আজকের পত্রিকা ডেস্ক

রেমিট্যান্স দেশে আনতে বিদেশি বিভিন্ন এক্সচেঞ্জ হাউস থেকে কেনা ডলারের দাম এতদিন ছিল ১২০ টাকা। সেখান থেকে ২ টাকা বৃদ্ধি করে ১২২ টাকা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
নতুন সিদ্ধান্ত আজ রোববার থেকে কার্যকর করা হয়েছে। আর নতুন রেট বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবে প্রকাশ করা হয়েছে। অথচ গত জানুয়ারিতে ডলারের রেট ছিল ১১০ টাকা। সেই হিসাবে মাত্র ৮ মাসে ডলারের দাম বেড়েছে ১২ টাকা।
জানা গেছে, গত ১ সেপ্টেম্বর দেশে সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকের ট্রেজারিপ্রধানদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ডলারের দাম নির্ধারণ করা হয় ১২০ টাকা। আর গত ৮ মে ক্রলিং পেগ পদ্ধতিতে ডলারে দাম এক দিনে ৭ টাকা বৃদ্ধি করে ১১৭ টাকা করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা জানান, আমদানিনির্ভর দেশ হওয়ায় ডলারের দাম বাড়ায় আমদানি খরচ বেড়ে গেছে। সামনে দাম আরও বাড়বে। চাপ বাড়বে সাধারণ মানুষের। আর মূল্যস্ফীতি আরও বেড়ে গেলে সাধারণ মানুষ আরও নাকাল হয়ে পড়বে।
এদিকে খোলাবাজারে প্রতি ডলার ১২৪-১২৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে সীমান্ত এলাকাগুলোয় প্রতি ডলার বিক্রি হচ্ছে ১২৭ টাকা করে। ঢাকার বিমানবন্দরসহ কিছু এলাকায়ও প্রতি ডলার ১২৬-১২৭ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র ও ব্যাংকিং নীতি ও প্রবিধি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ শাহরিয়ার সিদ্দিকী আজকের পত্রিকাকে বলেন, সম্প্রতি ডলারের রেট বেড়েছে। সে জন্য রেট বাজারমুখী করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সেই ধারাবাহিকতায় বাজারের দিকে খেয়াল রেখেই নতুন রেট নির্ধারণ করা হয়েছে। ডলার বাজার নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট তৎপরতা রয়েছে। সম্প্রতি ডলারে স্বস্তিও ফিরেছে। আর দ্রব্যমূল্যের প্রভাব এখন বিষয় নয়।

রেমিট্যান্স দেশে আনতে বিদেশি বিভিন্ন এক্সচেঞ্জ হাউস থেকে কেনা ডলারের দাম এতদিন ছিল ১২০ টাকা। সেখান থেকে ২ টাকা বৃদ্ধি করে ১২২ টাকা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
নতুন সিদ্ধান্ত আজ রোববার থেকে কার্যকর করা হয়েছে। আর নতুন রেট বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবে প্রকাশ করা হয়েছে। অথচ গত জানুয়ারিতে ডলারের রেট ছিল ১১০ টাকা। সেই হিসাবে মাত্র ৮ মাসে ডলারের দাম বেড়েছে ১২ টাকা।
জানা গেছে, গত ১ সেপ্টেম্বর দেশে সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকের ট্রেজারিপ্রধানদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ডলারের দাম নির্ধারণ করা হয় ১২০ টাকা। আর গত ৮ মে ক্রলিং পেগ পদ্ধতিতে ডলারে দাম এক দিনে ৭ টাকা বৃদ্ধি করে ১১৭ টাকা করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা জানান, আমদানিনির্ভর দেশ হওয়ায় ডলারের দাম বাড়ায় আমদানি খরচ বেড়ে গেছে। সামনে দাম আরও বাড়বে। চাপ বাড়বে সাধারণ মানুষের। আর মূল্যস্ফীতি আরও বেড়ে গেলে সাধারণ মানুষ আরও নাকাল হয়ে পড়বে।
এদিকে খোলাবাজারে প্রতি ডলার ১২৪-১২৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে সীমান্ত এলাকাগুলোয় প্রতি ডলার বিক্রি হচ্ছে ১২৭ টাকা করে। ঢাকার বিমানবন্দরসহ কিছু এলাকায়ও প্রতি ডলার ১২৬-১২৭ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র ও ব্যাংকিং নীতি ও প্রবিধি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ শাহরিয়ার সিদ্দিকী আজকের পত্রিকাকে বলেন, সম্প্রতি ডলারের রেট বেড়েছে। সে জন্য রেট বাজারমুখী করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সেই ধারাবাহিকতায় বাজারের দিকে খেয়াল রেখেই নতুন রেট নির্ধারণ করা হয়েছে। ডলার বাজার নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট তৎপরতা রয়েছে। সম্প্রতি ডলারে স্বস্তিও ফিরেছে। আর দ্রব্যমূল্যের প্রভাব এখন বিষয় নয়।

সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল—রাষ্ট্রায়ত্ত এই ৬ ব্যাংকের ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা আর হিসাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই; যা এই ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
৬ ঘণ্টা আগে
মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ বাস্তবতাই এবার আসন্ন মুদ্রানীতির মূল সুর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের পর নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আপাতত নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না।
৭ ঘণ্টা আগে
উন্নয়ন বিবেচনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো আঞ্চলিক প্রতিযোগী পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় দুই থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময় পিছিয়ে আছে বলে মনে করছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী ২০২৬ দিগন্ত...
৭ ঘণ্টা আগে
অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) শেয়ার হঠাৎ করেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। দীর্ঘদিন দরপতনের পর এক টাকার নিচে নেমে যাওয়া এসব শেয়ার আজ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ সার্কিট ব্রেকারে ঠেকে যায়। এতে প্রশ্ন উঠেছে, আর্থিকভাবে দেউলিয়া
১১ ঘণ্টা আগে