
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ঢাকা-নারিতা ফ্লাইটের শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে হোটেল ওয়েলকো নারিতায় স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বিমানের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল সোমবার রাতে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী।
অতিথিবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমদ, জাপানে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ড. দুর্গা বাহাদুর সুবেদি, বিমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর করপোরেশনের প্রেসিডেন্ট ও সিইও আকিহিকো তামুরা, জাপানে বিমানের জিএসএ ওয়েস্টার্ন অ্যাসোসিয়েশন আইএনসি. এর প্রেসিডেন্ট তোমোইচি ওনিশি, জাপানে নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাসের বাণিজ্য বিষয়ক ফার্স্ট সেক্রেটারি সুরেশ লাকাভাথ এবং জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপপরিচালক উনো আনরি।
এ ছাড়া অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ইন জাপানের নেতৃবৃন্দ, জাপানে অবস্থানরত সম্মানিত প্রবাসী বাঙালিগণ, জাপানের জিএসএ ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিমানের প্রতিনিধিবৃন্দ, ট্রাভেল এজেন্সির প্রতিনিধিগণ, এমজিএইচ গ্রুপের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ। বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও শফিউল আজিম অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
স্বাগত বক্তব্যে শফিউল আজিম বলেন, বিমানের ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট বন্ধুপ্রতিম দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগব্যবস্থাকে সহজ করেছে। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে, সাংস্কৃতিক বিনিময় হবে, পাশাপাশি পর্যটনশিল্পেরও প্রসার ঘটবে। এই রুট চালুর ক্ষেত্রে সার্বিক নির্দেশনা ও আন্তরিক সহযোগিতা প্রদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলীকে ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে জাপান ও বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ, নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, জিএসএসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান। তিনি জাপানে বসবাসরত সম্মানিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের এবং জাপানিজ ডেলিগেটদের বিমানে ভ্রমণের আমন্ত্রণ জানান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেন, জাপান বাংলাদেশের সব থকে পরীক্ষিত বন্ধু। স্বাধীনতা যুদ্ধের পর প্রথম যে কয়টি দেশ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল জাপান তাদের মধ্যে একটি। জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্ব আরও দৃঢ় হয়, যখন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে জাপান সফর করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিছুদিন পূর্বে জাপান সফর করেছেন। জাপান বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস সরাসরি ঢাকা ও নারিতার মধ্যে বিমান যোগাযোগ চালু করায় সম্মানিত জাপানপ্রবাসীগণ সব থেকে বেশি সুফল লাভ করবেন। তাঁদের ট্রানজিট ভোগান্তি দূর হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশের বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে অসংখ্য জাপানি নাগরিক যুক্ত আছেন, তাঁরাও এর সুফল ভোগ করতে পারবেন। সর্বোপরি বন্ধুপ্রতিম দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগব্যবস্থা আরও সহজ হবে। ফলে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়বে এবং উভয় দেশের নাগরিকগণ এর সুফল পাবেন।
বিমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান জনাব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন বলেন, বিমানের ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট দুই দেশের অ্যাভিয়েশন শিল্প ও যোগাযোগব্যবস্থায় একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক। বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হওয়ায় দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে এবং নিত্যনতুন সহযোগিতার খাত উন্মোচিত হবে।
জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমদ বলেন, জাপানের সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইট চালু হওয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিগণ সহজে মাতৃভূমিতে যাতায়াত করতে পারবেন। যাত্রাকালীন ভোগান্তি কমে আসবে। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে এটি কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।
বিমান ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট চালু করায় নেপালের রাষ্ট্রদূত ড. দুর্গা বাহাদুর সুবেদি বিমান কর্তৃপক্ষকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, এর ফলে নেপালের নাগরিকগণও উপকৃত হবেন। জাপানের অতিথিবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসকে জাপানে স্বাগত জানান এবং নতুন এই রুটের সফলতার বিষয়ে শুভ কামনা জানান।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে বিমান সাংস্কৃতিক দলের অংশগ্রহণে বাংলাদেশ ও জাপানের ঐতিহাসিক সম্পর্ক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য নির্ভর এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ০২ সেপ্টেম্বর বিমানের ঢাকা-নারিতা রুটের প্রথম ফ্লাইট বিজি ৩৭৬ নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর ওয়াটা ক্যানন স্যালুট দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। এদিন নারিতা থেকে বিমানের প্রথম ফ্লাইট বিজি ৩৭৭ ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রাকালে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ও বিমান ম্যানেজমেন্ট নারিতা বিমানবন্দরে যাত্রীদেরকে শুভেচ্ছা জানান। গত ৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ইন জাপানের আমন্ত্রণে প্রতিমন্ত্রী ও বিমানের প্রতিনিধিবৃন্দ সম্মানিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ঢাকা-নারিতা ফ্লাইটের শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে হোটেল ওয়েলকো নারিতায় স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বিমানের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল সোমবার রাতে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী।
অতিথিবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমদ, জাপানে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ড. দুর্গা বাহাদুর সুবেদি, বিমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর করপোরেশনের প্রেসিডেন্ট ও সিইও আকিহিকো তামুরা, জাপানে বিমানের জিএসএ ওয়েস্টার্ন অ্যাসোসিয়েশন আইএনসি. এর প্রেসিডেন্ট তোমোইচি ওনিশি, জাপানে নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাসের বাণিজ্য বিষয়ক ফার্স্ট সেক্রেটারি সুরেশ লাকাভাথ এবং জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপপরিচালক উনো আনরি।
এ ছাড়া অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ইন জাপানের নেতৃবৃন্দ, জাপানে অবস্থানরত সম্মানিত প্রবাসী বাঙালিগণ, জাপানের জিএসএ ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিমানের প্রতিনিধিবৃন্দ, ট্রাভেল এজেন্সির প্রতিনিধিগণ, এমজিএইচ গ্রুপের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ। বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও শফিউল আজিম অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
স্বাগত বক্তব্যে শফিউল আজিম বলেন, বিমানের ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট বন্ধুপ্রতিম দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগব্যবস্থাকে সহজ করেছে। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে, সাংস্কৃতিক বিনিময় হবে, পাশাপাশি পর্যটনশিল্পেরও প্রসার ঘটবে। এই রুট চালুর ক্ষেত্রে সার্বিক নির্দেশনা ও আন্তরিক সহযোগিতা প্রদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলীকে ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে জাপান ও বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ, নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, জিএসএসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান। তিনি জাপানে বসবাসরত সম্মানিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের এবং জাপানিজ ডেলিগেটদের বিমানে ভ্রমণের আমন্ত্রণ জানান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেন, জাপান বাংলাদেশের সব থকে পরীক্ষিত বন্ধু। স্বাধীনতা যুদ্ধের পর প্রথম যে কয়টি দেশ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল জাপান তাদের মধ্যে একটি। জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্ব আরও দৃঢ় হয়, যখন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে জাপান সফর করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিছুদিন পূর্বে জাপান সফর করেছেন। জাপান বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস সরাসরি ঢাকা ও নারিতার মধ্যে বিমান যোগাযোগ চালু করায় সম্মানিত জাপানপ্রবাসীগণ সব থেকে বেশি সুফল লাভ করবেন। তাঁদের ট্রানজিট ভোগান্তি দূর হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশের বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে অসংখ্য জাপানি নাগরিক যুক্ত আছেন, তাঁরাও এর সুফল ভোগ করতে পারবেন। সর্বোপরি বন্ধুপ্রতিম দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগব্যবস্থা আরও সহজ হবে। ফলে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়বে এবং উভয় দেশের নাগরিকগণ এর সুফল পাবেন।
বিমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান জনাব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন বলেন, বিমানের ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট দুই দেশের অ্যাভিয়েশন শিল্প ও যোগাযোগব্যবস্থায় একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক। বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হওয়ায় দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে এবং নিত্যনতুন সহযোগিতার খাত উন্মোচিত হবে।
জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমদ বলেন, জাপানের সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইট চালু হওয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিগণ সহজে মাতৃভূমিতে যাতায়াত করতে পারবেন। যাত্রাকালীন ভোগান্তি কমে আসবে। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে এটি কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।
বিমান ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট চালু করায় নেপালের রাষ্ট্রদূত ড. দুর্গা বাহাদুর সুবেদি বিমান কর্তৃপক্ষকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, এর ফলে নেপালের নাগরিকগণও উপকৃত হবেন। জাপানের অতিথিবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসকে জাপানে স্বাগত জানান এবং নতুন এই রুটের সফলতার বিষয়ে শুভ কামনা জানান।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে বিমান সাংস্কৃতিক দলের অংশগ্রহণে বাংলাদেশ ও জাপানের ঐতিহাসিক সম্পর্ক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য নির্ভর এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ০২ সেপ্টেম্বর বিমানের ঢাকা-নারিতা রুটের প্রথম ফ্লাইট বিজি ৩৭৬ নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর ওয়াটা ক্যানন স্যালুট দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। এদিন নারিতা থেকে বিমানের প্রথম ফ্লাইট বিজি ৩৭৭ ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রাকালে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ও বিমান ম্যানেজমেন্ট নারিতা বিমানবন্দরে যাত্রীদেরকে শুভেচ্ছা জানান। গত ৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ইন জাপানের আমন্ত্রণে প্রতিমন্ত্রী ও বিমানের প্রতিনিধিবৃন্দ সম্মানিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।

ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
৮ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বড় ধরনের কাটছাঁটের মুখে পড়ছে আটটি মেগা প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অবকাঠামো খাতেই এই সংকোচন সবচেয়ে বেশি।
৮ ঘণ্টা আগে
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়ায় হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা।
৮ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা থাকলেও টানা দুই প্রান্তিকে বাংলাদেশে প্রকৃত বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বেড়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) গতকাল রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে