
বিশ্বজুড়ে ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, অর্থনৈতিক চাপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার কমার জোরালো প্রত্যাশার কারণে মূল্যবান ধাতু সোনার বাজার লাগামহীন। বিশ্ববাজারে প্রথমবারের মতো সোনার দাম আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ১০০ ডলার। বাংলাদেশে ভালো মানের সোনার দাম ভরিপ্রতি ২ লাখ টাকা ছাড়িয়েছে।
দেশের স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) বাজুসের নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, দেশের বাজারে সবচেয়ে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) প্রতি ভরি সোনার দাম ৪ হাজার ৬১৯ টাকা বেড়ে ২ লাখ ১৪ হাজার টাকায় উঠেছে। পাঁচ দিন আগে ৮ অক্টোবর এই মানের সোনার দর ভরিতে ৬ হাজার ৯০৫ টাকা বাড়ানো হয়েছিল; ভরি উঠেছিল ২ লাখ ৯ হাজার ১০০ টাকায়। চলতি মাসের মাত্র ১৩ দিনে পাঁচ দফায় ২২ ক্যারেট মানের সোনার দাম ভরিতে ১৮ হাজার ৩৩৪ টাকা বেড়েছে।
বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান ব্লু লাইন ফিউচারসের প্রধান বাজার কৌশলবিদ ফিলিপ স্ট্রাইবেল বলেন, সোনার এই ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকতে পারে এবং ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ সোনার দাম ৫ হাজার ডলারের ওপরে যেতে পারে। ব্যাংক অব আমেরিকা ও সোশিয়েতে জেনারেলের মতো প্রতিষ্ঠানও ২০২৬ সালে সোনার দাম ৫ হাজার ডলার ছোঁয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ধারাবাহিক সোনা কেনা এবং এক্সচেঞ্জ-ট্রেডেড ফান্ডে (ইটিএফ) বিনিয়োগ বৃদ্ধির কারণে বাজার চড়ছে বলে মনে করছেন ফিলিপ।
বাজার বিশ্লেষকেরা ধারণা করছেন, অক্টোবর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভে শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ সুদহার কমানোর সম্ভাবনা ৯৭ শতাংশ। যেহেতু সোনা সুদবিহীন সম্পদ, তাই কম সুদের হারে এর দাম সাধারণত বাড়ে।
স্বর্ণের বাজারের এই ‘পাগলা ঘোড়া’ পরিস্থিতিতে আরেকটি কম মূল্যবান ধাতুও রেকর্ড গড়েছে। রুপার দাম ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুযায়ী, লন্ডনে ‘শর্ট স্কুইজ’ যোগ হওয়ায় প্রতি আউন্স রুপার দাম ৫২ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার হয়েছে। এটি সর্বকালের সর্বোচ্চ রেকর্ড।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, লন্ডনে তারল্যসংকট বিশ্বব্যাপী রুপার চাহিদা বাড়িয়ে দিয়েছে। ভারতে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে রুপার চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় লন্ডনে লেনদেনের জন্য রুপার বারের সরবরাহ কমে গেছে।
রুপার প্রতি বিনিয়োগকারীদের শক্তিশালী আগ্রহ প্রতিফলিত হয়েছে রেকর্ড-ভাঙা ডেটাতে। সেপ্টেম্বরে সিলভার ইটিএফে নিট প্রবাহ সর্বকালের সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৩৪১ দশমিক ৬৭ কোটি রুপিতে পৌঁছেছে। এ ছাড়া উৎসবের কারণে গয়না এবং রুপার পণ্যের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায়ও বাজারে চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
আরও খবর পড়ুন:

জোরপূর্বক শ্রম কমিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় বাংলাদেশসহ ৬০টি দেশের ওপর আবার অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। এর মধ্যে বাংলাদেশসহ ১৫টি দেশের ওপর ১০ শতাংশ এবং বাকি ৪৫টি দেশের ওপর সাড়ে ১২ শতাংশ হারে শুল্ক বসানোর কথা বলা হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশের রপ্তানি আয়ে আবারও পতন দেখা দিয়েছে। বিদায়ী মে মাসে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৪৪০ কোটি ২৮ লাখ ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ কম। তবে আগের মাস এপ্রিলের তুলনায় মে মাসে রপ্তানি আয় প্রায় ৯ দশমিক ৮০ শতাংশ বেড়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
অর্থমন্ত্রী বলেন, যে অর্থনীতি বাংলাদেশের মানুষের বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণ করতে পারবে এবং যে উন্নয়নের স্বপ্ন আমরা দেখাতে চেষ্টা করছি, ট্রিলিয়ন ডলার ইকোনমির দিকে আমরা যাচ্ছি। সেটা যাতে বাস্তবায়ন হতে পারে। সেই চেষ্টা করছি।
১৭ ঘণ্টা আগে
জোরপূর্বক শ্রমে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশসহ আরও ৫৯টি দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসন স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার ৬০টি দেশ থেকে আমদানির উপর ১০ থেকে সাড়ে ১২ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, জোরপূর্বক শ্রমের মাধ্যমে
১ দিন আগে