
ছোটখাটো কয়েকটি সংশোধনীর মধ্য দিয়ে আগামী শনিবার পাস হতে যাচ্ছে প্রস্তাবিত বাজেটের অর্থবিল। নানান সমালোচনার মধ্যেও কালোটাকা সাদা করার সুযোগ বাতিল করা, পুঁজিবাজারের গেইন ট্যাক্স প্রত্যাহার হচ্ছে না। এমনকি এমপিদের শুল্কমুক্ত সুবিধায় গাড়ি আমদানিতে শুল্ক আরোপের যে প্রচেষ্টা নেওয়া হয়েছিল, সেটিও বাজেটে বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না। তবে হাই-টেক পার্ক ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের কাঁচামাল আমদানিতে ১ শতাংশ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে পারে এনবিআর। শেষ পর্যন্ত এসব খাতে শুল্ক আরোপ না-ও হতে পারে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
প্রস্তাবিত বাজেটে বিনা প্রশ্নে ব্যক্তি ও কোম্পানির ক্ষেত্রে কালোটাকা সাদা করার সুযোগ রাখা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী বাজেট বক্তৃতায় মাত্র ১৫ শতাংশ শুল্ক দিয়ে তা বৈধ করার প্রস্তাব রেখেছেন। তবে এ ঘোষণার পরই দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়। বলা হয়, এটা সৎ করদাতাদের সঙ্গে বৈষম্য করা হবে। যেখানে একজন সৎ করদাতা তাঁর কষ্টার্জিত আয়ের ওপর সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কর দেবেন, সেখানে একজন অসৎ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তা করবেন মাত্র ১৫ শতাংশ কর দিয়ে।
সমালোচনার একপর্যায়ে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই কালোটাকা বৈধ করার সুযোগ ব্যক্তি খাতে না দিয়ে কোম্পানি খাতে দেওয়ার দাবি জানিয়ে এনবিআরকে চিঠি দেয়। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এনবিআর কালোটাকার সুযোগ দেওয়ার যে ঘোষণা দিয়েছে, তাতে আর কোনো পরিবর্তন আসছে না। ফলে ১৫ শতাংশ কর দিয়েই আসছে বাজেটে সব ধরনের করদাতা ও কোম্পানি অবৈধ অর্থ বৈধ করতে পারবেন।
এদিকে সংসদ সদস্যদের শুল্কমুক্ত সুবিধায় বিলাসবহুল গাড়ি আমদানির সুযোগ কমিয়ে কিছুটা শুল্ক-কর আরোপের চিন্তা করেছিলেন অর্থমন্ত্রী। বাজেটে তিনি সংসদ সদস্যদের এ খাতে কর আরোপ করতে আইনের সংশোধনী আনতে উদ্যোগী হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। তবে এ রকম কোনো আভাস সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে পাওয়া যায়নি। বরং তাঁদের অনেকে আগের মতো শুল্কমুক্ত সুবিধায়ই গাড়ি আমদানির পক্ষে বলে বিভিন্ন সভা-সেমিনারে মত দিয়েছেন। ফলে আসছে বাজেটে এ উদ্যোগ কার্যকর হচ্ছে না।
প্রস্তাবিত বাজেটে হাই-টেক পার্ক ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে শিল্পের যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ ও কাঁচামাল আমদানিতে ১ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়। এরপরই এ নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। ফরেন চেম্বারসহ সংশ্লিষ্টরা আপত্তি করেন। তাঁরা দাবি করেন, এর ফলে দেশে বিদেশি বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা শূন্য শুল্কে কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতি আমদানির সুযোগ থাকার কারণেই এ দেশে বিনিয়োগে এগিয়ে আসেন। কিন্তু আকস্মিক শুল্ক আরোপ করায় তাঁদের বিনিয়োগে খরচ বেড়ে যাওয়ার যুক্তিতে তাঁরা পিছিয়ে যাবেন বলে মনে করা হয়। তাই বাজেটে এ শুল্ক প্রত্যাহার করার দাবি জানান। এসব বিবেচনায় শেষ পর্যন্ত বাজেটে ১ শতাংশ শুল্ক বাতিল হতে পারে।
প্রস্তাবিত বাজেটে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ থেকে অর্জিত ক্যাপিটাল গেইনের ওপর এবার কর আরোপ করা হয়েছে। যাঁদের মুনাফা ৫০ লাখ টাকার বেশি, আসছে বাজেটে ১৫ শতাংশ হারে তাঁদের গেইন ট্যাক্স দেওয়ার কথা বলা হয়। এর ফলে পতনের মধ্যে থাকা বাজার আরও খারাপের দিকে যাবে মন্তব্য করে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার এ কর বাতিলের দাবিতে বিবৃতি দিয়েছেন। যদিও এনবিআর এ কর প্রত্যাহার করছে না বলে জানা গেছে।

ছোটখাটো কয়েকটি সংশোধনীর মধ্য দিয়ে আগামী শনিবার পাস হতে যাচ্ছে প্রস্তাবিত বাজেটের অর্থবিল। নানান সমালোচনার মধ্যেও কালোটাকা সাদা করার সুযোগ বাতিল করা, পুঁজিবাজারের গেইন ট্যাক্স প্রত্যাহার হচ্ছে না। এমনকি এমপিদের শুল্কমুক্ত সুবিধায় গাড়ি আমদানিতে শুল্ক আরোপের যে প্রচেষ্টা নেওয়া হয়েছিল, সেটিও বাজেটে বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না। তবে হাই-টেক পার্ক ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের কাঁচামাল আমদানিতে ১ শতাংশ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে পারে এনবিআর। শেষ পর্যন্ত এসব খাতে শুল্ক আরোপ না-ও হতে পারে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
প্রস্তাবিত বাজেটে বিনা প্রশ্নে ব্যক্তি ও কোম্পানির ক্ষেত্রে কালোটাকা সাদা করার সুযোগ রাখা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী বাজেট বক্তৃতায় মাত্র ১৫ শতাংশ শুল্ক দিয়ে তা বৈধ করার প্রস্তাব রেখেছেন। তবে এ ঘোষণার পরই দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়। বলা হয়, এটা সৎ করদাতাদের সঙ্গে বৈষম্য করা হবে। যেখানে একজন সৎ করদাতা তাঁর কষ্টার্জিত আয়ের ওপর সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কর দেবেন, সেখানে একজন অসৎ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তা করবেন মাত্র ১৫ শতাংশ কর দিয়ে।
সমালোচনার একপর্যায়ে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই কালোটাকা বৈধ করার সুযোগ ব্যক্তি খাতে না দিয়ে কোম্পানি খাতে দেওয়ার দাবি জানিয়ে এনবিআরকে চিঠি দেয়। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এনবিআর কালোটাকার সুযোগ দেওয়ার যে ঘোষণা দিয়েছে, তাতে আর কোনো পরিবর্তন আসছে না। ফলে ১৫ শতাংশ কর দিয়েই আসছে বাজেটে সব ধরনের করদাতা ও কোম্পানি অবৈধ অর্থ বৈধ করতে পারবেন।
এদিকে সংসদ সদস্যদের শুল্কমুক্ত সুবিধায় বিলাসবহুল গাড়ি আমদানির সুযোগ কমিয়ে কিছুটা শুল্ক-কর আরোপের চিন্তা করেছিলেন অর্থমন্ত্রী। বাজেটে তিনি সংসদ সদস্যদের এ খাতে কর আরোপ করতে আইনের সংশোধনী আনতে উদ্যোগী হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। তবে এ রকম কোনো আভাস সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে পাওয়া যায়নি। বরং তাঁদের অনেকে আগের মতো শুল্কমুক্ত সুবিধায়ই গাড়ি আমদানির পক্ষে বলে বিভিন্ন সভা-সেমিনারে মত দিয়েছেন। ফলে আসছে বাজেটে এ উদ্যোগ কার্যকর হচ্ছে না।
প্রস্তাবিত বাজেটে হাই-টেক পার্ক ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে শিল্পের যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ ও কাঁচামাল আমদানিতে ১ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়। এরপরই এ নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। ফরেন চেম্বারসহ সংশ্লিষ্টরা আপত্তি করেন। তাঁরা দাবি করেন, এর ফলে দেশে বিদেশি বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা শূন্য শুল্কে কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতি আমদানির সুযোগ থাকার কারণেই এ দেশে বিনিয়োগে এগিয়ে আসেন। কিন্তু আকস্মিক শুল্ক আরোপ করায় তাঁদের বিনিয়োগে খরচ বেড়ে যাওয়ার যুক্তিতে তাঁরা পিছিয়ে যাবেন বলে মনে করা হয়। তাই বাজেটে এ শুল্ক প্রত্যাহার করার দাবি জানান। এসব বিবেচনায় শেষ পর্যন্ত বাজেটে ১ শতাংশ শুল্ক বাতিল হতে পারে।
প্রস্তাবিত বাজেটে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ থেকে অর্জিত ক্যাপিটাল গেইনের ওপর এবার কর আরোপ করা হয়েছে। যাঁদের মুনাফা ৫০ লাখ টাকার বেশি, আসছে বাজেটে ১৫ শতাংশ হারে তাঁদের গেইন ট্যাক্স দেওয়ার কথা বলা হয়। এর ফলে পতনের মধ্যে থাকা বাজার আরও খারাপের দিকে যাবে মন্তব্য করে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার এ কর বাতিলের দাবিতে বিবৃতি দিয়েছেন। যদিও এনবিআর এ কর প্রত্যাহার করছে না বলে জানা গেছে।

চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন খাতে ৮৫৬টি প্রকল্প রয়েছে; কিন্তু এর জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এ চিত্র দেখা গেছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ৪১৩, বৈদেশিক অর্থায়নে ১৫৭, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ৩৫, পিপিপির আওতাভুক্ত প্রকল্প ৮১ এবং জলবায়ু
৪ ঘণ্টা আগে
রাজস্ব আয়, উদ্বৃত্ত ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অবদান—এই তিন ক্ষেত্রেই গত পাঁচ বছরে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ২০২১ থেকে ২০২৫—এই পাঁচ বছরে গড়ে ১৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ রাজস্ব আয় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি গড়ে ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ রাজস্ব উদ্বৃত্ত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরটি।
৫ ঘণ্টা আগে
সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিনের দুর্বলতা ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর অদক্ষ পরিচালনার কারণে দেশের অনিশ্চিত দায় বা কনটিনজেন্ট লায়াবিলিটি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থ বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, এ মুহূর্তে সরকারের এই দায় ৬ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮২ কোটি ৫৮ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। এর বড় অংশই রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান
৫ ঘণ্টা আগে
সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনার পর জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারপত্র ও ব্যানার টাঙানোর কাজ শুরু করেছে ব্যাংকগুলো। তবে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা বা সিএসআর খাতের অর্থ হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণার জন্য বেসরকারি সংস্থাকে (এনজিও) দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আহসান...
৮ ঘণ্টা আগে