বাজারে চিনির দাম সহনীয় ও স্থিতিশীল রাখতে আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে আমদানি শুল্ক কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পরিশোধিত চিনির আমদানি শুল্ক প্রতি টনে ৪ হাজার ৫০০ থেকে কমিয়ে ৪ হাজার টাকা করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। আজ সোমবার বেলা ৩টায় জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।
এর আগে, ২০২৪ সালের অক্টোবরে পরিশোধিত চিনির আমদানি শুল্ক প্রতি টনে ৬ হাজার থেকে কমিয়ে ৪ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একই সময়, পরিশোধিত ও অপরিশোধিত চিনির ওপর নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশে আনা হয়।
চিনির পাশাপাশি নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণেও নেওয়া হচ্ছে উদ্যোগ। প্রস্তাবিত বাজেটে এসব পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে এলসি (ঋণপত্র) খোলার সময় উৎসে কর ১ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০.৫ শতাংশ করার কথা বলা হয়েছে। উৎসে কর হ্রাসের প্রস্তাব যেসব পণ্যে প্রযোজ্য হবে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ধান, গম, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, ডাল, আদা, হলুদ, শুকনো মরিচ, ভুট্টা, মোটা আটা, ভোজ্যতেল, লবণ, চিনি, বাদাম, খেজুর, কম্পিউটার ও এর যন্ত্রাংশসহ সব ধরনের ফল।

গ্যাস-সংযোগ পেতে বছরের পর বছর অপেক্ষা; ব্যাংকঋণে চড়া সুদ; খেলাপি ঋণের পাহাড়; বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহে সংকোচন—এমন বাস্তবতায় নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের স্বপ্নকে ‘উচ্চাভিলাষী’ বলেই মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। তাঁদের বক্তব্য স্পষ্ট, জ্বালানি ও অর্থায়ন সংকট না কাটলে বিনিয়োগনির্ভর প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব নয়।
২ ঘণ্টা আগে
টানা সাত মাস ধরে কমছে দেশের রপ্তানি। এর ওপর ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চলমান সংঘাতে মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি বন্ধ হয়ে গেছে; যা রপ্তানি আয়ে আরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা রপ্তানিকারকদের।
২ ঘণ্টা আগে
ঈদুল ফিতর সামনে রেখে তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন খাতের ১ হাজারের বেশি শিল্পকারখানার শ্রমিক-কর্মচারীর বেতন-বোনাস বকেয়া পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। একে কেন্দ্র করে কারখানাগুলোতে যাতে অস্থিরতা তৈরি না হয়, সে জন্য আগে থেকে তৎপর রয়েছে গোয়েন্দারা। যেসব কারখানায় বেতন-বোনাস বকেয়া থাকার আশঙ্কা রয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের...
৩ ঘণ্টা আগে
মাসরুর আরেফিন বলেন, ‘প্রিন্সিপালস ফর রেসপনসিবল ব্যাংকিংয়ে যোগদান আমাদের টেকসই ব্যাংকিং যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এর মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহায়তা, জলবায়ু অর্থায়ন জোরদার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে আমাদের ভূমিকা বৈশ্বিক পরিসরে তুলে ধরতে পারব।
৭ ঘণ্টা আগে