টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

এখন যাঁরা এমপি হয়েছেন তাঁরা এমপি হওয়ার যোগ্য নন বলে মন্তব্য করেছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পদতলে কাদেরিয়া বাহিনীর অস্ত্র জমাদানের ৫০ বছর পূর্তি উদ্যাপন উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেছেন।
এ সময় কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘আমার লেজ ধরার চেষ্টা কইরেন না। আমি কারোর লেজ ধরি না। বঙ্গবন্ধু মারা যাওয়াতে দেশের কার কি ক্ষতি হয়েছে, পরিবারের কি ক্ষতি হয়েছে তা জানি না। তবে আমার অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। আমি যত দিন বেঁচে থাকব তত দিন বঙ্গবন্ধুকে বুকে ধারণ করে বেঁচে থাকব।’
অনুষ্ঠানে কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ২৪ জানুয়ারি টাঙ্গাইলে এসে অস্ত্র জমা নিয়েছিলেন। অস্ত্র জমা দিলাম বিন্দুবাসিনী স্কুল মাঠে অথচ এখানে কোনো চিহ্ন নেই। টাঙ্গাইলের ডাকবাংলাতে বঙ্গবন্ধু প্রথম এসেছিলেন। গত ১৩-১৪ বছরে বাংলাদেশে অনেক লুটপাট হয়েছে। কিন্তু সরকারি উদ্যোগে টাঙ্গাইলে কোনো মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কেন্দ্র হয়নি। এ ছাড়া নেই আমাদের অস্ত্র জমা দেওয়ারও স্মৃতি চিহ্ন। সেই স্মৃতি ধরে রাখতে স্মৃতিস্তম্ভ করার জন্য মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী আ ক ম মোজ্জামেল হকের কাছে দাবি জানাই’।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করে কাদেরিয়া বাহিনীর অস্ত্র জমাদান উদ্যাপন কমিটির সভাপতি আবু মোহাম্মদ এনায়েত করিম। এ সময় প্রধান অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ. ক. ম মোজাম্মেল হক। আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃনাল কান্তি দাস, সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক মোহন, কবি বুলবুল খান মাহবুব, কবি আল মুজাহিদী, কৃষক শ্রমিক জনতালীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান খোকা বীরপ্রতীক, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর সহধর্মিণী নাসরিন কাদের সিদ্দিকী প্রমুখ।

এখন যাঁরা এমপি হয়েছেন তাঁরা এমপি হওয়ার যোগ্য নন বলে মন্তব্য করেছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পদতলে কাদেরিয়া বাহিনীর অস্ত্র জমাদানের ৫০ বছর পূর্তি উদ্যাপন উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেছেন।
এ সময় কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘আমার লেজ ধরার চেষ্টা কইরেন না। আমি কারোর লেজ ধরি না। বঙ্গবন্ধু মারা যাওয়াতে দেশের কার কি ক্ষতি হয়েছে, পরিবারের কি ক্ষতি হয়েছে তা জানি না। তবে আমার অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। আমি যত দিন বেঁচে থাকব তত দিন বঙ্গবন্ধুকে বুকে ধারণ করে বেঁচে থাকব।’
অনুষ্ঠানে কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ২৪ জানুয়ারি টাঙ্গাইলে এসে অস্ত্র জমা নিয়েছিলেন। অস্ত্র জমা দিলাম বিন্দুবাসিনী স্কুল মাঠে অথচ এখানে কোনো চিহ্ন নেই। টাঙ্গাইলের ডাকবাংলাতে বঙ্গবন্ধু প্রথম এসেছিলেন। গত ১৩-১৪ বছরে বাংলাদেশে অনেক লুটপাট হয়েছে। কিন্তু সরকারি উদ্যোগে টাঙ্গাইলে কোনো মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কেন্দ্র হয়নি। এ ছাড়া নেই আমাদের অস্ত্র জমা দেওয়ারও স্মৃতি চিহ্ন। সেই স্মৃতি ধরে রাখতে স্মৃতিস্তম্ভ করার জন্য মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী আ ক ম মোজ্জামেল হকের কাছে দাবি জানাই’।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করে কাদেরিয়া বাহিনীর অস্ত্র জমাদান উদ্যাপন কমিটির সভাপতি আবু মোহাম্মদ এনায়েত করিম। এ সময় প্রধান অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ. ক. ম মোজাম্মেল হক। আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃনাল কান্তি দাস, সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক মোহন, কবি বুলবুল খান মাহবুব, কবি আল মুজাহিদী, কৃষক শ্রমিক জনতালীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান খোকা বীরপ্রতীক, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর সহধর্মিণী নাসরিন কাদের সিদ্দিকী প্রমুখ।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে