
দেশের সরকারি ঋণকাঠামোতে বৈদেশিক ঋণের প্রতি ঝোঁক ধীরে ধীরে বাড়লেও বাস্তব চিত্র বলছে ভিন্ন কথা—এখনো সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ জুড়ে রয়েছে দেশীয় উৎস। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট সরকারি ঋণের ৫৭ শতাংশই ছিল অভ্যন্তরীণ, যেখানে বৈদেশিক ঋণের অংশ ৪৩ শতাংশে সীমিত।

গাইবান্ধায় সহজ শর্তে ঋণের প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে রাতারাতি লাপাত্তা হয়েছে ‘তিশা ফাউন্ডেশন’ নামে একটি কথিত এনজিওর কর্মকর্তারা। এতে শতাধিক গ্রাহক দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

নিরাপদ মুনাফার টানে ব্যাংকগুলো ক্রমেই সরকারি ট্রেজারি বিল ও বন্ডে ঝুঁকছে। এতে সরকারের ঋণ নেওয়া লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেলেও বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি এই খাত ধীর হয়ে পড়ায় বিনিয়োগ, উৎপাদন ও কর্মসংস্থানে চাপ বাড়ছে।

এখন ঋণের চাপ আর দশজনের সংসার চালানোর দায়—সব মিলিয়ে এক অসহায়ত্ব আর নিদারুণ কষ্টে দিন কাটছে তাঁর।