
টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে বাসের চাপায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা আরোহী মা-ছেলেসহ তিন যাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন আরেক নারী যাত্রী। পালিয়ে গেছেন অটোচালক।
আজ সোমবার বেলা ২টার দিকে টাঙ্গাইল-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের বাঘিল-নেকিবাড়ী এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। ধনবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম শহীদুল্লাহ বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন।
নিহত তিনজন হলেন জামালপুর সদরের দিগপাইত এলাকার মজিবর রহমান জোয়ার্দারের মেয়ে কাজল রেখা (৪০) ও কাজলের ছেলে শ্রাবণ (১৫) এবং ময়মনসিংহ সদরের সূর্যের স্ত্রী ফুলকুমারী (৩৫)। আহত হয়েছেন ময়মনসিংহ সদরের বাসন্তী (৫০)।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, একটি অটোরিকশা যাত্রী নিয়ে দিগপাইত থেকে মধুপুর হয়ে ময়মনসিংহের ভালুকা যাচ্ছিল। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা মাহি এক্সপ্রেসের একটি বাস রিকশাটিকে চাপা দিলে এটি দুমড়েমুচড়ে ঘটনাস্থলে এক যাত্রী নিহত হন।
পরে পুলিশ ও এলাকাবাসী রিকশার আহত তিন যাত্রীকে উদ্ধার করে তাঁদের মধ্যে একজনকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং দুজনকে ধনবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। পরবর্তী সময়ে ধনবাড়ী এবং মধুপুরে একজন করে মারা যান। আহত বাসন্তী ধনবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
ধনবাড়ী থানার ওসি শহীদুল্লাহ জানান, লাশ আইনগত প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। অটোরিকশার চালক পলাতক রয়েছেন।

আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনা। প্রিয় দলের পতাকা ও ব্যানারে ঘরবাড়ি সাজানোর দৃশ্য নতুন কিছু নয়। তবে এবার সেই উন্মাদনাকে এক ভিন্ন মাত্রা দিয়েছেন শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার পরিবহন ব্যবসায়ী ও ‘মাকসিম ট্রাভেলস’-এর স্বত্বাধিকারী গোলাম কিবরিয়া মাকসিম।
২ মিনিট আগে
জামালপুর থেকে ঢাকাগামী ব্রহ্মপুত্র ট্রেনের পাওয়ার কার লাইনচ্যুত হয়েছে। এতে ময়মনসিংহ-জামালপুর রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এদিকে, লাইনচ্যুত ট্রেনটি উদ্ধার করতে যাওয়ার পথে রিলিফ ট্রেনও লাইনচ্যুত হয়েছে।
২৯ মিনিট আগে
সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রককে তাঁর নিজ কর্মস্থল এলাকায় সার্বক্ষণিক অবস্থান করা বাধ্যতামূলক। অথচ নেত্রকোনার আটপাড়া ও কেন্দুয়া উপজেলার দায়িত্বে থাকা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. ইমরান হোসেন ঢাকার সাভারে নিজ বাড়িতে বসবাস করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
৩৩ মিনিট আগে
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বিভিন্ন সড়ক দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অধিকাংশ সড়কে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় খানাখন্দ। ফলে প্রতিদিন এসব সড়ক ব্যবহারকারী হাজারো মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বছরের পর বছর ভোগান্তি চললেও সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় ক্ষোভ বাড়ছে...
১ ঘণ্টা আগে