গোপালপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে কুখ্যাত সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত জাহাঙ্গীর মণ্ডল (৪৫) ওরফে চাকমা জাহাঙ্গীরকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আজ বুধবার ভোরে তিনি মারা যান।
জাহাঙ্গীর হেমনগর ইউনিয়নের মধ্য শাখারিয়া গ্রামের নাজিম উদ্দীনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, জাহাঙ্গীর গতকাল মঙ্গলবার গভীর রাতে অজ্ঞাতনামা স্থান থেকে ঝাওয়াইল ইউনিয়নের সোনামুই বাজারে আসেন। সেখান থেকে নলিন বাজারে ফেরার পথে শাখারিয়া স্লুইসগেট এলাকায় প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা চালায়। তাঁকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়। তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘বহু মামলার আসামি সন্ত্রাসী চাকমা জাহাঙ্গীরের নাগাল পাচ্ছিল না পুলিশ। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। দুপুর ১২টা পর্যন্ত কেউ থানায় মামলা করতে আসেনি।’
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে গোপালপুর, ভূঞাপুর ও মির্জাপুর থানায় মাদক, চাঁদাবাজি, নারী নির্যাতন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে দেড় ডজন মামলা রয়েছে। মাদক ও বালু ব্যবসা ও চাঁদাবাজির টাকা ভাগ-বাঁটোয়ারার দ্বন্দ্বে প্রতিপক্ষের হাতে তিনি খুন হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে পুলিশ।
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ সুপারের কাছে এলাকাবাসীর দেওয়া অভিযোগ থেকে জানা গেছে, যমুনা নদীর ঘাটে অবৈধ বালুর ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ, মাদক ব্যবসা, ছিনতাই, সড়ক পথে ডাকাতি, নারী নির্যাতন ও চাঁদাবাজির সংঘবদ্ধ একটি দল চালাতেন জাহাঙ্গীর। দলটির অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে টাঙ্গাইল ও জামালপুরের যমুনা তীরের জনপদ অশান্ত হয়ে ওঠে।
হেমনগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গোলাম রোজ তালুকদার বলেন, ‘চাকমা জাহাঙ্গীর ছিলেন কুখ্যাত সন্ত্রাসী। তাঁর বেপরোয়া কর্মকাণ্ডে মানুষ অতিষ্ঠ ছিল। তাঁরই প্রতিপক্ষের হাতে সে খুন হয়েছেন।’

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে কুখ্যাত সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত জাহাঙ্গীর মণ্ডল (৪৫) ওরফে চাকমা জাহাঙ্গীরকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আজ বুধবার ভোরে তিনি মারা যান।
জাহাঙ্গীর হেমনগর ইউনিয়নের মধ্য শাখারিয়া গ্রামের নাজিম উদ্দীনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, জাহাঙ্গীর গতকাল মঙ্গলবার গভীর রাতে অজ্ঞাতনামা স্থান থেকে ঝাওয়াইল ইউনিয়নের সোনামুই বাজারে আসেন। সেখান থেকে নলিন বাজারে ফেরার পথে শাখারিয়া স্লুইসগেট এলাকায় প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা চালায়। তাঁকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়। তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘বহু মামলার আসামি সন্ত্রাসী চাকমা জাহাঙ্গীরের নাগাল পাচ্ছিল না পুলিশ। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। দুপুর ১২টা পর্যন্ত কেউ থানায় মামলা করতে আসেনি।’
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে গোপালপুর, ভূঞাপুর ও মির্জাপুর থানায় মাদক, চাঁদাবাজি, নারী নির্যাতন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে দেড় ডজন মামলা রয়েছে। মাদক ও বালু ব্যবসা ও চাঁদাবাজির টাকা ভাগ-বাঁটোয়ারার দ্বন্দ্বে প্রতিপক্ষের হাতে তিনি খুন হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে পুলিশ।
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ সুপারের কাছে এলাকাবাসীর দেওয়া অভিযোগ থেকে জানা গেছে, যমুনা নদীর ঘাটে অবৈধ বালুর ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ, মাদক ব্যবসা, ছিনতাই, সড়ক পথে ডাকাতি, নারী নির্যাতন ও চাঁদাবাজির সংঘবদ্ধ একটি দল চালাতেন জাহাঙ্গীর। দলটির অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে টাঙ্গাইল ও জামালপুরের যমুনা তীরের জনপদ অশান্ত হয়ে ওঠে।
হেমনগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গোলাম রোজ তালুকদার বলেন, ‘চাকমা জাহাঙ্গীর ছিলেন কুখ্যাত সন্ত্রাসী। তাঁর বেপরোয়া কর্মকাণ্ডে মানুষ অতিষ্ঠ ছিল। তাঁরই প্রতিপক্ষের হাতে সে খুন হয়েছেন।’

গভীর রাতে হঠাৎ বিএনপি কার্যালয় থেকে আগুনের শিখা উঠতে দেখে এক ব্যক্তি চিৎকার শুরু করেন। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পানি ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেলেও কার্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ পুড়ে যায়।
১৬ মিনিট আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় তিন বাংলাদেশি যুবককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় তাঁদের ভারতে যেতে সহায়তাকারী মানব পাচার চক্রের এক সদস্যকে আটক করা হয়। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সদর উপজেলার বকচর সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁদেরকে আটক করা হয়।
২৪ মিনিট আগে
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় চলতি শীতে ঠান্ডাজনিত রোগে গত তিন মাসে প্রায় দেড় হাজার ছাগল মারা গেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় খামারি ও পশু চিকিৎসা কর্মীরা। খামারিদের হিসাব অনুযায়ী, এতে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চরাঞ্চলের প্রান্তিক খামারিরা।
৩১ মিনিট আগে
বরগুনার আমতলী উপজেলার টিয়াখালী কলেজ ভবনের দুটি তলার কক্ষে খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানসামগ্রী রাখা হয়েছে। বাইরে তৈরি করা হয়েছে খোলা শৌচাগার। ভবনে আবাস গড়েছেন শ্রমিকেরা। এ অবস্থায় প্রতিষ্ঠানটির পড়াশোনার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। আট দিন ধরে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে আসছেন না শিক্ষার্থীরা।
৩৭ মিনিট আগে