টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে লাল মিয়া (৩৮) নামের এক যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামির মৃত্যু হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তাঁর বাড়ি উপজেলার খাটোরা গ্রামে। আইনি পক্রিয়া শেষে তাঁর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। টাঙ্গাইলের জেল সুপার মো. মোকলেছুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ নিয়ে জেল সুপার মো. মোকলেছুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘লাল মিয়া অ্যাজমাসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ছিলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর তাঁকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকাল সাতটার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।’
জানা যায়, ২০১০ সালের ১২ সেপ্টেম্বর বাসাইলের কাউলজানী গ্রামের আবু বক্কর ভূঁইয়ার ছেলে মনিরুজ্জামান ভূঁইয়া নিখোঁজ হন। তিন দিন পর পাশের মহেশখালী গ্রামের জমির আইল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। ওই বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর নিহতের বাবা আবু বক্কর ভূঁইয়া বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে বাসাইল থানায় মামলা করেন। ওই মামলার তদন্তে হত্যার সঙ্গে মনিরুজ্জামানের ভায়রা রেজাউল ইসলাম, শ্যালিকা আলো বেগমসহ আরও কয়েকজনের জড়িত থাকার বিষয়টি বের হয়ে আসে। ২০১১ সালের ৩০ এপ্রিল আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।
গত বছরের ৮ জুন টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মাসুদ পারভেজ ওই মামলার রায় দেন। রায়ে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল গ্রামের মো. শামছু মিয়ার ছেলে রেজাউল ইসলাম রেজাকে আমৃত্যু দণ্ড এবং রেজাউলের স্ত্রী আলো বেগম, লাল মিয়া, রেজভী ও দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল গ্রামের আলমগীর হোসেনকে যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয়।

টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে লাল মিয়া (৩৮) নামের এক যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামির মৃত্যু হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তাঁর বাড়ি উপজেলার খাটোরা গ্রামে। আইনি পক্রিয়া শেষে তাঁর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। টাঙ্গাইলের জেল সুপার মো. মোকলেছুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ নিয়ে জেল সুপার মো. মোকলেছুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘লাল মিয়া অ্যাজমাসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ছিলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর তাঁকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকাল সাতটার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।’
জানা যায়, ২০১০ সালের ১২ সেপ্টেম্বর বাসাইলের কাউলজানী গ্রামের আবু বক্কর ভূঁইয়ার ছেলে মনিরুজ্জামান ভূঁইয়া নিখোঁজ হন। তিন দিন পর পাশের মহেশখালী গ্রামের জমির আইল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। ওই বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর নিহতের বাবা আবু বক্কর ভূঁইয়া বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে বাসাইল থানায় মামলা করেন। ওই মামলার তদন্তে হত্যার সঙ্গে মনিরুজ্জামানের ভায়রা রেজাউল ইসলাম, শ্যালিকা আলো বেগমসহ আরও কয়েকজনের জড়িত থাকার বিষয়টি বের হয়ে আসে। ২০১১ সালের ৩০ এপ্রিল আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।
গত বছরের ৮ জুন টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মাসুদ পারভেজ ওই মামলার রায় দেন। রায়ে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল গ্রামের মো. শামছু মিয়ার ছেলে রেজাউল ইসলাম রেজাকে আমৃত্যু দণ্ড এবং রেজাউলের স্ত্রী আলো বেগম, লাল মিয়া, রেজভী ও দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল গ্রামের আলমগীর হোসেনকে যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয়।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে