নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা থাকলেও টানা দুই প্রান্তিকে বাংলাদেশে প্রকৃত বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বেড়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) গতকাল রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিডা বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান উদ্ধৃত করে জানায়, ২০২৫ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশে নিট এফডিআই দাঁড়িয়েছে ৩১ কোটি ৫০ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার, যা ২০২৪ সালের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২০২ শতাংশ বেশি। এতে দেশের বিনিয়োগ পরিবেশে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থার ইতিবাচক প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে নিট এফডিআই ছিল ১০ কোটি ৪৩ লাখ ৩০ হাজার ডলার। এক বছরের ব্যবধানে এফডিআইয়ের তিনটি প্রধান উপাদানেই উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। এর মধ্যে ইক্যুইটি বিনিয়োগ ৩১ দশমিক ৬৯ শতাংশ বেড়ে আগের বছরের ৭ কোটি ৬৭ লাখ ৯০ হাজার ডলার থেকে ২০২৫ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে দাঁড়িয়েছে ১০ কোটি ১১ লাখ ২০ হাজার ডলারে।
সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি এসেছে পুনর্বিনিয়োগকৃত আয় বা রিইনভেস্টেড আর্নিংস খাতে। ২০২৪ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে যেখানে এ খাতে বিনিয়োগ ছিল ৭ কোটি ২৯ লাখ ডলার, সেখানে ২০২৫ সালের একই সময়ে তা বেড়ে হয়েছে ২১ কোটি ১৪ লাখ ৭০ হাজার ডলার, যা শতকরা হিসাবে ১৯০ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ বৃদ্ধি।
অন্যদিকে, আত্মপ্রতিষ্ঠার ঋণ বা ইন্ট্রা-কোম্পানি লোন খাতেও ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। আগের বছর যেখানে এই খাতে নিট বিনিয়োগ ছিল ঋণাত্মক ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৬০ হাজার ডলার, সেখানে ২০২৫ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে তা ঘুরে দাঁড়িয়ে ২৪ লাখ ৯০ হাজার ডলারের ইতিবাচক অবস্থানে পৌঁছেছে।
সামগ্রিকভাবে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে মোট নিট এফডিআই দাঁড়িয়েছে ১৪১ কোটি মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের ৭৮ কোটি ডলারের তুলনায় প্রায় ৮০ শতাংশ বেশি।
এর আগে ২০২৫ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকেও (এপ্রিল-জুন) ইতিবাচক ধারা বজায় ছিল। ওই প্রান্তিকে নিট এফডিআই ছিল ৩০ কোটি ৩২ লাখ ৭০ হাজার ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১১ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি। ফলে বছরের প্রথম ছয় মাসে নিট এফডিআই আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬১ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, ব্যবসা পরিবেশ উন্নয়ন এবং সম্ভাবনাময় বিনিয়োগের একটি বিশ্বাসযোগ্য পাইপলাইন তৈরি করাই বিডার মূল লক্ষ্য। তাঁর ভাষায়, এই পাইপলাইন থেকে বাস্তব বিনিয়োগ আসতে শুরু করা অত্যন্ত উৎসাহজনক। তুলনামূলক মানদণ্ড এখনো নিচু হলেও টানা দুই প্রান্তিকের এই প্রবৃদ্ধি প্রমাণ করে বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে আস্থা রাখছেন।

বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা থাকলেও টানা দুই প্রান্তিকে বাংলাদেশে প্রকৃত বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বেড়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) গতকাল রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিডা বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান উদ্ধৃত করে জানায়, ২০২৫ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশে নিট এফডিআই দাঁড়িয়েছে ৩১ কোটি ৫০ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার, যা ২০২৪ সালের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২০২ শতাংশ বেশি। এতে দেশের বিনিয়োগ পরিবেশে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থার ইতিবাচক প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে নিট এফডিআই ছিল ১০ কোটি ৪৩ লাখ ৩০ হাজার ডলার। এক বছরের ব্যবধানে এফডিআইয়ের তিনটি প্রধান উপাদানেই উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। এর মধ্যে ইক্যুইটি বিনিয়োগ ৩১ দশমিক ৬৯ শতাংশ বেড়ে আগের বছরের ৭ কোটি ৬৭ লাখ ৯০ হাজার ডলার থেকে ২০২৫ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে দাঁড়িয়েছে ১০ কোটি ১১ লাখ ২০ হাজার ডলারে।
সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি এসেছে পুনর্বিনিয়োগকৃত আয় বা রিইনভেস্টেড আর্নিংস খাতে। ২০২৪ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে যেখানে এ খাতে বিনিয়োগ ছিল ৭ কোটি ২৯ লাখ ডলার, সেখানে ২০২৫ সালের একই সময়ে তা বেড়ে হয়েছে ২১ কোটি ১৪ লাখ ৭০ হাজার ডলার, যা শতকরা হিসাবে ১৯০ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ বৃদ্ধি।
অন্যদিকে, আত্মপ্রতিষ্ঠার ঋণ বা ইন্ট্রা-কোম্পানি লোন খাতেও ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। আগের বছর যেখানে এই খাতে নিট বিনিয়োগ ছিল ঋণাত্মক ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৬০ হাজার ডলার, সেখানে ২০২৫ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে তা ঘুরে দাঁড়িয়ে ২৪ লাখ ৯০ হাজার ডলারের ইতিবাচক অবস্থানে পৌঁছেছে।
সামগ্রিকভাবে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে মোট নিট এফডিআই দাঁড়িয়েছে ১৪১ কোটি মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের ৭৮ কোটি ডলারের তুলনায় প্রায় ৮০ শতাংশ বেশি।
এর আগে ২০২৫ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকেও (এপ্রিল-জুন) ইতিবাচক ধারা বজায় ছিল। ওই প্রান্তিকে নিট এফডিআই ছিল ৩০ কোটি ৩২ লাখ ৭০ হাজার ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১১ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি। ফলে বছরের প্রথম ছয় মাসে নিট এফডিআই আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬১ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, ব্যবসা পরিবেশ উন্নয়ন এবং সম্ভাবনাময় বিনিয়োগের একটি বিশ্বাসযোগ্য পাইপলাইন তৈরি করাই বিডার মূল লক্ষ্য। তাঁর ভাষায়, এই পাইপলাইন থেকে বাস্তব বিনিয়োগ আসতে শুরু করা অত্যন্ত উৎসাহজনক। তুলনামূলক মানদণ্ড এখনো নিচু হলেও টানা দুই প্রান্তিকের এই প্রবৃদ্ধি প্রমাণ করে বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে আস্থা রাখছেন।

ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
১ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বড় ধরনের কাটছাঁটের মুখে পড়ছে আটটি মেগা প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অবকাঠামো খাতেই এই সংকোচন সবচেয়ে বেশি।
১ ঘণ্টা আগে
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়ায় হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা।
১ ঘণ্টা আগে
নতুন উদ্যোক্তা তৈরি এবং দেশের উদীয়মান ব্যবসায়ী উদ্যোগগুলোকে সহায়তা করতে বাংলাদেশ ব্যাংক ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ পুনঃ অর্থায়ন তহবিল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। এ তহবিল বাস্তবায়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে একটি অংশগ্রহণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে এনআরবি ব্যাংক পিএলসি।
৫ ঘণ্টা আগে