
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক কর্মকর্তা এবং নেতাদের বাড়ি থেকে নগদ টাকা উদ্ধারের পরিপ্রেক্ষিতে অনেকে ৫০০ ও ১ হাজার টাকার নোট বাতিলের কথা বলছেন। এসব নোট বাতিল হলে লুকানো টাকাগুলো ব্যাংকে ফেরত আসবে এবং ব্যাংকগুলোর তারল্য সংকট নিরসনে ভূমিকা রাখবে বলে অনেকে মনে করছেন। তবে এ প্রসঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ভিন্ন মত দিয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) সচিবালয়ে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন ও কানাডার হাইকমিশনার লিলি নিকলসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন অর্থ ও বাণিজ্য উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ।
১ হাজার ও ৫০০ টাকার নোট বাতিলের গুঞ্জন নিয়ে সাংবাদিকেরা জানতে চাইলে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘এগুলো নিয়ে হ্যাঁ বা না কিছু বলাই ঠিক না। আমরা বলি এটা থাক। এটা কোনো অসুবিধা হচ্ছে না। সহজে এগুলোর সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না।’
এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরকেও একই প্রশ্ন করা হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘ডিমনেটাইজেশনের (নোট বাতিল) অভিজ্ঞতা ভালো নয়। আমরা ভারতের ঘটনা দেখেছি। সেখানে ৯৮ শতাংশ টাকা আবার ফেরত এসেছে, অর্থাৎ সাদা হয়ে গেল।’
অর্থ ও বাণিজ্য উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ আরও বলেছেন, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশের ওপর ১৮ লাখ কোটি টাকা ঋণের বোঝা চেপে বসেছে। এত বিশাল ঋণ কীভাবে পরিশোধ করা হবে তা নিয়ে চাপের মধ্যে রয়েছে নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এই বিষয়ে সমাধানের জন্য ঋণদাতাদের সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনা শুরু হয়েছে।
আরও খবর পড়ুন:

বন্ধ ও লোকসানে থাকা ৪৪টি সরকারি কারখানা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ওই সব কারখানার জমি ও বিদ্যমান অবকাঠামো ব্যবহার করে সেখানে নতুন করে বিনিয়োগ করবেন বেসরকারি উদ্যোক্তারা। সরকারের আশা, এতে অর্থনীতি গতিশীল হবে। কর্মসংস্থান বাড়বে।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশের কৃষিতে ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে ফসল নির্বাচনের চিত্র। উৎপাদন খরচ, বাজারদর এবং লাভ-লোকসানের হিসাব বিবেচনায় নিয়ে কৃষকেরা ঐতিহ্যগত ধান ও পাটের পরিবর্তে সরিষা, আদা, হলুদ, বিভিন্ন শীতকালীন সবজি এমনকি তামাকের মতো তুলনামূলক বেশি লাভজনক ফসলের দিকে ঝুঁকছেন। এর প্রভাব পড়েছে উৎপাদনেও।
৭ ঘণ্টা আগে
সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে বাজেটে নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করেছে সরকার। মূল বাজেটে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা তো বটেই, পরে সংশোধিত বাজেটে বাড়ানো ব্যাংকঋণের সীমাও ছাড়িয়ে গেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধ বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের বাজারে নজিরবিহীন বিপর্যয় ডেকে এনেছে। দৈনিক তেল উৎপাদন হ্রাসের দিক থেকে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ধাক্কা বা সাপ্লাই শক তৈরি করেছে বর্তমান এই ইরান সংকট। তবে সামগ্রিক তেল সরবরাহের মোট ঘাটতির দিক থেকে ১৯৭৯...
১৪ ঘণ্টা আগে