রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ জাকির হোসেন হেলালের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় শিক্ষার্থীরা কলেজ চত্বরে এই কর্মসূচি করেন।
শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনে আসার পর বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়। স্লোগানে শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘আমাদের দাবি মানতে হবে, মানতে হবে। একদফা এক দাবি অধ্যক্ষের পদত্যাগ।’
বিক্ষোভ মিছিলে এসে কলেজের পক্ষে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন প্রভাষক কামাল উদ্দীন, মোস্তাফিজুর রহমান ও সহকারী অধ্যাপক শাহাজাহান আলী। এ সময় শিক্ষার্থীদের উদ্দ্যেশে সহকারী অধ্যাপক শাহাজাহান আলী বলেন, ‘তোমাদের দাবিগুলো লিখিত আকারে দাও। দাবী নিয়ে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বিক্ষোভ কর্মসূচির সময় শিক্ষার্থীরা সাংবাদিকদের বলেন, কলেজে বহিরাগতরা চলাফেরা করে, ছাত্রীদের বিরক্ত করে। বিভিন্নভাবে হয়রানি করে। কলেজ চত্বরে মাদক সেবন হয়। পরীক্ষার ফি বেশি নেওয়া হয়। কলেজের কক্ষগুলো ঠিকমতো পরিস্কার করা হয় না। অধ্যক্ষ নিয়মিত অফিস করে না। তিনি কখনো শ্রেনি কক্ষগুলোতে পরির্দশনে যান না। এমন অনেক অভিযোগ তুলে শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘তিনি একজন ব্যর্থ অধ্যক্ষ। তাঁকে দিয়ে এতবড় একটি কলেজ পরিচালনা করা সম্ভব নয়। তাই আমরা অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবি করছি।’
শিক্ষার্থী হামিম রানা বলেন, ‘কলেজটি কে নিয়ন্ত্রন করছে। অধ্যক্ষ না অন্য কেউ, তা বুঝতে পারছি না।’ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ছাত্রী জানান, বাইরে থেকে একজন ছেলে এসে তাঁকে বিরক্ত করেছেন। তিনি এ বিষয় কলেজ কর্তৃপক্ষকে জানালেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
কলেজের ছাত্রনেতা আতিকুর রহমান আতিক বলেন, কলেজে আজ মিছিল হলো, মিছিল শেষে শিক্ষক প্রতিনিধিদের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দাবি নিয়ে একটি পত্র অধ্যক্ষকে দেওয়া হলো। এ দাবিগুলো পূরণে যদি কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নেওয়া হয়। তাহলে আগামীতে আরো বৃহত্তর আন্দোলন করা হবে।

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ জাকির হোসেন হেলালের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় শিক্ষার্থীরা কলেজ চত্বরে এই কর্মসূচি করেন।
শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনে আসার পর বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়। স্লোগানে শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘আমাদের দাবি মানতে হবে, মানতে হবে। একদফা এক দাবি অধ্যক্ষের পদত্যাগ।’
বিক্ষোভ মিছিলে এসে কলেজের পক্ষে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন প্রভাষক কামাল উদ্দীন, মোস্তাফিজুর রহমান ও সহকারী অধ্যাপক শাহাজাহান আলী। এ সময় শিক্ষার্থীদের উদ্দ্যেশে সহকারী অধ্যাপক শাহাজাহান আলী বলেন, ‘তোমাদের দাবিগুলো লিখিত আকারে দাও। দাবী নিয়ে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বিক্ষোভ কর্মসূচির সময় শিক্ষার্থীরা সাংবাদিকদের বলেন, কলেজে বহিরাগতরা চলাফেরা করে, ছাত্রীদের বিরক্ত করে। বিভিন্নভাবে হয়রানি করে। কলেজ চত্বরে মাদক সেবন হয়। পরীক্ষার ফি বেশি নেওয়া হয়। কলেজের কক্ষগুলো ঠিকমতো পরিস্কার করা হয় না। অধ্যক্ষ নিয়মিত অফিস করে না। তিনি কখনো শ্রেনি কক্ষগুলোতে পরির্দশনে যান না। এমন অনেক অভিযোগ তুলে শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘তিনি একজন ব্যর্থ অধ্যক্ষ। তাঁকে দিয়ে এতবড় একটি কলেজ পরিচালনা করা সম্ভব নয়। তাই আমরা অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবি করছি।’
শিক্ষার্থী হামিম রানা বলেন, ‘কলেজটি কে নিয়ন্ত্রন করছে। অধ্যক্ষ না অন্য কেউ, তা বুঝতে পারছি না।’ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ছাত্রী জানান, বাইরে থেকে একজন ছেলে এসে তাঁকে বিরক্ত করেছেন। তিনি এ বিষয় কলেজ কর্তৃপক্ষকে জানালেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
কলেজের ছাত্রনেতা আতিকুর রহমান আতিক বলেন, কলেজে আজ মিছিল হলো, মিছিল শেষে শিক্ষক প্রতিনিধিদের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দাবি নিয়ে একটি পত্র অধ্যক্ষকে দেওয়া হলো। এ দাবিগুলো পূরণে যদি কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নেওয়া হয়। তাহলে আগামীতে আরো বৃহত্তর আন্দোলন করা হবে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে