মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে রফিকুল ইসলাম (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ। এ সময় রফিকুলের এক ভাই আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
আজ সোমবার সকালে উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের বংশীনগর হলিদ্রাচালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
রফিকুল ইসলাম হলিদ্রাচালা গ্রামের মৃত নায়েব আলীর ছেলে। হামলায় রফিকুলের বড় ভাই শামসুল আলম আহত হয়েছেন। তিনি মুক্তখবর নামের একটি পত্রিকার সাংবাদিক।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন নিহতের চাচাতো ভাই আয়নাল মিয়া (৬০) ও তাঁর স্ত্রী সেলিনা বেগম (৪৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে শামসুল আলমের ছোট ভাই রফিকুল ইসলাম বাড়ির পাশের জমিতে কিছু গাছের চারা লাগাতে যান। এতে তাঁর চাচাতো ভাই আয়নাল এবং তাঁর স্ত্রী সেলিনা তাঁকে বাধা দেন। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে আয়নাল ও সেলিনা তাঁকে মারধর করলে তিনি লুটিয়ে পড়েন। এ সময় তাঁর চিৎকারে শামসুল আলম এগিয়ে গেলে তাঁকেও মারধর করেন আয়নাল। পরে রফিকুলকে উদ্ধার করে কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে রফিকুলের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে আয়নাল এবং তাঁর স্ত্রী সেলিনা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই সাংবাদিক শামসুল আলম বাদী হয়ে আয়নাল এবং তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা করেছেন।
মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। এ ছাড়া নিহত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে রফিকুল ইসলাম (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ। এ সময় রফিকুলের এক ভাই আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
আজ সোমবার সকালে উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের বংশীনগর হলিদ্রাচালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
রফিকুল ইসলাম হলিদ্রাচালা গ্রামের মৃত নায়েব আলীর ছেলে। হামলায় রফিকুলের বড় ভাই শামসুল আলম আহত হয়েছেন। তিনি মুক্তখবর নামের একটি পত্রিকার সাংবাদিক।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন নিহতের চাচাতো ভাই আয়নাল মিয়া (৬০) ও তাঁর স্ত্রী সেলিনা বেগম (৪৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে শামসুল আলমের ছোট ভাই রফিকুল ইসলাম বাড়ির পাশের জমিতে কিছু গাছের চারা লাগাতে যান। এতে তাঁর চাচাতো ভাই আয়নাল এবং তাঁর স্ত্রী সেলিনা তাঁকে বাধা দেন। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে আয়নাল ও সেলিনা তাঁকে মারধর করলে তিনি লুটিয়ে পড়েন। এ সময় তাঁর চিৎকারে শামসুল আলম এগিয়ে গেলে তাঁকেও মারধর করেন আয়নাল। পরে রফিকুলকে উদ্ধার করে কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে রফিকুলের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে আয়নাল এবং তাঁর স্ত্রী সেলিনা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই সাংবাদিক শামসুল আলম বাদী হয়ে আয়নাল এবং তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা করেছেন।
মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। এ ছাড়া নিহত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

চট্টগ্রামের কক্সবাজারে রহিদ বড়ুয়া (১৯) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে শহরের বিজিবি ক্যাম্পের পশ্চিমপাড়ায় বাড়ির কাছে একটি গাছ থেকে তাঁর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়।
২২ মিনিট আগে
অনেকটা পাগলের মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী, এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। এসব খুনের ঘটনায় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের পর আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তিনি স্বীকারোক্তিমূলক...
২৩ মিনিট আগে
সাভারের আশুলিয়ায় বকেয়া বেতনের দাবিতে মেডলার গ্রুপ নামের একটি তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ করেন। এ সময় শ্রমিকদের ইটপাটকেলের আঘাতে আশুলিয়া শিল্প পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হন। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে আশুলিয়ার সরকার মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে আহত পুলিশ সদস্যদের নাম-পরিচয় জানা যা
১ ঘণ্টা আগে
আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে (জেআইসি) গুম করে রাখার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন হুম্মাম কাদের চৌধুরী। গুমের অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিতে গিয়ে একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘দিন গুনতাম খাবার দেখে। খাবারের জন্য রুটি আসলে বুঝতে পারতাম নতুন দিন শুরু
১ ঘণ্টা আগে