নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে চা-শ্রমিকদের এরিয়ার অর্থ-বোনাস, উৎসব ভাতা ও স্থায়ী বাসস্থান নিশ্চিতকরণসহ ৭ দফা দাবিতে কর্মবিরতি ও মানববন্ধন হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে রোকনপুর বাজারে এ মানববন্ধন করে ইমাম ও বাওয়ানী চা-বাগানের শ্রমিকেরা।
শ্রমিকদের অভিযোগ, উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নের ইমাম ও বাওয়ানী চা বাগানের ৩৬০ জন শ্রমিকের ২০১৯-২০ ও ২০২১-২২ অর্থবছরের এরিয়া অর্থ বাবদ বকেয়া ৮১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা, এরিয়া বোনাসের ১৪ লাখ ৪৭ হাজার টাকা, চা-বাগান শ্রমিক ভবিষ্যৎ তহবিলের (পিএফ) ৫৫ লাখ ৮৯ হাজার টাকা মালিক পক্ষ পরিশোধ করছে না।
এ ছাড়া চা-শ্রমিকদের বাসস্থানের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ডাক্তার না থাকায় চিকিৎসাসেবা থেকেও বঞ্চিত তাঁরা। গত ২৫ জুন চা-শ্রমিকদের ৭ দফা দাবি বাস্তবায়ন করার জন্য ইমাম টি এস্টেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে লিখিতভাবে জানান চা-শ্রমিকেরা। মালিকপক্ষ সাড়া না দেওয়ায় ৩ জুন থেকে কর্মবিরতি পালন করেন তাঁরা।
এ বিষয়ে চা-শ্রমিক ইউনিয়ন বালিশিরা ভ্যালীর ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শুভাশিষ দাশ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সব বাগানে চা-শ্রমিকদের দাবি মানা হচ্ছে, কিন্তু প্রতিনিয়ত ইমাম ও বাওয়ানী চা-বাগানের শ্রমিকেরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। ৭ দফা দাবি বাস্তবায়ন না হলে পর্যায়ক্রমে ইউএনও, ডিসি অফিস ঘেরাও করে আমরা কর্মসূচি পালন করব। দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত শ্রমিকেরা কর্মবিরতি পালন করবেন।’ তিনি দ্রুত মালিকপক্ষকে তাঁদের সব দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান।
অন্যদিকে ইমাম টি এস্টেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান মাঈন উদ্দিন চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘চা-শ্রমিকদের বেতনসহ যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। এরিয়া অর্থ, বোনাস ও পিএফের টাকা দেওয়ার জন্য তাঁরা একটি চিঠি লিখেছেন। আমি বলেছি, ১৫ জুলাই থেকে পর্যায়ক্রমে টাকাগুলো পরিশোধ করা হবে। আশা করছি, তারা কাজে ফিরে যাবেন।’

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে চা-শ্রমিকদের এরিয়ার অর্থ-বোনাস, উৎসব ভাতা ও স্থায়ী বাসস্থান নিশ্চিতকরণসহ ৭ দফা দাবিতে কর্মবিরতি ও মানববন্ধন হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে রোকনপুর বাজারে এ মানববন্ধন করে ইমাম ও বাওয়ানী চা-বাগানের শ্রমিকেরা।
শ্রমিকদের অভিযোগ, উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নের ইমাম ও বাওয়ানী চা বাগানের ৩৬০ জন শ্রমিকের ২০১৯-২০ ও ২০২১-২২ অর্থবছরের এরিয়া অর্থ বাবদ বকেয়া ৮১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা, এরিয়া বোনাসের ১৪ লাখ ৪৭ হাজার টাকা, চা-বাগান শ্রমিক ভবিষ্যৎ তহবিলের (পিএফ) ৫৫ লাখ ৮৯ হাজার টাকা মালিক পক্ষ পরিশোধ করছে না।
এ ছাড়া চা-শ্রমিকদের বাসস্থানের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ডাক্তার না থাকায় চিকিৎসাসেবা থেকেও বঞ্চিত তাঁরা। গত ২৫ জুন চা-শ্রমিকদের ৭ দফা দাবি বাস্তবায়ন করার জন্য ইমাম টি এস্টেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে লিখিতভাবে জানান চা-শ্রমিকেরা। মালিকপক্ষ সাড়া না দেওয়ায় ৩ জুন থেকে কর্মবিরতি পালন করেন তাঁরা।
এ বিষয়ে চা-শ্রমিক ইউনিয়ন বালিশিরা ভ্যালীর ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শুভাশিষ দাশ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সব বাগানে চা-শ্রমিকদের দাবি মানা হচ্ছে, কিন্তু প্রতিনিয়ত ইমাম ও বাওয়ানী চা-বাগানের শ্রমিকেরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। ৭ দফা দাবি বাস্তবায়ন না হলে পর্যায়ক্রমে ইউএনও, ডিসি অফিস ঘেরাও করে আমরা কর্মসূচি পালন করব। দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত শ্রমিকেরা কর্মবিরতি পালন করবেন।’ তিনি দ্রুত মালিকপক্ষকে তাঁদের সব দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান।
অন্যদিকে ইমাম টি এস্টেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান মাঈন উদ্দিন চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘চা-শ্রমিকদের বেতনসহ যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। এরিয়া অর্থ, বোনাস ও পিএফের টাকা দেওয়ার জন্য তাঁরা একটি চিঠি লিখেছেন। আমি বলেছি, ১৫ জুলাই থেকে পর্যায়ক্রমে টাকাগুলো পরিশোধ করা হবে। আশা করছি, তারা কাজে ফিরে যাবেন।’

রাজশাহী শহরে নির্মাণাধীন চারটি ফ্লাইওভারের নকশা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, নকশার ত্রুটির কারণে ফ্লাইওভারগুলো চালু হলে উল্টো সেগুলোর মুখেই যানজট সৃষ্টি হতে পারে। এ নিয়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশীদ ৬ জানুয়ারি সংশ্লিষ্টদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পদ্মা সেতুর দক্ষিণ প্রান্ত-সংলগ্ন মাদারীপুরের শিবচর এবং শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার জায়গা নিয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় তাঁতপল্লি নির্মাণের কাজ শুরু করে ২০১৮ সালের শেষের দিকে। কাজের বেশ অগ্রগতিও হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বন্ধ হয়ে যায় প্রকল্পের কাজ।
৬ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নরসিংদীর পাঁচটি সংসদীয় আসনে ভোটের মাঠ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জের অলিগলিতে প্রার্থী ও সমর্থকদের প্রচার-প্রচারণায় ছড়িয়ে পড়েছে নির্বাচনী আমেজ।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে ৩৮টি মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে। এর মধ্যে একজন প্রার্থী দুটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সে হিসেবে ভোটের মাঠে আছেন ৩৭ জন। তাঁদের মধ্যে ৩৪ জন অর্থাৎ প্রায় ৯২ শতাংশ প্রার্থীই উচ্চশিক্ষিত।
৬ ঘণ্টা আগে