সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের সখীপুরে একসঙ্গে ছয় সন্তানের জন্ম দিয়েছেন এক প্রসূতি। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে বহুরিয়া ইউনিয়নের কালমেঘা কড়ইচালা গ্রামের গৃহবধূ সুমনা আক্তার (২৪) পরপর ছয়টি সন্তান প্রসব করেন। সুমনা ওই গ্রামের সিঙ্গাপুরপ্রবাসী ফরহাদ হোসেনের স্ত্রী।
শিশুদের মা সুমনা বর্তমানে মির্জাপুরের কুমুদিনী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শিশুগুলোর মধ্যে চারটি ছেলে ও দুটি মেয়ে। তবে ঘণ্টাখানেকের মধ্যে সবগুলোই মারা গেছে।
আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় প্রবাসী ফরহাদের মামা নজরুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
সুমনার পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগে উপজেলার কালমেঘা কড়ইচালা গ্রামের ফরহাদ হোসেনের সঙ্গে একই উপজেলার গড়গোবিন্দপুর গ্রামের সুমনার বিয়ে হয়। পাঁচ মাস আগে সুমনা অন্তঃসত্ত্বা হলে টাঙ্গাইলের এক গাইনি চিকিৎসক ওই দম্পতিকে জানান, সুমনার গর্ভে চারটি ভ্রূণ বড় হচ্ছে। এর পর থেকেই সুমনা নিয়মিত চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণে ছিলেন। ১৫ দিন আগে তাঁর স্বামী সিঙ্গাপুর চলে যান।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে সুমনা পেটে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন, একপর্যায়ে বাড়িতেই একটি সন্তানের জন্ম দেন। তাঁকে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসকেরা সুমনাকে দ্রুত ঢাকা নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। পরে স্বজনেরা সুমনাকে কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তিনি স্বাভাবিকভাবে পরপর আরও পাঁচটি সন্তান প্রসব করেন।
সুমনার মামা শ্বশুর নজরুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সকালে আমিই সুমনাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছিলাম। বাচ্চাগুলো জন্ম নেওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যেই মারা যায়। সুমনার অবস্থা বর্তমানে কিছুটা স্থিতিশীল রয়েছে।’
গড়গোবিন্দপুর উদয়ন উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সুমনার অপর মামা শ্বশুর মো. শাহজাহান মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, এ দম্পতির কোনো সন্তানাদি নেই। তাঁদের একসঙ্গে ছয় সন্তানের জন্ম এবং মৃত্যুতে পরিবারটি হতবিহ্বল হয়ে পড়েছে।

টাঙ্গাইলের সখীপুরে একসঙ্গে ছয় সন্তানের জন্ম দিয়েছেন এক প্রসূতি। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে বহুরিয়া ইউনিয়নের কালমেঘা কড়ইচালা গ্রামের গৃহবধূ সুমনা আক্তার (২৪) পরপর ছয়টি সন্তান প্রসব করেন। সুমনা ওই গ্রামের সিঙ্গাপুরপ্রবাসী ফরহাদ হোসেনের স্ত্রী।
শিশুদের মা সুমনা বর্তমানে মির্জাপুরের কুমুদিনী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শিশুগুলোর মধ্যে চারটি ছেলে ও দুটি মেয়ে। তবে ঘণ্টাখানেকের মধ্যে সবগুলোই মারা গেছে।
আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় প্রবাসী ফরহাদের মামা নজরুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
সুমনার পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগে উপজেলার কালমেঘা কড়ইচালা গ্রামের ফরহাদ হোসেনের সঙ্গে একই উপজেলার গড়গোবিন্দপুর গ্রামের সুমনার বিয়ে হয়। পাঁচ মাস আগে সুমনা অন্তঃসত্ত্বা হলে টাঙ্গাইলের এক গাইনি চিকিৎসক ওই দম্পতিকে জানান, সুমনার গর্ভে চারটি ভ্রূণ বড় হচ্ছে। এর পর থেকেই সুমনা নিয়মিত চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণে ছিলেন। ১৫ দিন আগে তাঁর স্বামী সিঙ্গাপুর চলে যান।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে সুমনা পেটে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন, একপর্যায়ে বাড়িতেই একটি সন্তানের জন্ম দেন। তাঁকে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসকেরা সুমনাকে দ্রুত ঢাকা নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। পরে স্বজনেরা সুমনাকে কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তিনি স্বাভাবিকভাবে পরপর আরও পাঁচটি সন্তান প্রসব করেন।
সুমনার মামা শ্বশুর নজরুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সকালে আমিই সুমনাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছিলাম। বাচ্চাগুলো জন্ম নেওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যেই মারা যায়। সুমনার অবস্থা বর্তমানে কিছুটা স্থিতিশীল রয়েছে।’
গড়গোবিন্দপুর উদয়ন উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সুমনার অপর মামা শ্বশুর মো. শাহজাহান মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, এ দম্পতির কোনো সন্তানাদি নেই। তাঁদের একসঙ্গে ছয় সন্তানের জন্ম এবং মৃত্যুতে পরিবারটি হতবিহ্বল হয়ে পড়েছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে