওপরই দেশের ঋণমান নির্ভর করে। আর্থিক হিসাবে ঘাটতি থাকলে বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হন না। ঋণ দেওয়ার সময় বিভিন্ন শর্ত দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকও বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমেছে ১৬ শতাংশের বেশি। দুই বছরে তা প্রায় ৩০ শতাংশ। এক বছর আগে ১ ডলার কিনতে খরচ হয়েছে ৯৫-১০০ টাকা, ২ বছর আগে ছিল ৮৪-৮৬ টাকা। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলার কিনতে খরচ করতে হয়েছে ১১১ টাকা।
কর্মকর্তারা জানান, আমদানি কমলেও আশানুরূপ রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় আসছে না। বিশ্ববাজারে জ্বালানিসহ সব ধরনের পণ্যের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে পরিশোধের ঝুঁকি এড়াতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা রিজার্ভ থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রচুর পরিমাণে ডলার বিক্রি করছে। ফলে রিজার্ভও ধারাবাহিক কমছে।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে ভারতীয় কোম্পানি আদানির সঙ্গে সম্পাদিত বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি বাতিল ও আমদানি বন্ধের প্রতিশ্রুতি চেয়েছে ক্যাব যুব সংসদ।
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হলে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও অংশীদারিত্বে আরও উচ্চমাত্রার উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন মহেশখালী ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (মিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ।
৬ ঘণ্টা আগে
কাস্টমস শুল্ক হ্রাসের কারণে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে বিরূপ প্রতিযোগিতার মুখে না পড়ে সে লক্ষ্যে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ৫ শতাংশ ধার্য্য করে আরো একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
এখন থেকে উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে নতুন নীতিমালা কার্যকর হচ্ছে। এর আওতায় ৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যয়ের প্রকল্প সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নিজ উদ্যোগে অনুমোদন দিতে পারবে। তবে এ সীমার বেশি ব্যয়ের প্রকল্প অনুমোদনের জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা একনেকের অনুমোদন বাধ্যতামূলক থাকবে।
২০ ঘণ্টা আগে