গোপালপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের গোপালপুরের বেলুয়া-মাদারজানি সড়কের প্রায় আধা কিলোমিটারের বিভিন্ন অংশ ধসে ঝিনাই নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এ কারণে অ্যাম্বুলেন্সসহ বিভিন্ন যান এই সড়ক দিয়ে চলাচল করতে পারছে না। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় শিক্ষার্থী-শিক্ষকসহ সাধারণ মানুষ।
সরেজমিনে জানা গেছে, গোপালপুরের হেমনগর ইউনিয়নের বেলুয়া থেকে আলমনগর ইউনিয়নের মাদারজানি, ফলদা ও মির্জাপুর ইউনিয়নকে সংযুক্ত করা সড়কের বিভিন্ন অংশে ভাঙন ধরেছে। বেলুয়া হাটের পূর্বপাশ ঘেঁষে বড় কুমুল্লী পর্যন্ত আনুমানিক আধা কিলোমিটার সড়ক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বড় কুমুল্লী গ্রামের বাসিন্দা জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘ঝুঁকি নিয়ে চলাচলে বিভিন্ন সময়ে বিয়ের গাড়ি, সারের গাড়ি, সিমেন্টের গাড়ি, কৃষিপণ্যসহ অন্তত ১০টি গাড়ি নদীতে পড়তে দেখেছি। এতে হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। আর এখনতো কোথাও কোথাও হাঁটার রাস্তাটুকুও অবশিষ্ট নেই।’
স্থানীয় একটি কলেজের প্রভাষক রকিব উদ্দিন আতিক বলেন, ‘অ্যাম্বুলেন্সসহ যেকোনো গাড়ি নিয়ে আলমনগরের দিকে যেতে রাস্তায় থাকে হাঁটু পর্যন্ত কাঁদা। বেলুয়ার দিক দিয়ে যাওয়ার উপায় নেই। মাদারজানি-কুমুল্লী গ্রামের অধিকাংশ শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে বেলুয়া বাজারের পাশের স্কুলে যেতে হয়। ধান, পাটসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য হাঁটে নিতে ভোগান্তির সীমা নেই। এখন শুধু রাস্তার পাশ দিয়ে সাইকেল নিয়ে যাওয়া-আসা করা যায়। এবড়োখেবড়ো হওয়ায় ঝুঁকি বেশি তৈরি হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছে বারবার দরখাস্ত দিয়েও প্রতিকার মেলেনি।’
অটোরিকশাচালক মো. আব্দুর রহিম বলেন, ‘অটোরিকশা চালিয়ে সংসার চালাতে হয়। রাস্তা না থাকায় চরম ভোগান্তিতে আছি। সাত বছরের বেশি সময় ধরে ভোগান্তি পোহাতে দেখেছি মানুষকে। জনপ্রতিনিধিরা সভা সমাবেশে বারবার প্রতিশ্রুতি দিলেও অনেক দিনেও রাস্তাটির সংস্কার কেউ করেনি।’
সড়কটি পাঁচ-ছয় বছর ধরে বেহাল হয়ে পড়ে আছে বলে জানান আলমনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি সড়কটি সংস্কারে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) দরপত্র আহ্বান করেছে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসফিয়া সিরাত বলেন, ‘বিষয়টি আমি খোঁজ নেব। দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

টাঙ্গাইলের গোপালপুরের বেলুয়া-মাদারজানি সড়কের প্রায় আধা কিলোমিটারের বিভিন্ন অংশ ধসে ঝিনাই নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এ কারণে অ্যাম্বুলেন্সসহ বিভিন্ন যান এই সড়ক দিয়ে চলাচল করতে পারছে না। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় শিক্ষার্থী-শিক্ষকসহ সাধারণ মানুষ।
সরেজমিনে জানা গেছে, গোপালপুরের হেমনগর ইউনিয়নের বেলুয়া থেকে আলমনগর ইউনিয়নের মাদারজানি, ফলদা ও মির্জাপুর ইউনিয়নকে সংযুক্ত করা সড়কের বিভিন্ন অংশে ভাঙন ধরেছে। বেলুয়া হাটের পূর্বপাশ ঘেঁষে বড় কুমুল্লী পর্যন্ত আনুমানিক আধা কিলোমিটার সড়ক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বড় কুমুল্লী গ্রামের বাসিন্দা জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘ঝুঁকি নিয়ে চলাচলে বিভিন্ন সময়ে বিয়ের গাড়ি, সারের গাড়ি, সিমেন্টের গাড়ি, কৃষিপণ্যসহ অন্তত ১০টি গাড়ি নদীতে পড়তে দেখেছি। এতে হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। আর এখনতো কোথাও কোথাও হাঁটার রাস্তাটুকুও অবশিষ্ট নেই।’
স্থানীয় একটি কলেজের প্রভাষক রকিব উদ্দিন আতিক বলেন, ‘অ্যাম্বুলেন্সসহ যেকোনো গাড়ি নিয়ে আলমনগরের দিকে যেতে রাস্তায় থাকে হাঁটু পর্যন্ত কাঁদা। বেলুয়ার দিক দিয়ে যাওয়ার উপায় নেই। মাদারজানি-কুমুল্লী গ্রামের অধিকাংশ শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে বেলুয়া বাজারের পাশের স্কুলে যেতে হয়। ধান, পাটসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য হাঁটে নিতে ভোগান্তির সীমা নেই। এখন শুধু রাস্তার পাশ দিয়ে সাইকেল নিয়ে যাওয়া-আসা করা যায়। এবড়োখেবড়ো হওয়ায় ঝুঁকি বেশি তৈরি হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছে বারবার দরখাস্ত দিয়েও প্রতিকার মেলেনি।’
অটোরিকশাচালক মো. আব্দুর রহিম বলেন, ‘অটোরিকশা চালিয়ে সংসার চালাতে হয়। রাস্তা না থাকায় চরম ভোগান্তিতে আছি। সাত বছরের বেশি সময় ধরে ভোগান্তি পোহাতে দেখেছি মানুষকে। জনপ্রতিনিধিরা সভা সমাবেশে বারবার প্রতিশ্রুতি দিলেও অনেক দিনেও রাস্তাটির সংস্কার কেউ করেনি।’
সড়কটি পাঁচ-ছয় বছর ধরে বেহাল হয়ে পড়ে আছে বলে জানান আলমনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি সড়কটি সংস্কারে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) দরপত্র আহ্বান করেছে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসফিয়া সিরাত বলেন, ‘বিষয়টি আমি খোঁজ নেব। দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে