Ajker Patrika

দাম কমছে ক্যামেরা–গিটারের, কনটেন্ট ক্রিয়েটররা পাবেন উন্নয়ন সহযোগিতা

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ১১ জুন ২০২৬, ২২: ৪১
দাম কমছে ক্যামেরা–গিটারের, কনটেন্ট ক্রিয়েটররা পাবেন উন্নয়ন সহযোগিতা

তরুণদের সৃজনশীলতা কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক মানের ‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ গড়ে তুলতে বিশেষ ৩০০ কোটি টাকাসহ ৮০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে জাতীয় বাজেটে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে গিটার, পিয়ানো, ভায়োলিনসহ বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র ও সিনেমাটোগ্রাফিক ক্যামেরার যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্কছাড়ের প্রস্তাবও রয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবের বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ প্রস্তাব তুলে ধরেন।

বাজেট বক্তৃতায় অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ণ, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ ও জনগণের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে ১০টি নতুন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী। স্বাস্থ্য, জলবায়ু, সৃজনশীল অর্থনীতি, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ব্লু ইকোনমি, প্রবাসীকল্যাণসহ বিভিন্ন খাতে নতুন তহবিল ও সহায়তা কর্মসূচির প্রস্তাব করেন তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ক্রিয়েটিভ অর্থনীতি খাতের উন্নয়নে প্রাথমিকভাবে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করছি। এ ছাড়া, বাংলাদেশ ব্যাংকের সিএসআর খাত থেকে আরও ৫০০ কোটি টাকার তহবিল সংগ্রহ করা হবে।’

মন্ত্রী জানান, কনটেন্ট নির্মাতা, শিল্পী ও সৃজনশীল উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়নে এই অর্থ ব্যয় করা হবে। এ ছাড়া গিটার, পিয়ানো, ভায়োলিনসহ বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র ও সিনেমাটোগ্রাফিক ক্যামেরার যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্কছাড়ের প্রস্তাব করা হয়েছে।

বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ক্রিয়েটিভ খাতটি আমাদের অর্থনীতিতে একটি সম্ভাবনাময় খাত হলেও কখনোই তা গুরুত্বসহকারে বিবেচিত হয়নি। আমাদের সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার পূরণে ক্রিয়েটিভ অর্থনীতির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করছি। আমাদের লক্ষ্য দেশের ক্রিয়েটিভ শিল্পের বিশাল অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে উন্মুক্ত করার মাধ্যমে অর্থনীতির মূলধারায় সম্পৃক্ত করা। এই সম্ভাবনাময় খাতটি মানবসম্পদ উন্নয়ন, জাতীয় ব্র্যান্ড এবং ভবিষ্যৎ কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হিসেবে অবদান রাখতে সক্ষম। এ খাতের টেকসই উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণে কার্যক্রম হাতে নিয়েছি।’

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সৃজনশীল কাজের মধ্যে চলচ্চিত্রকে যুক্ত করে সেখানে বরাদ্দ বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে বাজেট বক্তৃতায়। থিয়েটার ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ব্যাপকভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করারও পরিকল্পনা রয়েছে। চলচ্চিত্রের উন্নয়ন ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহণের জন্য আন্তর্জাতিক মানের কারিগরি মানসম্পন্ন স্টুডিও গড়ে তোলা হবে। এ খাতের নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য আর্থিক প্রদান এবং রপ্তানি-প্রস্তুত বাণিজ্যিক প্রকল্পের জন্য পারফরম্যান্স-ভিত্তিক গ্র্যান্ট স্কিম চালু করা হবে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত